দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের ধরে বিচার করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের ব্যাপারে আমাদের প্রচেষ্ঠা অব্যাহত আছে। যারাই এই কর্মগুলো করবেন আমাদের আইন অনুযায়ী তাদের ধরব এবং বিচারের ব্যবস্থা করব। গতকাল মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলায় নতুন থানা ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশে বসে যারা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করছে তারা যদি আমাদের দেশের নাগরিক হয়ে থাকে তবে আমাদের আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের ব্যবস্থা করব। আর যারা বিদেশে বসে এবং বিদেশি নাগরিক হয়ে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন আমরা সে জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। সেই দেশকে জানাচ্ছি। আমরা সামাজিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ফেইসবুক, ইউটিউব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তারা যেন এগুলো বর্জন করেন।

সীমান্ত আক্রমণ এবং বিজিবির অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবি মোটেই অসহায় নয়। ১০ বছর আগের বিজিবি আর এখনকার বিজিবি এক নয়। বিজিবির সংখ্যা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আধুনিক সরঞ্জামাদি দেয়া হয়েছে। কাজেই বিজিবি অসহায় নয়, বিজিবি মাঝে মাঝে ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জুড়ি থানার নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে সুধি সমাবেশে বক্তৃতায় বলেন, এ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলাম আজ উদ্বোধন করলাম। ১২ বছর আগের পুলিশ আর এখনকার পুলিশ এক নয়। কারণ বঙ্গবন্ধু কন্যা এখন নেতৃত্বে। তিনি জনগণের পুলিশ হওয়ার জন্য এ পুলিশকে গঠন করছে। পুলিশ সন্ত্রাস দমন, জঙ্গি দমনে এবং জনগণের প্রয়োজনে কাজ করছে। পুলিশ শুধু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে না। করোনা কালে মানবতার পুলিশকে দেখেছি। নিজের জীবনকে বিপন্ন করে পুলিশ মানুষের সেবায় কাজ করেছে। ৫০ বছর পরে আমাদের কি প্রয়োজন হবে সে পরিকল্পনা রেখেই জুড়ি থানা ভবন করা হয়েছে। একই মডলে ও সুযোগ সুবিধা দিয়ে আরও থানা ভবন নির্মাণ করা হবে। সীমান্তবর্তী থানা হিসাবে জুড়ি থানাকে আরও সমৃদ্ধ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের পরবর্তী জেনারেশন যাদের নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখি তাদের রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। মাদক যে একটি ভয়ঙ্কর নেশা, এটা শেষ করে দেয় মানুষকে, সমাজকে, পরিবারকে সেটা বুঝাতে হবে। পুলিশের পাশাপাশি নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১ , ২৫ আশ্বিন ১৪২৮ ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের ধরে বিচার করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের ব্যাপারে আমাদের প্রচেষ্ঠা অব্যাহত আছে। যারাই এই কর্মগুলো করবেন আমাদের আইন অনুযায়ী তাদের ধরব এবং বিচারের ব্যবস্থা করব। গতকাল মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলায় নতুন থানা ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশে বসে যারা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করছে তারা যদি আমাদের দেশের নাগরিক হয়ে থাকে তবে আমাদের আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের ব্যবস্থা করব। আর যারা বিদেশে বসে এবং বিদেশি নাগরিক হয়ে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন আমরা সে জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। সেই দেশকে জানাচ্ছি। আমরা সামাজিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ফেইসবুক, ইউটিউব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তারা যেন এগুলো বর্জন করেন।

সীমান্ত আক্রমণ এবং বিজিবির অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবি মোটেই অসহায় নয়। ১০ বছর আগের বিজিবি আর এখনকার বিজিবি এক নয়। বিজিবির সংখ্যা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আধুনিক সরঞ্জামাদি দেয়া হয়েছে। কাজেই বিজিবি অসহায় নয়, বিজিবি মাঝে মাঝে ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জুড়ি থানার নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে সুধি সমাবেশে বক্তৃতায় বলেন, এ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলাম আজ উদ্বোধন করলাম। ১২ বছর আগের পুলিশ আর এখনকার পুলিশ এক নয়। কারণ বঙ্গবন্ধু কন্যা এখন নেতৃত্বে। তিনি জনগণের পুলিশ হওয়ার জন্য এ পুলিশকে গঠন করছে। পুলিশ সন্ত্রাস দমন, জঙ্গি দমনে এবং জনগণের প্রয়োজনে কাজ করছে। পুলিশ শুধু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে না। করোনা কালে মানবতার পুলিশকে দেখেছি। নিজের জীবনকে বিপন্ন করে পুলিশ মানুষের সেবায় কাজ করেছে। ৫০ বছর পরে আমাদের কি প্রয়োজন হবে সে পরিকল্পনা রেখেই জুড়ি থানা ভবন করা হয়েছে। একই মডলে ও সুযোগ সুবিধা দিয়ে আরও থানা ভবন নির্মাণ করা হবে। সীমান্তবর্তী থানা হিসাবে জুড়ি থানাকে আরও সমৃদ্ধ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের পরবর্তী জেনারেশন যাদের নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখি তাদের রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। মাদক যে একটি ভয়ঙ্কর নেশা, এটা শেষ করে দেয় মানুষকে, সমাজকে, পরিবারকে সেটা বুঝাতে হবে। পুলিশের পাশাপাশি নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।