মুগদায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ মা-ছেলের মৃত্যু

রাজধানীর মুগদায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- প্রিয়াঙ্কা বারৈ (৩২) ও তার পাঁচ বছরে ছেলে অরূপ বৌদ্ধ। গত সোমবার রাতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাদের মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য তাদের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে দক্ষিণ মুগদা মাতব্বর গলির ৩৭ নম্বর ৫তলা বাড়ির নিচতলায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন লাগে। ওই ঘটনায় ৪ জন দগ্ধ হয়।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা এসএম আইউব হোসেন জানান, সোমবার রাত ৩টার দিকে মারা যান ৭২ শতাংশ দগ্ধ হওয়া প্রিয়াংকা বারৈ। আর রাত ১১টার দিকে মারা যায় ৬৭ শতাংশ দগ্ধ হওয়া প্রিয়াংকার ছেলে অরুপ বৌদ্ধ। তাদের দুজনেরই শ্বাসনালী দগ্ধ ছিল। হাসপাতালে আনার পরপরই তাদের আইসিইউতে নেয়া হয়েছিল। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় ২৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে শিশুটির বাবা সুধাংশুর বৌদ্ধ (৩৫) ও ৩৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে শিশুটির নানি সেফালী রাণী বারৈ (৫৫) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

ঘটনার পরপরই তাদের বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তখন দগ্ধ প্রিয়াংকার বড় ভাই পলাশ বারৈ জানান,তার বোন প্রিয়াংকা পরিবারসহ গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুর ভেদেরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে থাকেন। স্বামী দগ্ধ সুধাংশুর বৌদ্ধর চিকিৎসা করাতে তার (পলাশ) বাসায় এসেছিল তারা।

বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১ , ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

মুগদায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ মা-ছেলের মৃত্যু

রাজধানীর মুগদায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- প্রিয়াঙ্কা বারৈ (৩২) ও তার পাঁচ বছরে ছেলে অরূপ বৌদ্ধ। গত সোমবার রাতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাদের মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য তাদের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে দক্ষিণ মুগদা মাতব্বর গলির ৩৭ নম্বর ৫তলা বাড়ির নিচতলায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন লাগে। ওই ঘটনায় ৪ জন দগ্ধ হয়।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা এসএম আইউব হোসেন জানান, সোমবার রাত ৩টার দিকে মারা যান ৭২ শতাংশ দগ্ধ হওয়া প্রিয়াংকা বারৈ। আর রাত ১১টার দিকে মারা যায় ৬৭ শতাংশ দগ্ধ হওয়া প্রিয়াংকার ছেলে অরুপ বৌদ্ধ। তাদের দুজনেরই শ্বাসনালী দগ্ধ ছিল। হাসপাতালে আনার পরপরই তাদের আইসিইউতে নেয়া হয়েছিল। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় ২৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে শিশুটির বাবা সুধাংশুর বৌদ্ধ (৩৫) ও ৩৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে শিশুটির নানি সেফালী রাণী বারৈ (৫৫) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

ঘটনার পরপরই তাদের বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তখন দগ্ধ প্রিয়াংকার বড় ভাই পলাশ বারৈ জানান,তার বোন প্রিয়াংকা পরিবারসহ গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুর ভেদেরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে থাকেন। স্বামী দগ্ধ সুধাংশুর বৌদ্ধর চিকিৎসা করাতে তার (পলাশ) বাসায় এসেছিল তারা।