সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকবে : নসরুল হামিদ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, সেচ মৌসুমে (ফেব্রু-মে) নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এজন্য বিদ্যুৎ বিভাগ ও জ্বালানি বিভাগ নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করে গ্যাস ও জ্বালানি তেলের যোগান অব্যাহত রাখবে। গতকাল অনলাইনে সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভার্চুয়াল এই আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভায় বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন (অব.), পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এবিএম আবদুল ফাত্তাহ ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন। প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেচ মৌসুমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চাহিদা মতো প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে পেট্রোবাংলাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

দেশে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি থেকে সেচ মৌসুম শুরু হয়ে ৩১ মে পর্যন্ত চলে। এ সময় বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। বিদ্যুৎ বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ি, গত সেচ মৌসুমে মে মাসে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১১ হাজার ৯৭৭ মেগাওয়াট। চলতি বছরে সেচ মৌসুমে বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদা ১৪ হাজার মেগাওয়াট ধরা হয়েছে।

গ্যাসের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ চাহিদা দৈনিক ১ হাজার ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট, ফার্নেস অয়েলের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ চাহিদা ২২ হাজার টন ও ডিজেলের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ চাহিদা হবে ৬ হাজার ১০০ টন।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভায় চলতি সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য গ্যাস, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেল সরবরাহ বৃদ্ধি করা, যেসব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্বিঘে্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম, সেসব বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্রাধিকারভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১ , ১১ মাঘ ১৪২৭, ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকবে : নসরুল হামিদ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, সেচ মৌসুমে (ফেব্রু-মে) নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এজন্য বিদ্যুৎ বিভাগ ও জ্বালানি বিভাগ নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করে গ্যাস ও জ্বালানি তেলের যোগান অব্যাহত রাখবে। গতকাল অনলাইনে সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভার্চুয়াল এই আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভায় বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন (অব.), পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এবিএম আবদুল ফাত্তাহ ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন। প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেচ মৌসুমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চাহিদা মতো প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে পেট্রোবাংলাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

দেশে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি থেকে সেচ মৌসুম শুরু হয়ে ৩১ মে পর্যন্ত চলে। এ সময় বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। বিদ্যুৎ বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ি, গত সেচ মৌসুমে মে মাসে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১১ হাজার ৯৭৭ মেগাওয়াট। চলতি বছরে সেচ মৌসুমে বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদা ১৪ হাজার মেগাওয়াট ধরা হয়েছে।

গ্যাসের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ চাহিদা দৈনিক ১ হাজার ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট, ফার্নেস অয়েলের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ চাহিদা ২২ হাজার টন ও ডিজেলের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ চাহিদা হবে ৬ হাজার ১০০ টন।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভায় চলতি সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য গ্যাস, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেল সরবরাহ বৃদ্ধি করা, যেসব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্বিঘে্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম, সেসব বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্রাধিকারভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।