সিরিজ জিতার প্রত্যয়ে টাইগাররা

সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাঙাচোরা দলটার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওডিআই সিরিজের প্রথম ম্যাচে টাইগারদের জয়টা ছিল প্রত্যাশিতই। সেই ম্যাচে ১৬ মাস পর মাঠে নামেন সাকিব আল হাসান। মাঠে ফেরাটা তিনি উদযাপন করেন চারটি উইকেটের পতন ঘটানোর পাশাপাশি ১৯ রান সংগ্রহের মধ্য দিয়ে।

আজ শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে (সাড়ে ১১টায়) দুই দল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার সময়ে পাদপ্রদীপের আলোটা থাকছে সাকিবের ওপরই। অন্তত সফরে আসা দলের অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ তেমনটাই মনে করছেন। প্রথম ম্যাচে সাকিবের অলরাউন্ড নৈপুন্যের পর জেসন বলেন, নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ার সময়টাতে সাকিব ছিলেন বিশ্বের এক নম্বর অল রাউন্ডার। স্পিনিং অলরাউন্ডার হিসেবে তার ধারেকাছেও কেউ নেই। তার স্পেলটা ছিল দুর্দান্ত। বোলিং ফিগার সেই সাক্ষ্যই দিচ্ছে।

প্রথম ওডিআই ম্যাচে কোন দলের ব্যাটিং ডিপার্টমেন্টই সুবিধা করতে পারেনি। ঘন কুয়াশার সঙ্গে ঘণ্টাখানেকের বৃষ্টি পিচটাকে ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন অবস্থায় নিয়ে যায়। আজ শুক্রবারের দ্বিতীয় ওডিআই ম্যাচের আগে শীত কিছুটা কমে তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। রৌদ্রের পূর্বাভাসও আছে। তেমনটা ঘটলে ব্যাটসম্যানরা কিছুটা হলেও রান পাবেন বলে আশা করা যায়।

সামনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে সরাসরি সুযোগ পেতে হলে চলতি সিরিজ থেকে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে উভয় দলকে। প্রথম ম্যাচে জয়ের মধ্য দিয়ে অর্জন করা পয়েন্ট নিঃসন্দেহে টাইগারদের বিশ্বকাপের পথে কিছুটা এগিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ দল কোনমতেই দ্বিতীয় ম্যাচের আগে আত্মতুষ্টিতে ভুগে পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকি নিতে চাইবে না। আবার প্রথম দুটো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের বর্তমান দলটা বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ না পেলে অতীতের সেই ইতিহাসটা ম্লান হয়ে যাবে। ফলে তারাও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় থাকবে নিঃসন্দেহে।

সফরে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলটা প্রথম সারির না হলেও সিরিজটা কিন্তু আন্তর্জাতিক। বাংলাদেশ দলের জন্য সুখবর হলো তামিম ইকবালের নেতৃত্বের শুরুটা হয়েছে জয় দিয়ে। আবার প্রথম স্পেলে সাত ওভার বল করে সাকিব যেভাবে অ্যান্ড্রু ম্যাকার্থি, জেসন মোহাম্মদ ও নক্রুমা বোনারের উইকেট শিকার করেছেন তা এক কথায় ছিল অবিশ্বাস্য। প্রতিটা বলই ছিল দুর্দান্ত। সাকিবের ওই স্পেলে স্লিপে ফিল্ডার ছিলেন সর্বদাই। কখনও কখনও সিলি মিড অফ এবং শর্ট লেগে ফিল্ডার রেখে বল করেছেন সাকিব।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বড় বিপদ হয়ে এসেছে বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের ফর্মে ফেরাটা। প্রথম ম্যাচে দুই ক্যারিবিয়ান ওপেনারকে তিনিই বিদায় করেন। উইকেটের দেখা না পেলেও রুবেল হোসেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটিং ডিপার্টমেন্টকে আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। মেহেদি হাসান মিরাজ পেয়েছেন একটি উইকেট। আর অভিষিক্ত হাসান মাহমুদের তিনটা উইকেট যেকোন বিবেচনায় অসাধারণ।

