ক্ষতিপূরণ নিয়ে শঙ্কায় সানোফির কর্মীরা

চাকরি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশে কর্মরত সানোফি বাংলাদেশের এক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ সময় তারা অভিযাগ করেন, সানোফি বাংলাদেশ থেকে বেনিফিট দেয়ার বিষয়ে আমাদের আশ্বাস দেয়া হলেও ক্ষতিপূরণ এবং অর্জিত বেনিফিট নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন ঘোষণা এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। গতকাল ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামে (ইআরএফ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়। সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেড ওয়াকার্স-এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি সংগঠন এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সানোফি গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট সানোফি বাংলাদেশের ৫৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির এ সিদ্ধান্তের কারণে সানোফি বাংলাদেশে কর্মরত প্রায় এক হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং তাদের যৌক্তিক অধিকার সমুন্নত রাখা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি মো. নুরুজ্জামান রাজু বলেন, আমরা একাধিকবার আমাদের যৌক্তিক দাবির কথা সানোফি বাংলাদেশের ম্যানেজমেন্টকে জানালেও তারা শুধু আশ্বাসই দিয়ে গেছেন। তারা এখন পর্যন্ত আমাদের কোন ক্ষতিপূরণ বা অর্জিত বেনিফিট যেটা কোম্পানির কাছে গচ্ছিত আছে, সেগুলো নিয়ে কিছুই বলেনি। এরপরও আমরা আশা রাখি, আন্তর্জাতিকমানের এ কোম্পানি শ্রমিকদের সব দাবি-দাওয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পূরণ করবে। তৃতীয় কোন কোম্পানির কাছে সানোফির ৫৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির দিন থেকে আমাদের সব দাবি-দাওয়া, ক্ষতিপূরণ-অর্জিত বেনিফিটসহ সব কিছু পরিশোধ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে আমাদের ক্ষতিপূরণ যদি না দেয়া হয় তাহলে আমরা আন্দোলন করতে বাধ্য হব। এই আন্দোলনের মাধ্যমেই আমাদের দাবি-দাওয়া পূরণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক সজীব কুমার চক্রবর্তী নবগঠিত কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন। সানোফি বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স অ্যামপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের নবগঠিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন মো. নুরুজ্জামান রাজু, সাধারণ সম্পাদক সজীব কুমার চক্রবর্তী, সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল ওমর ফারুক, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মো. ফয়সাল, দপ্তর সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য মাহমুদ হাসান এবং আতাউর রহমান।

রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১ , ৩ মাঘ ১৪২৭, ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ক্ষতিপূরণ নিয়ে শঙ্কায় সানোফির কর্মীরা

চাকরি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশে কর্মরত সানোফি বাংলাদেশের এক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ সময় তারা অভিযাগ করেন, সানোফি বাংলাদেশ থেকে বেনিফিট দেয়ার বিষয়ে আমাদের আশ্বাস দেয়া হলেও ক্ষতিপূরণ এবং অর্জিত বেনিফিট নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন ঘোষণা এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। গতকাল ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামে (ইআরএফ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়। সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেড ওয়াকার্স-এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি সংগঠন এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সানোফি গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট সানোফি বাংলাদেশের ৫৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির এ সিদ্ধান্তের কারণে সানোফি বাংলাদেশে কর্মরত প্রায় এক হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং তাদের যৌক্তিক অধিকার সমুন্নত রাখা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি মো. নুরুজ্জামান রাজু বলেন, আমরা একাধিকবার আমাদের যৌক্তিক দাবির কথা সানোফি বাংলাদেশের ম্যানেজমেন্টকে জানালেও তারা শুধু আশ্বাসই দিয়ে গেছেন। তারা এখন পর্যন্ত আমাদের কোন ক্ষতিপূরণ বা অর্জিত বেনিফিট যেটা কোম্পানির কাছে গচ্ছিত আছে, সেগুলো নিয়ে কিছুই বলেনি। এরপরও আমরা আশা রাখি, আন্তর্জাতিকমানের এ কোম্পানি শ্রমিকদের সব দাবি-দাওয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পূরণ করবে। তৃতীয় কোন কোম্পানির কাছে সানোফির ৫৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির দিন থেকে আমাদের সব দাবি-দাওয়া, ক্ষতিপূরণ-অর্জিত বেনিফিটসহ সব কিছু পরিশোধ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে আমাদের ক্ষতিপূরণ যদি না দেয়া হয় তাহলে আমরা আন্দোলন করতে বাধ্য হব। এই আন্দোলনের মাধ্যমেই আমাদের দাবি-দাওয়া পূরণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক সজীব কুমার চক্রবর্তী নবগঠিত কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন। সানোফি বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স অ্যামপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের নবগঠিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন মো. নুরুজ্জামান রাজু, সাধারণ সম্পাদক সজীব কুমার চক্রবর্তী, সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল ওমর ফারুক, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মো. ফয়সাল, দপ্তর সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য মাহমুদ হাসান এবং আতাউর রহমান।