শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২১ উপলক্ষে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপ্রধান গতকাল সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি সকাল ৮টায় শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সেখানে দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এর আগে রাষ্ট্রপতি শিখা অর্নিবানে এসে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানগন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার তাকে স্বাগত জানান।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই দিনে সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে। এই আক্রমণ মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।

সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২১ উপলক্ষে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপ্রধান গতকাল সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি সকাল ৮টায় শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সেখানে দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এর আগে রাষ্ট্রপতি শিখা অর্নিবানে এসে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানগন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার তাকে স্বাগত জানান।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই দিনে সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে। এই আক্রমণ মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।