সাবেক যুগ্ম সচিব আশরাফুন্নেছার বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের মামলা

জাল ভাউচারে বিভিন্ন খাতে কেনাকাটার নাম করে সরকারের পৌনে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (সাবেক যুগ্ম সচিব) ড. আশরাফুন্নেছার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে গতকাল মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক ও মামলার বাদী মো. সালাউদ্দিন জানান, তদন্ত শেষে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর গতকাল মামলাটি করা হয়েছে। আপাতত মামলায় পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ড. আশরাফুন্নেছাকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তে আরও কারও সংশ্লিষ্ট পাওয়া গেলে তাদেরও আসামি করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ড. আশরাফুন্নেছা ২০১৮ সালের ১২ মে থেকে ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আইইএম ইউনিটের পরিচালক পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহারে ভুয়া ভাউচার করে ও প্রকৃত বাজার দর অপেক্ষা অধিক দরে বিভিন্ন খাতের সামগ্রী ক্রয়ের বিল দাখিল করেন, যার মাধ্যমে তিনি সরকারি এক কোটি ৭৬ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এ কারণে দুদক তার বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪০৯/ ৪২০/ ৪৬৭/ ৪৬৮/ ৪৭১/৪৭৭(ক) ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করেছে। তার বিরুদ্ধে সারাদেশে ওয়ার্কশপ, সেমিনার বা প্রশিক্ষণের নামে বিভিন্ন বিল দেখিয়ে পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাত কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ ছিল। গত ১৬ সেপ্টেম্বর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় আশরাফুন্নেছাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার চিঠি দেয় দুদক।

২০২০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর অভিযোগ যাচাইয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। একই অভিযোগে পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (পি এম) জাকিয়া আখতার, উপ-পরিচালক (স্থানীয় সংগ্রহ) আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী, সহকারী পরিচালক এ কে এম রোকনুজ্জামান ও গবেষণা কর্মকর্তা পীযূষ কান্তি দত্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের মামলায় আশরাফুন্নেছা ছাড়া কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আনা হয়নি। তবে এজাহারে বলা হয়েছে, তদন্তকালে কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে আসামি করা হবে।

সোমবার, ১১ অক্টোবর ২০২১ , ২৬ আশ্বিন ১৪২৮ ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সাবেক যুগ্ম সচিব আশরাফুন্নেছার বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের মামলা

জাল ভাউচারে বিভিন্ন খাতে কেনাকাটার নাম করে সরকারের পৌনে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (সাবেক যুগ্ম সচিব) ড. আশরাফুন্নেছার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে গতকাল মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক ও মামলার বাদী মো. সালাউদ্দিন জানান, তদন্ত শেষে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর গতকাল মামলাটি করা হয়েছে। আপাতত মামলায় পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ড. আশরাফুন্নেছাকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তে আরও কারও সংশ্লিষ্ট পাওয়া গেলে তাদেরও আসামি করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ড. আশরাফুন্নেছা ২০১৮ সালের ১২ মে থেকে ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আইইএম ইউনিটের পরিচালক পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহারে ভুয়া ভাউচার করে ও প্রকৃত বাজার দর অপেক্ষা অধিক দরে বিভিন্ন খাতের সামগ্রী ক্রয়ের বিল দাখিল করেন, যার মাধ্যমে তিনি সরকারি এক কোটি ৭৬ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এ কারণে দুদক তার বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪০৯/ ৪২০/ ৪৬৭/ ৪৬৮/ ৪৭১/৪৭৭(ক) ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করেছে। তার বিরুদ্ধে সারাদেশে ওয়ার্কশপ, সেমিনার বা প্রশিক্ষণের নামে বিভিন্ন বিল দেখিয়ে পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাত কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ ছিল। গত ১৬ সেপ্টেম্বর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় আশরাফুন্নেছাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার চিঠি দেয় দুদক।

২০২০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর অভিযোগ যাচাইয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। একই অভিযোগে পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (পি এম) জাকিয়া আখতার, উপ-পরিচালক (স্থানীয় সংগ্রহ) আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী, সহকারী পরিচালক এ কে এম রোকনুজ্জামান ও গবেষণা কর্মকর্তা পীযূষ কান্তি দত্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের মামলায় আশরাফুন্নেছা ছাড়া কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আনা হয়নি। তবে এজাহারে বলা হয়েছে, তদন্তকালে কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে আসামি করা হবে।