ভ্রাম্যমাণ আদালত ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করছে : রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে রেস্তোরাঁ খাতে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির নেতারা বলেছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে সারাদেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করছেন আমলারা। সরকারি সাতটি সংস্থা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির দাবি জানিয়েছেন রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইএফডি মেশিন সবাইকে দিতে হবে। তবে ইএফডি মেশিন যেহেতু সরকার রাজস্ব আহরণে ব্যবহার করবে, তাই এর জন্য কোন ফি না নেয়ার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়। রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্পের মর্যাদা দেয়ারও দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান। এ সময় সংগঠনের সভাপতি ওসমান গণিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘সারাদেশে চার লাখ রেস্তোরাঁ রয়েছে। এখানে ৩০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছেন। কিন্তু রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্পের মর্যাদা না দেয়ায় এ খাত চরম অবহেলিত।’

ইমরান হাসান আরও বলেন, ‘রেস্তোরাঁ খাত পরিচালনার জন্য ১১টি সংস্থার অধীনে কাজ করতে হয়। এতে নতুন লাইসেন্স কিংবা নবায়ন করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের হয়রানি হতে হয়। এতো সংস্থায় না গিয়ে ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে একটি সংস্থার কাছ থেকে অনুমতি নেয়ার দাবি জানান তিনি।’

ইমরান হাসান আরও বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে সারা দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করছেন আমলারা। সরকারি সাতটি সংস্থা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। সারা দেশে চার লাখ রেস্তোরাঁ রয়েছে। এখানে ৩০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছেন। কিন্তু রেস্তোরাঁখাতকে শিল্পের মর্যাদা না দেওয়ায় এ খাত চরম অবহেলিত। রেস্তোরাঁ খাত পরিচালনার জন্য ১১টি সংস্থার অধীনে কাজ করতে হয়। এতে নতুন লাইসেন্স কিংবা নবায়ন করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের হয়রানি হতে হয়।’

রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১ , ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

ভ্রাম্যমাণ আদালত ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করছে : রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি

image

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে রেস্তোরাঁ খাতে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির নেতারা বলেছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে সারাদেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করছেন আমলারা। সরকারি সাতটি সংস্থা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির দাবি জানিয়েছেন রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইএফডি মেশিন সবাইকে দিতে হবে। তবে ইএফডি মেশিন যেহেতু সরকার রাজস্ব আহরণে ব্যবহার করবে, তাই এর জন্য কোন ফি না নেয়ার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়। রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্পের মর্যাদা দেয়ারও দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান। এ সময় সংগঠনের সভাপতি ওসমান গণিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘সারাদেশে চার লাখ রেস্তোরাঁ রয়েছে। এখানে ৩০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছেন। কিন্তু রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্পের মর্যাদা না দেয়ায় এ খাত চরম অবহেলিত।’

ইমরান হাসান আরও বলেন, ‘রেস্তোরাঁ খাত পরিচালনার জন্য ১১টি সংস্থার অধীনে কাজ করতে হয়। এতে নতুন লাইসেন্স কিংবা নবায়ন করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের হয়রানি হতে হয়। এতো সংস্থায় না গিয়ে ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে একটি সংস্থার কাছ থেকে অনুমতি নেয়ার দাবি জানান তিনি।’

ইমরান হাসান আরও বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে সারা দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করছেন আমলারা। সরকারি সাতটি সংস্থা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। সারা দেশে চার লাখ রেস্তোরাঁ রয়েছে। এখানে ৩০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছেন। কিন্তু রেস্তোরাঁখাতকে শিল্পের মর্যাদা না দেওয়ায় এ খাত চরম অবহেলিত। রেস্তোরাঁ খাত পরিচালনার জন্য ১১টি সংস্থার অধীনে কাজ করতে হয়। এতে নতুন লাইসেন্স কিংবা নবায়ন করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের হয়রানি হতে হয়।’