এপ্রিলের মধ্যে  ৮০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী ডিসেম্বর ও জানুয়ারির মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ এবং মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

গতকাল মানিকগঞ্জ দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজামণ্ডপ উদযাপন কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও অনুদান প্রদানের সময় তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আমরা করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। বর্তমানে করোনা চিকিৎসার জন্য সারাদেশে ১৮ হাজার বেড ও ৮শটি ল্যাব আছে। দেশের সব বড় হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন আছে। করোনা আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পেরেছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৮ কোটি জনসংখ্যার ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৭ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভালো আছে বলেই মৃত্যু হার অনেক কম। দেশে এখন করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কমে গেছে। আমরা চাই না কোন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে করোনা সংক্রমণ আবারও বেড়ে যাক। কাজেই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল লতিফ, পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ ফটো, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব কুমার সাহা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার, মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া ইউনিয়নের চেয়্যারম্যানগণ ও পূজামণ্ডপ উদযাপন কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১১২ ও সাটুরিয়া উপজেলার ৬৪টিসহ মোট ১৭৬টি পূজামণ্ডপের প্রতিটিতে ৫০০ কেজি চাল, এক হাজার টাকা সহায়তার ডিও মণ্ডপ কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়।

রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১ , ২৫ আশ্বিন ১৪২৮ ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

এপ্রিলের মধ্যে  ৮০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী ডিসেম্বর ও জানুয়ারির মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ এবং মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

গতকাল মানিকগঞ্জ দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজামণ্ডপ উদযাপন কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও অনুদান প্রদানের সময় তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আমরা করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। বর্তমানে করোনা চিকিৎসার জন্য সারাদেশে ১৮ হাজার বেড ও ৮শটি ল্যাব আছে। দেশের সব বড় হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন আছে। করোনা আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পেরেছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৮ কোটি জনসংখ্যার ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৭ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভালো আছে বলেই মৃত্যু হার অনেক কম। দেশে এখন করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কমে গেছে। আমরা চাই না কোন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে করোনা সংক্রমণ আবারও বেড়ে যাক। কাজেই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল লতিফ, পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ ফটো, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব কুমার সাহা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার, মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া ইউনিয়নের চেয়্যারম্যানগণ ও পূজামণ্ডপ উদযাপন কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১১২ ও সাটুরিয়া উপজেলার ৬৪টিসহ মোট ১৭৬টি পূজামণ্ডপের প্রতিটিতে ৫০০ কেজি চাল, এক হাজার টাকা সহায়তার ডিও মণ্ডপ কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়।