ঈদে মিলাদুন্নবী ২০ অক্টোবর

আগামী ২০ অক্টোবর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। গতকাল জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

সভায় জানানো হয়, ১৪৪৩ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে কোথাও ১৪৪৩ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। শুক্রবার সফর মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী শনিবার থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। ফলে, আগামী ২০ অক্টোবর ১২ রবিউল আউয়াল ইদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

সভায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. আউয়াল হাওলাদার (দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব), ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মো. মুশফিকুর রহমান (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক আবদুল্লাহ সাজ্জাদ (অতিরিক্ত সচিব), ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. নজরুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. ছাইফুল ইসলাম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহেনূর মিয়া, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (অর্থ) মো. জহিরুল ইসলাম মিয়া, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহ. আছাদুর রহমান, মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ মো. এ কে এম আবদুল মান্নান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লা, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শোলাকিয়া মসজিদের গ্র্যান্ড ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।

উল্লেখ্য, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস হিসেবে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়।

শুক্রবার, ০৮ অক্টোবর ২০২১ , ২৩ আশ্বিন ১৪২৮ ৩০ সফর ১৪৪৩

ঈদে মিলাদুন্নবী ২০ অক্টোবর

আগামী ২০ অক্টোবর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। গতকাল জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

সভায় জানানো হয়, ১৪৪৩ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে কোথাও ১৪৪৩ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। শুক্রবার সফর মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী শনিবার থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। ফলে, আগামী ২০ অক্টোবর ১২ রবিউল আউয়াল ইদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

সভায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. আউয়াল হাওলাদার (দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব), ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মো. মুশফিকুর রহমান (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক আবদুল্লাহ সাজ্জাদ (অতিরিক্ত সচিব), ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. নজরুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. ছাইফুল ইসলাম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহেনূর মিয়া, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (অর্থ) মো. জহিরুল ইসলাম মিয়া, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহ. আছাদুর রহমান, মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ মো. এ কে এম আবদুল মান্নান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লা, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শোলাকিয়া মসজিদের গ্র্যান্ড ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।

উল্লেখ্য, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস হিসেবে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়।