যান্ত্রিক শাখার দুর্নীতি, ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ এক বছরেও কার্যকর হয়নি

রংপুর সিটি করপোরেশনে যান্ত্রিক শাখার দুর্নীতি, লুটপাট, করপোরেশনের গাড়ি, বিভিন্ন ইকুপম্যান্ট ভাড়া দেবার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি কর্তৃক দায়ী কর্মকর্তা কর্মচারীদের চিহ্নিত করে অর্ধ কোটি টাকা আদায় করার সুপারিশ দীর্ঘ এক বছরেও বাস্তবায়িত হয়নি।

বরং অভিযুক্ত কর্মচারীদের কারও কারও পদোন্নতি হয়েছে এবং বীরদর্পে তারা যান্ত্রিক শাখায় দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একজন কর্মচারী সিটি করপোরেশনের অর্থ লুট করে ৫টি সর্বাধুনিক হাইএক্স গাড়ির মালিক হয়েছেন অভিযোগ উঠলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখা সূত্রে জানা গেছে, করপোরেশনের শতাধিক গাড়ি ও ইকুপম্যান্ট কখন কিভাবে ব্যবহার হচ্ছে কাকে ভাড়া দেয়া হচ্ছে সে ব্যাপারে কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না। বিশেষ করে গাড়িগুলোর তেল ও মবিল ক্রয় এবং অন্য যন্ত্রাংশ ক্রয় করার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেবার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি গাড়ির লকবইয়ে তেল ব্যবহারসহ সার্বিক তথ্য রাখা হচ্ছে না।

প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল উত্তোলন করে খরচ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। যান্ত্রিক শাখায় অসংখ্য অভিযোগে অভিযুক্ত একজন মাস্টার রোলে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীর ক্ষমতার দাপটের কাছে জিম্মি ওই শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী। ওই কর্মচারী সিটি মেয়রের ভাগিনা পরিচয় দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন বলে অভিযোগ উঠলেও অজ্ঞাত কারণে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

যান্ত্রিক শাখার দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদন বাস্তবায়ন হয়নি এক বছরেও।

রংপুর সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখায় বিভিন্ন যানবাহন রোলারসহ বিভিন্ন ইকুইপম্যান্ট ভাড়া দেয়া হলেও বিপুল পরিমাণ অর্থ করপোরেশনের তহবিলে জমা না দেবার ঘটনা জানাজানি হলে ঘটনা তদন্ত করতে সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমাদাদ হোসেনকে আহ্বায়ক, নির্বাহী প্রকৌশলী আজম আলী ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) হাবিবুর রহমানকে সদস্য করে কমিটি গঠন করে দেন। গত ৫/১১/২০২০ইং তারিখে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করে। এতে মাস্টার রোলে কর্মরত যান্ত্রিক শাখার অফিস সহকারী রবিউল ইসলাম সুমন উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজিবকে দায়ী করে তারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। সেই সঙ্গে যানবাহন, রোলার, ইকুইপম্যান্ট ভাড়ার অর্থ আত্মসাৎ করা ২১ লাখ ৩২ হাজার ৫শ’ টাকা এবং টেইলর, ছোট ডাম্পার, বড় ডাম্পারের অনির্ধারিত ভাড়া প্রায় ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে তাদের কাছ থেকে আদায় করার জন্য সুপারিশ করেন।

কিন্তু এক বছর অতিবাহিত হবার পরও এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরং তারা দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা করপোরেশনের মাস্টার রোলের কর্মচারী হলেও তারা যান্ত্রিক শাখায় অবৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর মধ্যে রবিউল ইসলাম সুমন করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখার অঘোষিত প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ যান্ত্রিক শাখার সহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমান করপোরেশনের গাড়ি ও ইকুইপম্যান্ট ভাড়া দেবার অর্থ আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির প্রধান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমদাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা বললেও আর কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

