যমেক হাসপাতালের দাবিতে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ গত মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যরে সাথে তার বাসভবনে মতবিনিময় করেছেন। এ সময় নেতৃবৃন্দ ৫শ’ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে প্রতিমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, যশোরসহ দেশের ৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এ ব্যাপারে ভারত সরকারের সাথে একটি প্রকল্পের কথাও রয়েছে। সেটা না হলে পৃথক একটি প্রকল্পের মাধ্যমে এটা বাস্তবায়ন করা হবে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের সময় ২০১১ সালে যশোর মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে কলেজটির সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। পরবর্তীতে শহরের শংকরপুর এলাকায় নিজস্ব ক্যাম্পাসে কলেজ স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে কলেজে চার শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে দীর্ঘ ১০ বছরেও এখানে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু করা হয়নি।

মেডিকেল কলেজের সাথে হাসপাতাল না থাকলে সেই মেডিকেল কলেজ পূর্ণাঙ্গ হয় না। কারণ শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক বিষয়ের পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষাও অনিবার্য। আর এই শিক্ষার জন্য মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের কলেজ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে যেতে হয়। কিন্তু এই হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক ক্ষেত্রেই বিড়ম্বনায় পড়েন। সাধারণ মানুষও বঞ্চিত হন মেডিকেল কলেজের মতো পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা থেকে। এজন্য যশোরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হলে শিক্ষার্থীদের উপকারের পাশাপাশি বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের সাধারণ মানুষ বর্তমানের চেয়ে অধিকতর চিকিৎসাসেবা লাভ করত।

স্মারকলিপিতে অবিলম্বে ৫শ’ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাস্তবায়নে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক রুকুনউদ্দৌলাহ, নূরুল ইসলাম, অর্চনা বিশ্বাস, হারুন অর রশীদ, তসলিমুর রহমান, ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান ভিটু, শহিদুল ইসলাম বাদল, নুরুল আমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১ , ২৯ আশ্বিন ১৪২৮ ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

যমেক হাসপাতালের দাবিতে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়

image

যশোর : মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাস্তবায়নের দাবিতে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন নেতৃবৃন্দ -সংবাদ

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ গত মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যরে সাথে তার বাসভবনে মতবিনিময় করেছেন। এ সময় নেতৃবৃন্দ ৫শ’ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে প্রতিমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, যশোরসহ দেশের ৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এ ব্যাপারে ভারত সরকারের সাথে একটি প্রকল্পের কথাও রয়েছে। সেটা না হলে পৃথক একটি প্রকল্পের মাধ্যমে এটা বাস্তবায়ন করা হবে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের সময় ২০১১ সালে যশোর মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে কলেজটির সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। পরবর্তীতে শহরের শংকরপুর এলাকায় নিজস্ব ক্যাম্পাসে কলেজ স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে কলেজে চার শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে দীর্ঘ ১০ বছরেও এখানে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু করা হয়নি।

মেডিকেল কলেজের সাথে হাসপাতাল না থাকলে সেই মেডিকেল কলেজ পূর্ণাঙ্গ হয় না। কারণ শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক বিষয়ের পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষাও অনিবার্য। আর এই শিক্ষার জন্য মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের কলেজ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে যেতে হয়। কিন্তু এই হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক ক্ষেত্রেই বিড়ম্বনায় পড়েন। সাধারণ মানুষও বঞ্চিত হন মেডিকেল কলেজের মতো পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা থেকে। এজন্য যশোরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হলে শিক্ষার্থীদের উপকারের পাশাপাশি বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের সাধারণ মানুষ বর্তমানের চেয়ে অধিকতর চিকিৎসাসেবা লাভ করত।

স্মারকলিপিতে অবিলম্বে ৫শ’ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাস্তবায়নে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক রুকুনউদ্দৌলাহ, নূরুল ইসলাম, অর্চনা বিশ্বাস, হারুন অর রশীদ, তসলিমুর রহমান, ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান ভিটু, শহিদুল ইসলাম বাদল, নুরুল আমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।