আরও ৪ ভাষায় হচ্ছে বাংলাদেশি অ্যানিমেটেড ছবি ‘টুমরো’

দেশে প্রথমবারের মতো নির্মিত হয়েছিল অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ‘টুমরো’। টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্তর জন্য নির্মিত ছবিটি মুক্তির পর এর চরিত্রগুলো বিদেশেও বেশ প্রশংসিত হয়। তাই এবার এটি ইংরেজিতে রূপ দেয়ার পরিকল্পনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি ফ্রেঞ্চ, মালয় ও ডাচ ভাষায় এটি ডাব করার ইচ্ছে তাদের। বাংলা নিয়ে মোট পাঁচ ভাষায় হচ্ছে ছবিটি। দীপ্ত টিভি থেকে জানায়, শিগগিরই এটি ইংরেজিতে রূপান্তর করা হবে। আপাতত ভয়েস আর্টিস্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরেই নতুনরূপে আসবে আলোচিত এই অ্যানিমেশন ফিল্ম। ২ বছর আগে চলচ্চিত্রটি উন্মুক্ত হয়েছিল। এরপর থেকে এটি দেখা যাচ্ছে ইউটিউবে। ২৫ মিনিটের এ স্বল্পদৈর্ঘ্যে তুলে ধরা হয়েছে বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। এটি নির্মাণ করেছেন মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন। নির্মাতা শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘ছবিটি নিয়ে প্রতিনিয়ত ভালো ফিডব্যাক পাচ্ছি। যা আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কীভাবে ঝুঁকির মধ্যে পড়বে এবং প্রকৃতি ধ্বংসের মুখোমুখি হবে, তা তুলে ধরার পরিকল্পনা ছিল আমাদের। ৪ ভাষায় রূপান্তরের পরিকল্পনা আছে। আপাতত ইংলিশে ডাব করাটা প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।’ কাজী জাহিন হাসান এবং কাজী জিসান হাসানের প্রযোজনায় এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন যৌথভাবে নাসিমুল হাসান ও আহমেদ খান হীরক। এ ছবিটি প্রযোজনা করছে দীপ্ত টিভি। চলচ্চিত্রটি তৈরি হয়েছে সাইকোর স্টুডিওতে। এতে দেখা যায়, বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে তলিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশসহ আরও অনেক দেশ; ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে খুব ভয়ঙ্কর। সেই ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎকেই রাতুল নামের এক শিশু দেখে ফেলে অতিপ্রাকৃত চরিত্র ‘বাতাসের বুড়ো’র মাধ্যমে। যে রাতুল এতদিন প্রকৃতিকে উপেক্ষা করে গেছে সেই রাতুলই এবার ভার নেয় পৃথিবীর ভবিষ্যৎ বদলাবার।

সোমবার, ১১ জানুয়ারী ২০২১ , ২৭ পৌষ ১৪২৭, ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪২

আরও ৪ ভাষায় হচ্ছে বাংলাদেশি অ্যানিমেটেড ছবি ‘টুমরো’

image

দেশে প্রথমবারের মতো নির্মিত হয়েছিল অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ‘টুমরো’। টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্তর জন্য নির্মিত ছবিটি মুক্তির পর এর চরিত্রগুলো বিদেশেও বেশ প্রশংসিত হয়। তাই এবার এটি ইংরেজিতে রূপ দেয়ার পরিকল্পনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি ফ্রেঞ্চ, মালয় ও ডাচ ভাষায় এটি ডাব করার ইচ্ছে তাদের। বাংলা নিয়ে মোট পাঁচ ভাষায় হচ্ছে ছবিটি। দীপ্ত টিভি থেকে জানায়, শিগগিরই এটি ইংরেজিতে রূপান্তর করা হবে। আপাতত ভয়েস আর্টিস্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরেই নতুনরূপে আসবে আলোচিত এই অ্যানিমেশন ফিল্ম। ২ বছর আগে চলচ্চিত্রটি উন্মুক্ত হয়েছিল। এরপর থেকে এটি দেখা যাচ্ছে ইউটিউবে। ২৫ মিনিটের এ স্বল্পদৈর্ঘ্যে তুলে ধরা হয়েছে বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। এটি নির্মাণ করেছেন মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন। নির্মাতা শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘ছবিটি নিয়ে প্রতিনিয়ত ভালো ফিডব্যাক পাচ্ছি। যা আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কীভাবে ঝুঁকির মধ্যে পড়বে এবং প্রকৃতি ধ্বংসের মুখোমুখি হবে, তা তুলে ধরার পরিকল্পনা ছিল আমাদের। ৪ ভাষায় রূপান্তরের পরিকল্পনা আছে। আপাতত ইংলিশে ডাব করাটা প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।’ কাজী জাহিন হাসান এবং কাজী জিসান হাসানের প্রযোজনায় এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন যৌথভাবে নাসিমুল হাসান ও আহমেদ খান হীরক। এ ছবিটি প্রযোজনা করছে দীপ্ত টিভি। চলচ্চিত্রটি তৈরি হয়েছে সাইকোর স্টুডিওতে। এতে দেখা যায়, বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে তলিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশসহ আরও অনেক দেশ; ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে খুব ভয়ঙ্কর। সেই ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎকেই রাতুল নামের এক শিশু দেখে ফেলে অতিপ্রাকৃত চরিত্র ‘বাতাসের বুড়ো’র মাধ্যমে। যে রাতুল এতদিন প্রকৃতিকে উপেক্ষা করে গেছে সেই রাতুলই এবার ভার নেয় পৃথিবীর ভবিষ্যৎ বদলাবার।