পাথরঘাটায় ছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদী ৩ ছাত্রকে মারধর

বরগুনার পাথরঘাটায় হাড়িটানা ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে তিন কিশোরকে গুরতর আহত করেছে বখাটেরা। গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পদ্মা সড়কের আলমের দোকানের পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো, পশ্চিম হাড়িটানা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রাকিব (১৫), মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে জাকারিয়া (১৫) ও লাল মিয়া খানের ছেলে ইমরান (১৭)। হামলাকারীদের ভয়ে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্থানীয় পর্যায় চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে ঘটনার পরপরই এক সংবাদকর্মীর মুঠো বার্তার ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে বলে জানা যায়।

জানা যায়, মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র রাব্বি মাদ্রাসার ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করে রাকিব। এর জের ধরে ‘তুমি আর আমি’ নামে একটি ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে রাব্বি, রাহাত ও ইমরান রাকিবকে মারধর করার ঘোষণা দেয়া হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার সকালে রাকিব ঘটাস্থলে পৌঁছলে রাব্বি, রাহাত, ইমরানসহ ৬ থেকে ৭জন বখাটে লোহার পাইপ, মোটরসাইকেল হাইডোলিক পাইপ এবং হকিস্টিক দিয়ে হামলা করে। এ সময় রাকিবকে রক্ষা করতে আসলে জাকারিয়া ও ইমারনকেও পিটিয়ে আহত করে।

অভিযুক্ত রাহাতের বাবা সোহরাব হোসেন বলেন, আমার ছেলে মাদকাসক্ত। ওকে আমি বারবার নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। পাথরঘাটা থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, বিষয়টি শুনেই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। পাথরঘাটা সার্কেল তোফায়েল হোসেন সরকার বলেন, আমি ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের পরিকল্পনা দেখেছি। আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। এ বিষয় অপরাধীরা কেউ ছাড় পাবে না।

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১ , ২৯ আশ্বিন ১৪২৮ ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

পাথরঘাটায় ছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদী ৩ ছাত্রকে মারধর

বরগুনার পাথরঘাটায় হাড়িটানা ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে তিন কিশোরকে গুরতর আহত করেছে বখাটেরা। গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পদ্মা সড়কের আলমের দোকানের পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো, পশ্চিম হাড়িটানা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রাকিব (১৫), মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে জাকারিয়া (১৫) ও লাল মিয়া খানের ছেলে ইমরান (১৭)। হামলাকারীদের ভয়ে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্থানীয় পর্যায় চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে ঘটনার পরপরই এক সংবাদকর্মীর মুঠো বার্তার ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে বলে জানা যায়।

জানা যায়, মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র রাব্বি মাদ্রাসার ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করে রাকিব। এর জের ধরে ‘তুমি আর আমি’ নামে একটি ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে রাব্বি, রাহাত ও ইমরান রাকিবকে মারধর করার ঘোষণা দেয়া হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার সকালে রাকিব ঘটাস্থলে পৌঁছলে রাব্বি, রাহাত, ইমরানসহ ৬ থেকে ৭জন বখাটে লোহার পাইপ, মোটরসাইকেল হাইডোলিক পাইপ এবং হকিস্টিক দিয়ে হামলা করে। এ সময় রাকিবকে রক্ষা করতে আসলে জাকারিয়া ও ইমারনকেও পিটিয়ে আহত করে।

অভিযুক্ত রাহাতের বাবা সোহরাব হোসেন বলেন, আমার ছেলে মাদকাসক্ত। ওকে আমি বারবার নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। পাথরঘাটা থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, বিষয়টি শুনেই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। পাথরঘাটা সার্কেল তোফায়েল হোসেন সরকার বলেন, আমি ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের পরিকল্পনা দেখেছি। আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। এ বিষয় অপরাধীরা কেউ ছাড় পাবে না।