এশিয়ান আরচারিতে কোরিয়ানরাই সেরা

কোরিয়ার একক প্রাধান্যের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২২তম এশিয়ান আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপ। মোট দশটির মধ্যে নয়টি স্বর্ন পদক জিতেছে দক্ষিণ কোরিয়ার আরচাররা। এবারের আসরে মোট ১৬টি দেশ অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে যৌথভাবে তৃতীয় স্থান লাভ করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও কাজাখস্তান। দ্বিতীয় হয়েছে ভারত। দশটি ইভেন্টের পদকের জন্য লড়াই করে ১২২জন আরচার। মোট দশটির মধ্যে বাকি একটি স্বর্ন পদক জিতেছে ভারত। স্বাগতিক বাংলাদেশ একটি রৌপ্য ও দুটি ব্রোঞ্জসহ মোট তিনটি পদক জিতেছে।

কোরিয়া ৯টি স্বর্ন, ৩টি রৌপ্য, তিনটি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৫টি পদক জয় করে। ভারত ১টি স্বর্ন, ৪টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৭টি পদক লাভ করে। স্বাগতিক বাংলাদেশ ১টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট তিন পদক জয় করেছে। বাংলাদেশের সমান কাজাখস্তানও ১টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ তিনটি পদক লাভ করে। এ ছাড়া ইরান একটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জসহ মোট ২টি পদক জিতেছে।

আর্মি স্টেডিয়ামে গতকাল শেষ দিনে রিকার্ভ ডিভিশনের ৫টি ইভেন্টে গোল্ড মেডেল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

দিনের শুরুতে রিকার্ভ মহিলা দলগত ইভেন্টের ফাইনালে কোরিয়া ৬-০ সেটে ভারতকে পরাজিত করে স্বর্ন পদক জয় করে। রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টের ফাইনালে কোরিয়া ৬-২ সেটে ভারতকে পরাজিত করে স্বর্ন জয় করে।

রিকার্ভ মিশ্র দলগত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে আগেই ভারত ৬-০ সেটে উজবেকিস্তানকে পরাজিত করে পদক নিশ্চিত করেছিল। শুক্রবার ফাইনালে বাংলাদেশের দিয়া সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ হাকিম আহমেদ রুবেল জুটি ১-৫ সেটে রিও অলিম্পিকে স্বর্ন পদক জয় করা কোরিয়ার রিও সু জং এবং ‘লি সিউংইউন জুটির কাছে পরাজিত হয়ে সিলভার পদক পান। রিকার্ভ মহিলা একক ফাইনালে কোরিয়ার রিও সু জাং ৭-১ সেটে নিজ দেশের লিম হায়েজিন কে পরাজিত করে গোল্ড মেডেল জয় করেন। ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে

কোরিয়ার জু দাশমী ৬-২ সেটে স্বদেশী ওহ ইয়েজিনকে পরাজিত করে ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করেন।

রিকার্ভ পুরুষ একক ইভেন্টে ফাইনালে কোরিয়ার ‘লি সেউংইয়ুন ৭-৩ সেটে নিজ দেশের হ্যান উ ট্যাককে পরাজিত করে গোল্ড মেডেল জয় লাভ করেন। ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে কোরিয়ার লি উ সিওক ৬-২ সেটে নিজ দেশের কিম পিল -জুং কে পরাজিত করে ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করেন। অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ান অ্যাম্বাসেডর এইচ.হি লি জাং কেউন, বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি (ঢাকা রেঞ্জ) হাবিবুর রহমান, এবং অতিরিক্ত ডিআইজি ডা. শোয়েব রেজা আলম।

শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১ , ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

এশিয়ান আরচারিতে কোরিয়ানরাই সেরা

কোরিয়ার একক প্রাধান্যের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২২তম এশিয়ান আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপ। মোট দশটির মধ্যে নয়টি স্বর্ন পদক জিতেছে দক্ষিণ কোরিয়ার আরচাররা। এবারের আসরে মোট ১৬টি দেশ অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে যৌথভাবে তৃতীয় স্থান লাভ করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও কাজাখস্তান। দ্বিতীয় হয়েছে ভারত। দশটি ইভেন্টের পদকের জন্য লড়াই করে ১২২জন আরচার। মোট দশটির মধ্যে বাকি একটি স্বর্ন পদক জিতেছে ভারত। স্বাগতিক বাংলাদেশ একটি রৌপ্য ও দুটি ব্রোঞ্জসহ মোট তিনটি পদক জিতেছে।

কোরিয়া ৯টি স্বর্ন, ৩টি রৌপ্য, তিনটি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৫টি পদক জয় করে। ভারত ১টি স্বর্ন, ৪টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৭টি পদক লাভ করে। স্বাগতিক বাংলাদেশ ১টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট তিন পদক জয় করেছে। বাংলাদেশের সমান কাজাখস্তানও ১টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ তিনটি পদক লাভ করে। এ ছাড়া ইরান একটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জসহ মোট ২টি পদক জিতেছে।

আর্মি স্টেডিয়ামে গতকাল শেষ দিনে রিকার্ভ ডিভিশনের ৫টি ইভেন্টে গোল্ড মেডেল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

দিনের শুরুতে রিকার্ভ মহিলা দলগত ইভেন্টের ফাইনালে কোরিয়া ৬-০ সেটে ভারতকে পরাজিত করে স্বর্ন পদক জয় করে। রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টের ফাইনালে কোরিয়া ৬-২ সেটে ভারতকে পরাজিত করে স্বর্ন জয় করে।

রিকার্ভ মিশ্র দলগত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে আগেই ভারত ৬-০ সেটে উজবেকিস্তানকে পরাজিত করে পদক নিশ্চিত করেছিল। শুক্রবার ফাইনালে বাংলাদেশের দিয়া সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ হাকিম আহমেদ রুবেল জুটি ১-৫ সেটে রিও অলিম্পিকে স্বর্ন পদক জয় করা কোরিয়ার রিও সু জং এবং ‘লি সিউংইউন জুটির কাছে পরাজিত হয়ে সিলভার পদক পান। রিকার্ভ মহিলা একক ফাইনালে কোরিয়ার রিও সু জাং ৭-১ সেটে নিজ দেশের লিম হায়েজিন কে পরাজিত করে গোল্ড মেডেল জয় করেন। ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে

কোরিয়ার জু দাশমী ৬-২ সেটে স্বদেশী ওহ ইয়েজিনকে পরাজিত করে ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করেন।

রিকার্ভ পুরুষ একক ইভেন্টে ফাইনালে কোরিয়ার ‘লি সেউংইয়ুন ৭-৩ সেটে নিজ দেশের হ্যান উ ট্যাককে পরাজিত করে গোল্ড মেডেল জয় লাভ করেন। ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে কোরিয়ার লি উ সিওক ৬-২ সেটে নিজ দেশের কিম পিল -জুং কে পরাজিত করে ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করেন। অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ান অ্যাম্বাসেডর এইচ.হি লি জাং কেউন, বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি (ঢাকা রেঞ্জ) হাবিবুর রহমান, এবং অতিরিক্ত ডিআইজি ডা. শোয়েব রেজা আলম।