চিকিৎসার নামে গৃহবধূ ধর্ষণ

মণিরামপুরে নিঃসন্তান গৃহবধূকে চিকিৎসা দেয়ার কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গৃহবধূর ভাই গত শনিবার দু’জনকে অভিযুক্ত করে মণিরামপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে গতকাল দুপুরে আদালতে হাজির করেছেন। আসামিরা হলেন, উপজেলার কোদলাপাড়া গ্রামের ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে পল্লী চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন (৫০) ও তার সহযোগী বাগডোব গ্রামের হযরত আলীর ছেলে ইজিবাইক চালক দ্বীন মোহাম্মদ দিলু (৪০)

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জিয়াউল হক বলেন, ৭-৮ মাস আগে বিয়ে হয় ওই তরুণীর। এক সপ্তাহ আগে গত ৪ অক্টোবর দুপুর ১২টার দিকে দ্বীন মোহাম্মদ দিলুর ইজিবাইকে ওই তরুণীকে তুলে দেন তার স্বামী। ইজিবাইকে চড়ে কোদলাপাড়া এলাকায় বাবার বাড়িতে আসছিলেন তিনি। একপর্যায়ে দিলু জানতে পারেন ওই তরুণীর সন্তান হয় না। তখন ভালো চিকিৎসার কথা বলে রোহিতা বাজারে বিল্লালের কাছে তাকে (গৃহবধূকে) নিয়ে যায় সে। এরপর কৌশলে বিল্লাল ওই তরুণীকে বাজারের পাশে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান না থাকায় সেখানে ঘরে দুই-তিন ঘণ্টা আটকে রেখে তকে ধর্ষণ করে চিকিৎসক বিল্লাল। আলামত নষ্ট করতে তখন বাথরুমে নিয়ে জোরপূর্বক ওই নারীকে গোসল করতে বাধ্য করেন তিনি। জিয়াউল হক বলেন, এক সপ্তাহ আগের ঘটনা হলেও লজ্জায় ও সংসার ভাঙার ভয়ে বিষয়টি কাউকে বলতে পারেননি ওই তরুণী। ইজিবাইক চালক দিলুকে বিল্লাল চাহিদামতো টাকা না দেয়ায় তিনি (চালক) ঘটনাটি ফাঁস করে দেন। পরে চাপাচাপির একপর্যায়ে শনিবার ওই তরুণী তার ভাইয়ের কাছে ঘটনা স্বীকার করেন।

মণিরামপুর থানার ওসি নূর-ই-আলম সিদ্দীকি ধর্ষণ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছি। ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার, ১১ অক্টোবর ২০২১ , ২৬ আশ্বিন ১৪২৮ ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

মণিরামপুরে

চিকিৎসার নামে গৃহবধূ ধর্ষণ

সহযোগীসহ আটক

মণিরামপুরে নিঃসন্তান গৃহবধূকে চিকিৎসা দেয়ার কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গৃহবধূর ভাই গত শনিবার দু’জনকে অভিযুক্ত করে মণিরামপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে গতকাল দুপুরে আদালতে হাজির করেছেন। আসামিরা হলেন, উপজেলার কোদলাপাড়া গ্রামের ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে পল্লী চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন (৫০) ও তার সহযোগী বাগডোব গ্রামের হযরত আলীর ছেলে ইজিবাইক চালক দ্বীন মোহাম্মদ দিলু (৪০)

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জিয়াউল হক বলেন, ৭-৮ মাস আগে বিয়ে হয় ওই তরুণীর। এক সপ্তাহ আগে গত ৪ অক্টোবর দুপুর ১২টার দিকে দ্বীন মোহাম্মদ দিলুর ইজিবাইকে ওই তরুণীকে তুলে দেন তার স্বামী। ইজিবাইকে চড়ে কোদলাপাড়া এলাকায় বাবার বাড়িতে আসছিলেন তিনি। একপর্যায়ে দিলু জানতে পারেন ওই তরুণীর সন্তান হয় না। তখন ভালো চিকিৎসার কথা বলে রোহিতা বাজারে বিল্লালের কাছে তাকে (গৃহবধূকে) নিয়ে যায় সে। এরপর কৌশলে বিল্লাল ওই তরুণীকে বাজারের পাশে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান না থাকায় সেখানে ঘরে দুই-তিন ঘণ্টা আটকে রেখে তকে ধর্ষণ করে চিকিৎসক বিল্লাল। আলামত নষ্ট করতে তখন বাথরুমে নিয়ে জোরপূর্বক ওই নারীকে গোসল করতে বাধ্য করেন তিনি। জিয়াউল হক বলেন, এক সপ্তাহ আগের ঘটনা হলেও লজ্জায় ও সংসার ভাঙার ভয়ে বিষয়টি কাউকে বলতে পারেননি ওই তরুণী। ইজিবাইক চালক দিলুকে বিল্লাল চাহিদামতো টাকা না দেয়ায় তিনি (চালক) ঘটনাটি ফাঁস করে দেন। পরে চাপাচাপির একপর্যায়ে শনিবার ওই তরুণী তার ভাইয়ের কাছে ঘটনা স্বীকার করেন।

মণিরামপুর থানার ওসি নূর-ই-আলম সিদ্দীকি ধর্ষণ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছি। ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।