শপথ নিলেন মমতা

পাঠ করালেন রাজ্যপাল

শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ৩ বিধায়ক। স্পিকার নন, বিধানসভায় নজিরবিহীনভাবে তাদের পদে শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর স্পিকারের ঘরে সৌজন্য বিনিময় করলেন দুজনে। বিধানসভা ছাড়ার সময় রাজ্যপাল বললেন, ‘এটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত’।

একুশের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে হেরেছিলেন প্রায় দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে। নিয়ম অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেয়ার ৬ মাসের মধ্যে বিধায়ক নির্বাচিত হতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পূজার মুখে স্রেফ ভবানীপুর কেন্দ্রেই উপনির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। একই দিনে সাধারণ নির্বাচন হয় মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জেও। ভবানীপুরে রেকর্ড ভোটে জেতেন তৃণমূলনেত্রী। বাকি দুটি কেন্দ্রেও জয়লাভ করেন শাসকদলের প্রার্থীরাই।

কবে, কোথায় বিধায়ক পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কে শপথবাক্য পাঠ করাবেন? তা নিয়ে বিস্তর টানাপড়েন চলে। বিধানসভা থেকে ৪ অক্টোবর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের অনুমতি চেয়ে পাঠানো হয় রাজভবনে। কিন্তু সম্মতি মেলেনি। শেষপর্যন্ত মঙ্গলবার রাজভবন থেকে টুইট করে জানানো হয়, ৭ অক্টোবর বিধানসভায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়, মুখ্যমন্ত্রীসহ নবনির্বাচিত ৩ বিধায়ককেই শপথবাক্য পাঠ করাবেন। সেইমতো এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়।

প্রসঙ্গত, রাজভবনে সাধারণত মুখ্যমন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। আর বিধানসভায় বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার। কিন্তু চাইলে রাজ্যপালও কিন্তু সাংবিধানিক ক্ষমতাবলেই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করাতে পারেন। তবে, এ রাজ্যের রাজ্যপালরা এতদিন সংবিধানের ১৮৮ ধারা অনুযায়ী সেই ক্ষমতা দিয়ে রেখেছিলেন বিধানসভার স্পিকারকে। এবার সেই অধিকার ফিরিয়ে নিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এদিন বিধানসভায় বিধায়ক পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজেপির বিধায়করা ছিলেন অনুপস্থিত।

শুক্রবার, ০৮ অক্টোবর ২০২১ , ২৩ আশ্বিন ১৪২৮ ৩০ সফর ১৪৪৩

শপথ নিলেন মমতা

পাঠ করালেন রাজ্যপাল
image

শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ৩ বিধায়ক। স্পিকার নন, বিধানসভায় নজিরবিহীনভাবে তাদের পদে শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর স্পিকারের ঘরে সৌজন্য বিনিময় করলেন দুজনে। বিধানসভা ছাড়ার সময় রাজ্যপাল বললেন, ‘এটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত’।

একুশের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে হেরেছিলেন প্রায় দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে। নিয়ম অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেয়ার ৬ মাসের মধ্যে বিধায়ক নির্বাচিত হতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পূজার মুখে স্রেফ ভবানীপুর কেন্দ্রেই উপনির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। একই দিনে সাধারণ নির্বাচন হয় মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জেও। ভবানীপুরে রেকর্ড ভোটে জেতেন তৃণমূলনেত্রী। বাকি দুটি কেন্দ্রেও জয়লাভ করেন শাসকদলের প্রার্থীরাই।

কবে, কোথায় বিধায়ক পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কে শপথবাক্য পাঠ করাবেন? তা নিয়ে বিস্তর টানাপড়েন চলে। বিধানসভা থেকে ৪ অক্টোবর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের অনুমতি চেয়ে পাঠানো হয় রাজভবনে। কিন্তু সম্মতি মেলেনি। শেষপর্যন্ত মঙ্গলবার রাজভবন থেকে টুইট করে জানানো হয়, ৭ অক্টোবর বিধানসভায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়, মুখ্যমন্ত্রীসহ নবনির্বাচিত ৩ বিধায়ককেই শপথবাক্য পাঠ করাবেন। সেইমতো এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়।

প্রসঙ্গত, রাজভবনে সাধারণত মুখ্যমন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। আর বিধানসভায় বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার। কিন্তু চাইলে রাজ্যপালও কিন্তু সাংবিধানিক ক্ষমতাবলেই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করাতে পারেন। তবে, এ রাজ্যের রাজ্যপালরা এতদিন সংবিধানের ১৮৮ ধারা অনুযায়ী সেই ক্ষমতা দিয়ে রেখেছিলেন বিধানসভার স্পিকারকে। এবার সেই অধিকার ফিরিয়ে নিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এদিন বিধানসভায় বিধায়ক পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজেপির বিধায়করা ছিলেন অনুপস্থিত।