পা হারানো রাসেলকে ৩৩ লাখ টাকা দিয়েছে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ

রাজধানীর হানিফ ফ্লাইওভারে বাসচাপায় পা হারানো রাসেল সরকারকে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ। রাসেলের পা হারানোর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা রিট আবেদনকারীর আইনজীবী খোন্দকার শামসুল হক রেজা গতকাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৪ কিস্তিতে ২০ লাখ টাকা দিয়েছে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ। রায়ের আগে উচ্চ আদালতের আদেশের পর রাসেলকে ২ দফায় ১০ লাখ টাকা এবং তার চিকিৎসাবাবদ আরও ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছিল গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেয়েছেন রাসেল।

২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসের চাপায় মারাত্মক আহত হন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের মো. শফিকুল আসলামের ছেলে রাসেল সরকার। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়। আরেক পায়ের অবস্থাও ভালো নয়।

রাসেলের জন্য কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম স্মৃতি। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। ২০১৯ সালের ১২ মার্চ আদালত রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দেন। পরে ১০ এপ্রিল আরেক আদেশে হাইকোর্ট প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা করে দিতে নির্দেশ দেন গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে।

সোমবার, ১১ অক্টোবর ২০২১ , ২৬ আশ্বিন ১৪২৮ ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

পা হারানো রাসেলকে ৩৩ লাখ টাকা দিয়েছে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ

রাজধানীর হানিফ ফ্লাইওভারে বাসচাপায় পা হারানো রাসেল সরকারকে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ। রাসেলের পা হারানোর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা রিট আবেদনকারীর আইনজীবী খোন্দকার শামসুল হক রেজা গতকাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৪ কিস্তিতে ২০ লাখ টাকা দিয়েছে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ। রায়ের আগে উচ্চ আদালতের আদেশের পর রাসেলকে ২ দফায় ১০ লাখ টাকা এবং তার চিকিৎসাবাবদ আরও ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছিল গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেয়েছেন রাসেল।

২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসের চাপায় মারাত্মক আহত হন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের মো. শফিকুল আসলামের ছেলে রাসেল সরকার। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়। আরেক পায়ের অবস্থাও ভালো নয়।

রাসেলের জন্য কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম স্মৃতি। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। ২০১৯ সালের ১২ মার্চ আদালত রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দেন। পরে ১০ এপ্রিল আরেক আদেশে হাইকোর্ট প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা করে দিতে নির্দেশ দেন গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে।