প্রথম দিনই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন ৮১,৩২৩

পুরুষ : ৬০,৫২৮, নারী : ২০,৯৭৫

দেশে করোনা প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। দেশব্যাপী দ্বিতীয় ডোজ শুরুর প্রথম দিনই টিকা নিয়েছেন ৮১ হাজার ৩২৩ জন। একই সঙ্গে টিকার প্রথম ডোজের কর্মসূচিও অব্যাহত রয়েছে। গতকাল প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছে ১৫ হাজার ৮৩৫ জন। গতকাল রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর মধ্যে পুরুষ ৬০ হাজার ৫২৮ জন এবং নারী ২০ হাজার ৭৯৫ জন। তাদের মধ্যে দুইজনের মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রথমদিন দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ২৭ হাজার ৯৭০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের চার হাজার ৬৯০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১৭ হাজার ৮৯৩ জন, রাজশাহী বিভাগের পাঁচ হাজার ২৭৭ জন, রংপুর বিভাগের সাত হাজার ৯৬৫ জন, খুলনা বিভাগের ৯ হাজার ১০১ জন, বরিশাল বিভাগের তিন হাজার ৩৬০ জন এবং সিলেট বিভাগের আছেন পাঁচ হাজার ৬৭ জন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী গণটিকা কর্মসূচি শুরু করে স্বাস্থ্য বিভাগ। গণটিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিন টিকা নিয়েছিলেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন মোট ২৬ জনকে টিকা দেয়া হয়।

করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার আট সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। যারা নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন না তারা পরবর্তী কিছুদিনের মধ্যেও টিকা নিতে পারছেন।

দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা’র তৈরি টিকা দেয়া হচ্ছে। এই টিকার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বলা হয়েছে, প্রথম ডোজ গ্রহণের তিনমাসের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিলেই হবে।

দেশে গতকাল পর্যন্ত মোট টিকা নিয়েছেন ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫০৭ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৩৪ লাখ ৬২ হাজার ৫৬৯ জন এবং নারী ২১ লাখ ২০ হাজার ৯৩৮ জন।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত টিকার জন্য মোট নিবন্ধন করেছেন ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ৭৯০ জন।

বিএসএমএমইউ’তে দ্বিতীয়

ডোজের টিকাদান শুরু

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের করোনা টিকা নেয়ার মধ্য দিয়ে গতকাল দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে কনভেনশন সেন্টারের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ৯টার দিকে উপাচার্য কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেন।

উপাচার্যের পর টিকা নেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা, পিএসসি সদস্য ফয়েজ আহম্মদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিয়ার রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যব, কোষাধ্যক্ষ, ডিনরাও টিকা নিয়েছেন।

টিকা নেয়ার পর বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমেই করোনার বর্তমান প্রাদুর্ভাবকে থামানো সম্ভব। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অবশ্যই টিকা নিতে হবে। টিকা নেয়ার কোন বিকল্প নেই। দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার ১৪ দিন পর থেকে শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়। এতে আক্রান্তের হার ও মৃত্যুর হার উভয়ই হ্্রাস পাবে। সমগ্র বিশ্বে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। এই সময় পর্যন্ত আমাদের অবশ্যই মাস্ক পরাসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

ঢামেকে দ্বিতীয় ডোজ ৫৮৫ জন, প্রথম ডোজ ৪৫ জন

করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হয়েছে। গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুরাতন ভবনের আন্ডাগ্রাউন্ডে টিকা কেন্দ্রে সকাল আটটা থেকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বেলা তিনটা পর্যন্ত ভ্যাকসিন নেয়ার সময় থাকলেও ভ্যাকসিন গ্রহণকারীরা না আসায় দুপুর আড়াইটার পর ভ্যাকসিন দেয়া বন্ধ করা হয়। টিকাকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. গোলাম রাব্বানী জানান, ঢামেক কেন্দ্রে ৫৮৫ জন দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন গ্রহণ করে। প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন নেন ৪৫ জন। সকাল থেকে সিরিয়াল মেনে ভ্যাকসিন গ্রহণ করে মানুষজন।

ঢামেক করোনা টিকাকেন্দ্রে সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আলম, মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মজিবুর রহমান, ঢামেকের সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, মেডিসিন বিভাগের বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, ফরেনসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ করোনা প্রতিরোধে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মোরশেদুল মুসলিম নামে একজন চাকরীজীবী জানান, এতদিন তিনি ভয়ে করোনা ভ্যাকসিন নেইনি। তিনি ঢামেক টিকা কেন্দ্রে গতকাল করোনার প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন নেন।

ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, করোনার দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সবাই নিয়ম মেনে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে। আর পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন রয়েছে ঢামেক টিকা কেন্দ্রে।

