যশোরে সাত পরিবারের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ

যশোর শহরের নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়ায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাত পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের বাড়ি থেকে ভাড়াটিয়াদের নেমে যাওয়ারও হুমকি দিচ্ছেন রাকিব হাসান নামের ওই ব্যক্তি। গতকাল শনিবার প্রেস ক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষে এ অভিযোগ করেন আব্দুল মজিদ গাজী।

তিনি জানান, নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়া এলাকায় মোদাচ্ছের মিয়ার ৩০ শতক জমি ছিল। ওই জমি পর্যায়ক্রমে করিম গাজী, মজিদ গাজী, রাজু আহমেদ, আমেনা খাতুন, শামসুল আলম, ফজলুল কাদীর, নজরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমানের কাছে বিক্রি করা হয়।

১৯৮৪ সালে মোদাচ্ছের মিয়ার কাছ থেকে তার স্ত্রী আমেনা খাতুন ৬ দশমিক ৬৪ শতক জমি ক্রয় করেন। ওই জমিতে পৌরসভার অনুমতি নিয়ে ২০১৭ সালে ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়। জমি ক্রয় করার পর থেকে সবার চলাচলের জন্য মেইন রাস্তা থেকে ছয় ফিট রাস্তা সবার জন্য ছেড়ে দেয়া হয়। সবার জমির দলিলে রাস্তার বিষয়টি উল্লেখও আছে। কিন্তু হঠাৎ করেই রাকিব হাসানের জমি মেইন রাস্তার পাশে হওয়ায় সে সাতটি পরিবারের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয়ভাবে সালিস করলেও রাকিব হাসান মেনে নিচ্ছে না। হুমকি-ধামকি দিয়ে কাউকে রাস্তা ব্যবহার করতে দিচ্ছে না। অভিযোগের বিষয়ে রাকিব হাসান বলেন, সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করা হয়েছে।

রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১ , ২৫ আশ্বিন ১৪২৮ ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জমি নিয়ে বিরোধ

যশোরে সাত পরিবারের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ

যশোর শহরের নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়ায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাত পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের বাড়ি থেকে ভাড়াটিয়াদের নেমে যাওয়ারও হুমকি দিচ্ছেন রাকিব হাসান নামের ওই ব্যক্তি। গতকাল শনিবার প্রেস ক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষে এ অভিযোগ করেন আব্দুল মজিদ গাজী।

তিনি জানান, নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়া এলাকায় মোদাচ্ছের মিয়ার ৩০ শতক জমি ছিল। ওই জমি পর্যায়ক্রমে করিম গাজী, মজিদ গাজী, রাজু আহমেদ, আমেনা খাতুন, শামসুল আলম, ফজলুল কাদীর, নজরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমানের কাছে বিক্রি করা হয়।

১৯৮৪ সালে মোদাচ্ছের মিয়ার কাছ থেকে তার স্ত্রী আমেনা খাতুন ৬ দশমিক ৬৪ শতক জমি ক্রয় করেন। ওই জমিতে পৌরসভার অনুমতি নিয়ে ২০১৭ সালে ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়। জমি ক্রয় করার পর থেকে সবার চলাচলের জন্য মেইন রাস্তা থেকে ছয় ফিট রাস্তা সবার জন্য ছেড়ে দেয়া হয়। সবার জমির দলিলে রাস্তার বিষয়টি উল্লেখও আছে। কিন্তু হঠাৎ করেই রাকিব হাসানের জমি মেইন রাস্তার পাশে হওয়ায় সে সাতটি পরিবারের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয়ভাবে সালিস করলেও রাকিব হাসান মেনে নিচ্ছে না। হুমকি-ধামকি দিয়ে কাউকে রাস্তা ব্যবহার করতে দিচ্ছে না। অভিযোগের বিষয়ে রাকিব হাসান বলেন, সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করা হয়েছে।