যান্ত্রিক শাখার কর্মকর্তার অগ্রিম গ্রহণ।

রংপুর সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখার সহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমান পিপিআর নিয়ম লঙ্ঘন করে গাড়ি মেরামতের নামে কয়েক দফায় দেড় লাখ টাকা করে নিজের নামে উত্তোলন করেছেন। অথচ আগাম টাকা উত্তোলন করার কোন বিধান নেই তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারে করে এ অপকর্ম করছেন। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আপত্তি থাকার পরেও তিনি অগ্রিম টাকা উত্তোলন করে ভাউচারের মাধ্যমে সমন্বয় দেখাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ফাইল নোটে আপত্তি করা হলেও সাজ্জাদুর রহমান উল্টো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ফাইল নোটের নির্দ্দেশনাকে চ্যালেজ্ঞ করেছেন। গত ৬/১২/২০ইং তারিখে তার দেয়া ফাইল নোটে এর প্রমাণ পাওয়া যাবে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মচারীরা জানিয়েছেন। মজার ব্যাপার ওই প্রকৌশলীর অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করার ফাইল নোটে ঊর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তা সম্মতি দেননি বা সুপারিশ করেননি।

এ ব্যাপারে সহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করার কথা স্বীকার করে বলেন পিপিআরে বলা নেই যে অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করা যাবে না কিন্তু করা যাবে এমন কথা পিপিআরে আছে কি না জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি।

কোটি কোটি টাকার নতুন যান ব্যবহার না করে ফেলে রাখা ।

রংপুর সিটি করপোরেশনের পানি শাখায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে সেখানে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রাপ্ত নতুন দুটি ট্রাকসহ সর্বাধুনিক একটি গাড়ি। আরও বেশ কয়েকটি যান পড়ে আছে পানি শাখার বিভিন্ন স্থানে। এগুলো অযতেœ অবহেলায় পড়ে থাকায় এর কার্যকারিতা নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কিছুদিন বাদে এগুলোকে অকেজো দেখিয়ে গোপনে নিলামে বিক্রি করে দেয়ার পায়তারা চলছে।

এ ব্যাপারে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মিয়া তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন ও নির্বাহী প্রকৌশলী আজম আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। একইভাবে এ ব্যাপারে সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরও খবর
এবার খেলাপি ঋণ ছাড়ালো এক লাখ কোটি টাকা
টঙ্গীতে ক্ষতিপূরণের দাবিতে মেয়র জাহাঙ্গীর নির্মিত রাস্তায় বাঁশের খুঁটি দিয়ে অবরোধ
‘সেরামের টিকার বাকি চালানগুলো ডিসেম্বরে আসা শুরু হবে’
খন্দকার মুনীরুজ্জামানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ খুলবে ২৭ নভেম্বর, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
রাজবাড়ীতে মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে মামলা
বিএনপির আইনজীবীদের স্মারকলিপি, গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস আইনমন্ত্রীর
বিতর্ক মাথায় নিয়ে এলাকা ছাড়লেন এমপি টুকু
ইয়াবা আইসের পর এবার নতুন মাদক ডিওবি
সব পুরভোট একসঙ্গে করতে হবে রাজ্যপালের পরামর্শ, কলকাতা-হাওড়ার ভোট অনিশ্চিত

বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১ , ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

রংপুর সিটি করপোরেশন

যান্ত্রিক শাখার দুর্নীতি, ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ এক বছরেও কার্যকর হয়নি

রংপুর সিটি করপোরেশনে যান্ত্রিক শাখার দুর্নীতি, লুটপাট, করপোরেশনের গাড়ি, বিভিন্ন ইকুপম্যান্ট ভাড়া দেবার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি কর্তৃক দায়ী কর্মকর্তা কর্মচারীদের চিহ্নিত করে অর্ধ কোটি টাকা আদায় করার সুপারিশ দীর্ঘ এক বছরেও বাস্তবায়িত হয়নি।

বরং অভিযুক্ত কর্মচারীদের কারও কারও পদোন্নতি হয়েছে এবং বীরদর্পে তারা যান্ত্রিক শাখায় দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একজন কর্মচারী সিটি করপোরেশনের অর্থ লুট করে ৫টি সর্বাধুনিক হাইএক্স গাড়ির মালিক হয়েছেন অভিযোগ উঠলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখা সূত্রে জানা গেছে, করপোরেশনের শতাধিক গাড়ি ও ইকুপম্যান্ট কখন কিভাবে ব্যবহার হচ্ছে কাকে ভাড়া দেয়া হচ্ছে সে ব্যাপারে কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না। বিশেষ করে গাড়িগুলোর তেল ও মবিল ক্রয় এবং অন্য যন্ত্রাংশ ক্রয় করার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেবার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি গাড়ির লকবইয়ে তেল ব্যবহারসহ সার্বিক তথ্য রাখা হচ্ছে না।