শুক্রবার, ০৯ এপ্রিল ২০২১ , ২৫ চৈত্র ১৪২৭ ২৪ শাবান ১৪৪২

প্রথম দিনই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন ৮১,৩২৩

পুরুষ : ৬০,৫২৮, নারী : ২০,৯৭৫

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দেশে করোনা প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। দেশব্যাপী দ্বিতীয় ডোজ শুরুর প্রথম দিনই টিকা নিয়েছেন ৮১ হাজার ৩২৩ জন। একই সঙ্গে টিকার প্রথম ডোজের কর্মসূচিও অব্যাহত রয়েছে। গতকাল প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছে ১৫ হাজার ৮৩৫ জন। গতকাল রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর মধ্যে পুরুষ ৬০ হাজার ৫২৮ জন এবং নারী ২০ হাজার ৭৯৫ জন। তাদের মধ্যে দুইজনের মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রথমদিন দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ২৭ হাজার ৯৭০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের চার হাজার ৬৯০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১৭ হাজার ৮৯৩ জন, রাজশাহী বিভাগের পাঁচ হাজার ২৭৭ জন, রংপুর বিভাগের সাত হাজার ৯৬৫ জন, খুলনা বিভাগের ৯ হাজার ১০১ জন, বরিশাল বিভাগের তিন হাজার ৩৬০ জন এবং সিলেট বিভাগের আছেন পাঁচ হাজার ৬৭ জন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী গণটিকা কর্মসূচি শুরু করে স্বাস্থ্য বিভাগ। গণটিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিন টিকা নিয়েছিলেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন মোট ২৬ জনকে টিকা দেয়া হয়।

করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার আট সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। যারা নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন না তারা পরবর্তী কিছুদিনের মধ্যেও টিকা নিতে পারছেন।

দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা’র তৈরি টিকা দেয়া হচ্ছে। এই টিকার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বলা হয়েছে, প্রথম ডোজ গ্রহণের তিনমাসের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিলেই হবে।

দেশে গতকাল পর্যন্ত মোট টিকা নিয়েছেন ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫০৭ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৩৪ লাখ ৬২ হাজার ৫৬৯ জন এবং নারী ২১ লাখ ২০ হাজার ৯৩৮ জন।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত টিকার জন্য মোট নিবন্ধন করেছেন ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ৭৯০ জন।

বিএসএমএমইউ’তে দ্বিতীয়

ডোজের টিকাদান শুরু

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের করোনা টিকা নেয়ার মধ্য দিয়ে গতকাল দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে কনভেনশন সেন্টারের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ৯টার দিকে উপাচার্য কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেন।

উপাচার্যের পর টিকা নেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা, পিএসসি সদস্য ফয়েজ আহম্মদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিয়ার রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যব, কোষাধ্যক্ষ, ডিনরাও টিকা নিয়েছেন।

টিকা নেয়ার পর বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমেই করোনার বর্তমান প্রাদুর্ভাবকে থামানো সম্ভব। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অবশ্যই টিকা নিতে হবে। টিকা নেয়ার কোন বিকল্প নেই। দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার ১৪ দিন পর থেকে শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়। এতে আক্রান্তের হার ও মৃত্যুর হার উভয়ই হ্্রাস পাবে। সমগ্র বিশ্বে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। এই সময় পর্যন্ত আমাদের অবশ্যই মাস্ক পরাসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

ঢামেকে দ্বিতীয় ডোজ ৫৮৫ জন, প্রথম ডোজ ৪৫ জন

করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হয়েছে। গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুরাতন ভবনের আন্ডাগ্রাউন্ডে টিকা কেন্দ্রে সকাল আটটা থেকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বেলা তিনটা পর্যন্ত ভ্যাকসিন নেয়ার সময় থাকলেও ভ্যাকসিন গ্রহণকারীরা না আসায় দুপুর আড়াইটার পর ভ্যাকসিন দেয়া বন্ধ করা হয়। টিকাকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. গোলাম রাব্বানী জানান, ঢামেক কেন্দ্রে ৫৮৫ জন দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন গ্রহণ করে। প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন নেন ৪৫ জন। সকাল থেকে সিরিয়াল মেনে ভ্যাকসিন গ্রহণ করে মানুষজন।

ঢামেক করোনা টিকাকেন্দ্রে সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আলম, মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মজিবুর রহমান, ঢামেকের সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, মেডিসিন বিভাগের বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, ফরেনসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ করোনা প্রতিরোধে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মোরশেদুল মুসলিম নামে একজন চাকরীজীবী জানান, এতদিন তিনি ভয়ে করোনা ভ্যাকসিন নেইনি। তিনি ঢামেক টিকা কেন্দ্রে গতকাল করোনার প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন নেন।

ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, করোনার দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সবাই নিয়ম মেনে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে। আর পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন রয়েছে ঢামেক টিকা কেন্দ্রে।