নান্দনিক কাজ করতে চান মোস্তাফিজ

মোস্তাফিজুর রহমান সুমন ২১ বছর ধরে ঢাকায় বাংলাদেশ থিয়েটারের হয়ে মঞ্চে কাজ করছেন। এই দলের হয়ে অভিনয় করেছেন একাধিক মঞ্চনাটকে। মিডিয়াতে এখন তিনি নাট্য পরিচালক হিসেবেই বেশি পরিচিত। নিয়মিত টিভির জন্য নাটকও লিখছেন। তাকে নিয়ে লিখেছেন নিথর মাহবুব।

নাট্য পরিচালক মোস্তাফিজ শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার আরশীনগর ইউনিয়ন এর চর মহিষখালি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম-সিরাজুল হক, মার নাম-সাজেদা হক। গ্রামের বাড়িতে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনার পরে ঢাকা চলে আসেন। তারপর ঢাকায় বিজি প্রেস উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পড়াশোনার পাশাপাশি তখন থেকেই যুক্ত হন বাংলাদেশ থিয়েটারে। বর্তমানে দলটির প্রচার সম্পাদক তিনি। মোস্তাফিজ বলেন, ‘থিয়েটার করতে গিয়ে একসময় আগ্রহ তৈরি হলো মিডিয়াতে কাজ করার, সেই লক্ষ্যে শুরু করলাম সহকারী পরিচালকের কাজ। ২০০০ সাল থেকে টানা পাঁচ বছর সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার পর ২০০৫ সাল থেকে নিজেই নাটক পরিচালনা শুরু করি। বর্তমানে আমি নাটকের ডিরেক্টরদের সংগঠন ডিরেক্টর গিল্ডের ইসি কমিটির সদস্য। আমার পরিচালিত সর্বশেষ ধারাবাহিক নাটকের নাম সাত সতের।’ মোস্তাফিজ পরিচালিত অন্যান্য ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে আছে- ‘আজব প্রেমের হাট বাজার’, ‘পাইলট সাবধান’, ‘কৃ-টক্কর’, ‘ঘটকবাজি’, ‘ক্যাকটাস্’। তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য একক নাটকের মধ্যে আছে- ‘মন্তাজ আলীর জোৎসনা দর্শন’, ‘সাবধানের মাইর নাই’, ‘অরণ্যবাস তবুও ভালোবাসি’, ‘দুঃস্বপ্ন’, ‘চোর’, ‘দরদী’। এছাড়া পরিচালনা করেছেন টেলিফিল্ম- তবুও পথ চলা, জয়তু প্রেম ম-ম, ইমিগ্রেশন, বাতায়ন বিলাস, বাবার আংটি। বেশ কিছু টিভিসিও নির্মান করেছেন এই পরিচালক। সেগুলো হল-উডল্যান্ড পার্টিক্যাল বোর্ড, এক্সেল রিয়েল ইস্টেট বন্ধন, পাওয়া হোয়াই, ঐ ্ ঝ কুকওয়্যার। মোস্তাফিজ বিভিন্ন সময়ে টিভিতে টকশোও পরিচালনা করেছেন। মিডিয়ার এই ক্রান্তি কালেও মোস্তাফিজ গতানুগতিক স্র্রোতে গা না ভাসিয়ে নান্দনিক কাজ করতে চান। ভালো ভালো কাজের মাধ্যমে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে চান। আর আজীবন যুক্ত থাকতে চান থিয়েটারের সঙ্গে।

শনিবার, ১২ জুন ২০২১ , ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ ৩০ শাওয়াল ১৪৪২

নান্দনিক কাজ করতে চান মোস্তাফিজ

image

মোস্তাফিজুর রহমান সুমন ২১ বছর ধরে ঢাকায় বাংলাদেশ থিয়েটারের হয়ে মঞ্চে কাজ করছেন। এই দলের হয়ে অভিনয় করেছেন একাধিক মঞ্চনাটকে। মিডিয়াতে এখন তিনি নাট্য পরিচালক হিসেবেই বেশি পরিচিত। নিয়মিত টিভির জন্য নাটকও লিখছেন। তাকে নিয়ে লিখেছেন নিথর মাহবুব।

নাট্য পরিচালক মোস্তাফিজ শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার আরশীনগর ইউনিয়ন এর চর মহিষখালি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম-সিরাজুল হক, মার নাম-সাজেদা হক। গ্রামের বাড়িতে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনার পরে ঢাকা চলে আসেন। তারপর ঢাকায় বিজি প্রেস উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পড়াশোনার পাশাপাশি তখন থেকেই যুক্ত হন বাংলাদেশ থিয়েটারে। বর্তমানে দলটির প্রচার সম্পাদক তিনি। মোস্তাফিজ বলেন, ‘থিয়েটার করতে গিয়ে একসময় আগ্রহ তৈরি হলো মিডিয়াতে কাজ করার, সেই লক্ষ্যে শুরু করলাম সহকারী পরিচালকের কাজ। ২০০০ সাল থেকে টানা পাঁচ বছর সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার পর ২০০৫ সাল থেকে নিজেই নাটক পরিচালনা শুরু করি। বর্তমানে আমি নাটকের ডিরেক্টরদের সংগঠন ডিরেক্টর গিল্ডের ইসি কমিটির সদস্য। আমার পরিচালিত সর্বশেষ ধারাবাহিক নাটকের নাম সাত সতের।’ মোস্তাফিজ পরিচালিত অন্যান্য ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে আছে- ‘আজব প্রেমের হাট বাজার’, ‘পাইলট সাবধান’, ‘কৃ-টক্কর’, ‘ঘটকবাজি’, ‘ক্যাকটাস্’। তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য একক নাটকের মধ্যে আছে- ‘মন্তাজ আলীর জোৎসনা দর্শন’, ‘সাবধানের মাইর নাই’, ‘অরণ্যবাস তবুও ভালোবাসি’, ‘দুঃস্বপ্ন’, ‘চোর’, ‘দরদী’। এছাড়া পরিচালনা করেছেন টেলিফিল্ম- তবুও পথ চলা, জয়তু প্রেম ম-ম, ইমিগ্রেশন, বাতায়ন বিলাস, বাবার আংটি। বেশ কিছু টিভিসিও নির্মান করেছেন এই পরিচালক। সেগুলো হল-উডল্যান্ড পার্টিক্যাল বোর্ড, এক্সেল রিয়েল ইস্টেট বন্ধন, পাওয়া হোয়াই, ঐ ্ ঝ কুকওয়্যার। মোস্তাফিজ বিভিন্ন সময়ে টিভিতে টকশোও পরিচালনা করেছেন। মিডিয়ার এই ক্রান্তি কালেও মোস্তাফিজ গতানুগতিক স্র্রোতে গা না ভাসিয়ে নান্দনিক কাজ করতে চান। ভালো ভালো কাজের মাধ্যমে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে চান। আর আজীবন যুক্ত থাকতে চান থিয়েটারের সঙ্গে।