প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ১২২ রানে অলআউট হওয়ার পর ১২৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে বাংলাদেশ দল অনেকটা সময় নিয়েছিল। ৩৩.৫ ওভার ব্যাট চালানোর পাশাপাশি টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানকেও হারায় স্বাগতিক দল। সেদিনের কন্ডিশন এবং দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ম্যাচে ফেরার কারণে কিছুটা আড়ষ্টতা হয়তো ছিল ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। এটাকে খুব একটা দোষ দেয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘদিনের জড়তা কাটানোর ম্যাচে কিছুটা রয়ে সয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ দল। সবকিছুর পর জয়টা ছিল বড় কথা।

প্রথম ম্যাচের পর দুই দলের অধিনায়কই এক সুরে বলেছিলেন যে, তাদের ধৈর্য ধরা প্রয়োজন ছিল। মাঝের ওভারগুলোতে ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে না পারাটা দলের জন্য বিপর্যয় হিসেবে দেখা দেয় বলে স্বীকার করেন জেসন মোহাম্মদ।

বাংলাদেশ দল প্রথম ম্যাচ জিতলেও ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ভাঙাচোরা দলটা কিন্তু প্রশংসার দাবিদার। সুনিল আমব্রিসের ব্যাটিং ছিল ইতিবাচক। অভিষিক্ত কাইল মায়ার্স ভয়ডর বিহীন ব্যাটিংয়ের ঝলক দেখিয়েছেন। অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদের মধ্যে বাংলাদেশের মাটিতে স্পিন-পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা ছিল। ওপরের দিকে ছয়জন ব্যাটসম্যান ৩৫ ওভার পর্যন্ত দলকে টেনে নিতে পারলে রভম্যান পাওয়েলের মতো মারকুটে ব্যাটসম্যানদের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে ব্যাটিংয়ের কাজ সহজ হয়ে যায়। আবার অভিষেক ম্যাচেই ২৬ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট শিকারের মধ্য দিয়ে আকিল হোসেন নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। নিজের কোটার দশ ওভারের প্রায় প্রতিটা বলেই আকিল হোসেনের মনপ্রাণ উজাড় করে দেয়াটা ছিল স্পষ্ট।

বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট সম্ভবত দ্বিতীয় ম্যাচের আগে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙবে না। অন্তত বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অর্জনের বিষয়টা নিয়ে ভাবছে স্বাগতিক দল। স্বাভাবিকভাবেই স্কোয়াডে থাকা সাতজন ক্রিকেটারকে রিজার্ভ বেঞ্চে দর্শক হিসেবেই থাকতে হবে।

অন্যদিকে দল পরাজিত হলেও প্রথম ম্যাচের পিচের কন্ডিশন বিবেচনায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সও একাদশে পরিবর্তন আনতে চাইছেন না।

সবদিক মিলিয়ে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া দুই দলের ক্রিকেটাররাই সম্ভবত আজ শুক্রবারের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবেন।

ভিন্নতা হতে পারে কেবল কন্ডিশন এবং আবহাওয়ার। প্রথম ম্যাচ দিনের বেলাতে হলেও পুরোটা সময় ফ্লাড লাইট জ্বালিয়ে রাখতে হয়েছিল। এছাড়া ছিল কুয়াশা এবং বৃষ্টি। আজ রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা।

তবে বাংলাদেশ দল চাইবে কন্ডিশনের সঙ্গে সঙ্গে যেন প্রথম ম্যাচের ফলাফল দ্বিতীয় ম্যাচে উল্টে না যায়। তাহলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে চট্টগ্রামে শেষ ম্যাচের জন্য উড়াল দিতে পারবে টাইগাররা। আজ হারলেই শেষ ম্যাচটা নিছক আনুষ্ঠানিকতা হবে বিধায় ক্যারিবিয়ানদের চাওয়া যে ভিন্ন, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে.....।

শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১ , ৮ মাঘ ১৪২৭, ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সিরিজ জিতার প্রত্যয়ে টাইগাররা

আজ দ্বিতীয় ওয়ানডে

সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাঙাচোরা দলটার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওডিআই সিরিজের প্রথম ম্যাচে টাইগারদের জয়টা ছিল প্রত্যাশিতই। সেই ম্যাচে ১৬ মাস পর মাঠে নামেন সাকিব আল হাসান। মাঠে ফেরাটা তিনি উদযাপন করেন চারটি উইকেটের পতন ঘটানোর পাশাপাশি ১৯ রান সংগ্রহের মধ্য দিয়ে।

আজ শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে (সাড়ে ১১টায়) দুই দল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার সময়ে পাদপ্রদীপের আলোটা থাকছে সাকিবের ওপরই। অন্তত সফরে আসা দলের অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ তেমনটাই মনে করছেন। প্রথম ম্যাচে সাকিবের অলরাউন্ড নৈপুন্যের পর জেসন বলেন, নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ার সময়টাতে সাকিব ছিলেন বিশ্বের এক নম্বর অল রাউন্ডার। স্পিনিং অলরাউন্ডার হিসেবে তার ধারেকাছেও কেউ নেই। তার স্পেলটা ছিল দুর্দান্ত। বোলিং ফিগার সেই সাক্ষ্যই দিচ্ছে।

প্রথম ওডিআই ম্যাচে কোন দলের ব্যাটিং ডিপার্টমেন্টই সুবিধা করতে পারেনি। ঘন কুয়াশার সঙ্গে ঘণ্টাখানেকের বৃষ্টি পিচটাকে ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন অবস্থায় নিয়ে যায়। আজ শুক্রবারের দ্বিতীয় ওডিআই ম্যাচের আগে শীত কিছুটা কমে তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। রৌদ্রের পূর্বাভাসও আছে। তেমনটা ঘটলে ব্যাটসম্যানরা কিছুটা হলেও রান পাবেন বলে আশা করা যায়।

সামনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে সরাসরি সুযোগ পেতে হলে চলতি সিরিজ থেকে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে উভয় দলকে। প্রথম ম্যাচে জয়ের মধ্য দিয়ে অর্জন করা পয়েন্ট নিঃসন্দেহে টাইগারদের বিশ্বকাপের পথে কিছুটা এগিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ দল কোনমতেই দ্বিতীয় ম্যাচের আগে আত্মতুষ্টিতে ভুগে পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকি নিতে চাইবে না। আবার প্রথম দুটো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের বর্তমান দলটা বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ না পেলে অতীতের সেই ইতিহাসটা ম্লান হয়ে যাবে। ফলে তারাও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় থাকবে নিঃসন্দেহে।

সফরে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলটা প্রথম সারির না হলেও সিরিজটা কিন্তু আন্তর্জাতিক। বাংলাদেশ দলের জন্য সুখবর হলো তামিম ইকবালের নেতৃত্বের শুরুটা হয়েছে জয় দিয়ে। আবার প্রথম স্পেলে সাত ওভার বল করে সাকিব যেভাবে অ্যান্ড্রু ম্যাকার্থি, জেসন মোহাম্মদ ও নক্রুমা বোনারের উইকেট শিকার করেছেন তা এক কথায় ছিল অবিশ্বাস্য। প্রতিটা বলই ছিল দুর্দান্ত। সাকিবের ওই স্পেলে স্লিপে ফিল্ডার ছিলেন সর্বদাই। কখনও কখনও সিলি মিড অফ এবং শর্ট লেগে ফিল্ডার রেখে বল করেছেন সাকিব।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বড় বিপদ হয়ে এসেছে বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের ফর্মে ফেরাটা। প্রথম ম্যাচে দুই ক্যারিবিয়ান ওপেনারকে তিনিই বিদায় করেন। উইকেটের দেখা না পেলেও রুবেল হোসেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটিং ডিপার্টমেন্টকে আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। মেহেদি হাসান মিরাজ পেয়েছেন একটি উইকেট। আর অভিষিক্ত হাসান মাহমুদের তিনটা উইকেট যেকোন বিবেচনায় অসাধারণ।

