একদিনে মৃত্যু ২২ শনাক্ত ১২৩৫

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৫৩১ জনের মৃত্যু হলো। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৫ জন, এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ৫ লাখ ১২ হাজার ৪৯৬ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫০৭ জন, এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৭০ জন। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৪০৮টি। অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫ হাজার ২২৯টি। এখন পর্যন্ত ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৮ দশমিক ১১ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৭ শতাংশ। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী। এখন পর্যন্ত পুরুষ ৫ হাজার ৭৩৩ জন এবং নারী মৃত্যুবরণ করেছেন এক হাজার ৭৯৮ জন। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ ঊর্ধ্ব ১১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪ জন এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জন, ময়মনসিংহে ২ জন এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে একজন করে রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় এরা সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, মৃতদের মধ্যে ৮ জন অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এদের মধ্যে একজন হাইপারটেনশন, ৩ জন হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিস, একজন হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ, একজন শুধু কিডনি রোগ এবং ২ জন হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১২৭ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১২৩ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৯৬ হাজার ২১২ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৮৪ হাজার ৬৯০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১১ হাজার ৫২২ জন।

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ , ১৬ পৌষ ১৪২৭, ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪২

দেশে করোনায় 

একদিনে মৃত্যু ২২ শনাক্ত ১২৩৫

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৫৩১ জনের মৃত্যু হলো। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৫ জন, এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ৫ লাখ ১২ হাজার ৪৯৬ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫০৭ জন, এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৭০ জন। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৪০৮টি। অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫ হাজার ২২৯টি। এখন পর্যন্ত ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৮ দশমিক ১১ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৭ শতাংশ। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী। এখন পর্যন্ত পুরুষ ৫ হাজার ৭৩৩ জন এবং নারী মৃত্যুবরণ করেছেন এক হাজার ৭৯৮ জন। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ ঊর্ধ্ব ১১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪ জন এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জন, ময়মনসিংহে ২ জন এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে একজন করে রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় এরা সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, মৃতদের মধ্যে ৮ জন অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এদের মধ্যে একজন হাইপারটেনশন, ৩ জন হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিস, একজন হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ, একজন শুধু কিডনি রোগ এবং ২ জন হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১২৭ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১২৩ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৯৬ হাজার ২১২ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৮৪ হাজার ৬৯০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১১ হাজার ৫২২ জন।