প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল উত্তোলন করে খরচ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। যান্ত্রিক শাখায় অসংখ্য অভিযোগে অভিযুক্ত একজন মাস্টার রোলে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীর ক্ষমতার দাপটের কাছে জিম্মি ওই শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী। ওই কর্মচারী সিটি মেয়রের ভাগিনা পরিচয় দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন বলে অভিযোগ উঠলেও অজ্ঞাত কারণে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

যান্ত্রিক শাখার দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদন বাস্তবায়ন হয়নি এক বছরেও।

রংপুর সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখায় বিভিন্ন যানবাহন রোলারসহ বিভিন্ন ইকুইপম্যান্ট ভাড়া দেয়া হলেও বিপুল পরিমাণ অর্থ করপোরেশনের তহবিলে জমা না দেবার ঘটনা জানাজানি হলে ঘটনা তদন্ত করতে সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমাদাদ হোসেনকে আহ্বায়ক, নির্বাহী প্রকৌশলী আজম আলী ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) হাবিবুর রহমানকে সদস্য করে কমিটি গঠন করে দেন। গত ৫/১১/২০২০ইং তারিখে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করে। এতে মাস্টার রোলে কর্মরত যান্ত্রিক শাখার অফিস সহকারী রবিউল ইসলাম সুমন উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজিবকে দায়ী করে তারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। সেই সঙ্গে যানবাহন, রোলার, ইকুইপম্যান্ট ভাড়ার অর্থ আত্মসাৎ করা ২১ লাখ ৩২ হাজার ৫শ’ টাকা এবং টেইলর, ছোট ডাম্পার, বড় ডাম্পারের অনির্ধারিত ভাড়া প্রায় ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে তাদের কাছ থেকে আদায় করার জন্য সুপারিশ করেন।

কিন্তু এক বছর অতিবাহিত হবার পরও এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরং তারা দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা করপোরেশনের মাস্টার রোলের কর্মচারী হলেও তারা যান্ত্রিক শাখায় অবৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর মধ্যে রবিউল ইসলাম সুমন করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখার অঘোষিত প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ যান্ত্রিক শাখার সহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমান করপোরেশনের গাড়ি ও ইকুইপম্যান্ট ভাড়া দেবার অর্থ আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির প্রধান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমদাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা বললেও আর কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

যান্ত্রিক শাখার কর্মকর্তার অগ্রিম গ্রহণ।

রংপুর সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখার সহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমান পিপিআর নিয়ম লঙ্ঘন করে গাড়ি মেরামতের নামে কয়েক দফায় দেড় লাখ টাকা করে নিজের নামে উত্তোলন করেছেন। অথচ আগাম টাকা উত্তোলন করার কোন বিধান নেই তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারে করে এ অপকর্ম করছেন। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আপত্তি থাকার পরেও তিনি অগ্রিম টাকা উত্তোলন করে ভাউচারের মাধ্যমে সমন্বয় দেখাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ফাইল নোটে আপত্তি করা হলেও সাজ্জাদুর রহমান উল্টো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ফাইল নোটের নির্দ্দেশনাকে চ্যালেজ্ঞ করেছেন। গত ৬/১২/২০ইং তারিখে তার দেয়া ফাইল নোটে এর প্রমাণ পাওয়া যাবে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মচারীরা জানিয়েছেন। মজার ব্যাপার ওই প্রকৌশলীর অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করার ফাইল নোটে ঊর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তা সম্মতি দেননি বা সুপারিশ করেননি।

এ ব্যাপারে সহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করার কথা স্বীকার করে বলেন পিপিআরে বলা নেই যে অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করা যাবে না কিন্তু করা যাবে এমন কথা পিপিআরে আছে কি না জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি।

কোটি কোটি টাকার নতুন যান ব্যবহার না করে ফেলে রাখা ।

রংপুর সিটি করপোরেশনের পানি শাখায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে সেখানে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রাপ্ত নতুন দুটি ট্রাকসহ সর্বাধুনিক একটি গাড়ি। আরও বেশ কয়েকটি যান পড়ে আছে পানি শাখার বিভিন্ন স্থানে। এগুলো অযতেœ অবহেলায় পড়ে থাকায় এর কার্যকারিতা নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কিছুদিন বাদে এগুলোকে অকেজো দেখিয়ে গোপনে নিলামে বিক্রি করে দেয়ার পায়তারা চলছে।

এ ব্যাপারে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মিয়া তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন ও নির্বাহী প্রকৌশলী আজম আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। একইভাবে এ ব্যাপারে সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।