প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ১২২ রানে অলআউট হওয়ার পর ১২৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে বাংলাদেশ দল অনেকটা সময় নিয়েছিল। ৩৩.৫ ওভার ব্যাট চালানোর পাশাপাশি টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানকেও হারায় স্বাগতিক দল। সেদিনের কন্ডিশন এবং দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ম্যাচে ফেরার কারণে কিছুটা আড়ষ্টতা হয়তো ছিল ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। এটাকে খুব একটা দোষ দেয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘদিনের জড়তা কাটানোর ম্যাচে কিছুটা রয়ে সয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ দল। সবকিছুর পর জয়টা ছিল বড় কথা।

প্রথম ম্যাচের পর দুই দলের অধিনায়কই এক সুরে বলেছিলেন যে, তাদের ধৈর্য ধরা প্রয়োজন ছিল। মাঝের ওভারগুলোতে ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে না পারাটা দলের জন্য বিপর্যয় হিসেবে দেখা দেয় বলে স্বীকার করেন জেসন মোহাম্মদ।

বাংলাদেশ দল প্রথম ম্যাচ জিতলেও ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ভাঙাচোরা দলটা কিন্তু প্রশংসার দাবিদার। সুনিল আমব্রিসের ব্যাটিং ছিল ইতিবাচক। অভিষিক্ত কাইল মায়ার্স ভয়ডর বিহীন ব্যাটিংয়ের ঝলক দেখিয়েছেন। অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদের মধ্যে বাংলাদেশের মাটিতে স্পিন-পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা ছিল। ওপরের দিকে ছয়জন ব্যাটসম্যান ৩৫ ওভার পর্যন্ত দলকে টেনে নিতে পারলে রভম্যান পাওয়েলের মতো মারকুটে ব্যাটসম্যানদের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে ব্যাটিংয়ের কাজ সহজ হয়ে যায়। আবার অভিষেক ম্যাচেই ২৬ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট শিকারের মধ্য দিয়ে আকিল হোসেন নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। নিজের কোটার দশ ওভারের প্রায় প্রতিটা বলেই আকিল হোসেনের মনপ্রাণ উজাড় করে দেয়াটা ছিল স্পষ্ট।

বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট সম্ভবত দ্বিতীয় ম্যাচের আগে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙবে না। অন্তত বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অর্জনের বিষয়টা নিয়ে ভাবছে স্বাগতিক দল। স্বাভাবিকভাবেই স্কোয়াডে থাকা সাতজন ক্রিকেটারকে রিজার্ভ বেঞ্চে দর্শক হিসেবেই থাকতে হবে।

অন্যদিকে দল পরাজিত হলেও প্রথম ম্যাচের পিচের কন্ডিশন বিবেচনায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সও একাদশে পরিবর্তন আনতে চাইছেন না।

সবদিক মিলিয়ে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া দুই দলের ক্রিকেটাররাই সম্ভবত আজ শুক্রবারের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবেন।

ভিন্নতা হতে পারে কেবল কন্ডিশন এবং আবহাওয়ার। প্রথম ম্যাচ দিনের বেলাতে হলেও পুরোটা সময় ফ্লাড লাইট জ্বালিয়ে রাখতে হয়েছিল। এছাড়া ছিল কুয়াশা এবং বৃষ্টি। আজ রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা।

তবে বাংলাদেশ দল চাইবে কন্ডিশনের সঙ্গে সঙ্গে যেন প্রথম ম্যাচের ফলাফল দ্বিতীয় ম্যাচে উল্টে না যায়। তাহলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে চট্টগ্রামে শেষ ম্যাচের জন্য উড়াল দিতে পারবে টাইগাররা। আজ হারলেই শেষ ম্যাচটা নিছক আনুষ্ঠানিকতা হবে বিধায় ক্যারিবিয়ানদের চাওয়া যে ভিন্ন, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে.....।