আবারও একদিনে শনাক্ত ৭ হাজার ছাড়ালো

দু’সপ্তাহ ধরে করোনার ঊর্ধ্বগতি

দেশে করোনা সংক্রমণে আবারও নতুন রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭ হাজার ৪৬২ জনের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে, যা একদিনে সংক্রমণ শনাক্তের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। একই সময় দেশে সংক্রমণ নিয়ে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে টানা চতুর্থ দিন ৬০ জন বা তার বেশি মানুষের মৃত্যু হলো। তাছাড়া গতকালসহ টানা এক সপ্তাহ যাবত গড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৬১। গত ৩ এপ্রিল মারা গেছেন ৫৮ জন, ৪ এপ্রিল ৫৩ জন, ৫ এপ্রিল ৫২ জন, ৬ এপ্রিল ৬৬ জন, ৭ এপ্রিল ৬৩ জন ও এর আগের দিন ৮ এপ্রিল একদিনে সর্বোচ্চ ৭৪ জনের মৃত্যু হয় করোনা সংক্রমণ নিয়ে।

এছাড়া মার্চের শুরু থেকেই দেশে পুনরায় করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও গত দুই সপ্তাহ ধরে তা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। গত ২৬ মার্চ শনাক্তের হার ছিল ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ২৭ মার্চ তা বেড়ে ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ, ২৮ মার্চ ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ২৯ মার্চ ১৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ৩০ মার্চ ১৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ৩১ মার্চ ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ, ১ এপ্রিল ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ২ এপ্রিল ২৩ দশমিক ২৮ শতাংশ, ৩ এপ্রিল ২৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, ৪ এপ্রিল ২৩ দশমিক ০৭ শতাংশ, ৫ এপ্রিল ২৩ দশমিক ৪০ শতাংশ, ৬ এপ্রিল ২১ দশমিক ০২ শতাংশ, ৭ এপ্রিল ২২ দশমিক ০২ শতাংশ ও গতকাল ২৩ দশমিক ৫৭ শতাংশে দাঁড়ায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে করোনা শনাক্ত হন ৫ হাজার ১৮১ জন, সেই রেকর্ড ভেঙে ৩১ মার্চ শনাক্ত হন ৫ হাজার ৩৮৫ জন। ১ এপ্রিল ফের শনাক্ত দাঁড়ায় ৬ হাজার ৪৬৯ জন। ২ এপ্রিল দাঁড়ায় ৬ হাজার ৮৩০ জন। এরপর ৪ এপ্রিল সব রেকর্ড ভেঙে সাত হাজার ছাড়িয়ে একদিনে শনাক্ত হন ৭ হাজার ৮৭ জন। ৫ এপ্রিল শনাক্ত হন ৭ হাজার ৭৫ জন। ৬ এপ্রিল মঙ্গলবার ৭ হাজার ২১৩ জন। এর পরদিন বুধবার শনাক্ত হন ৭ হাজার ৬২৬ জন, যেটা এখন পর্যন্ত দেশে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। ৮ এপ্রিল শনাক্ত হন ৬ হাজার ৮৫৪ জন।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সই করা কোভিড-১৯ সংক্রান্ত নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ৯ হাজার ৫৮৪ জন এবং মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ছয় লাখ ৭৩ হাজার ৫৯৪ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ৫১১ জন, তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার ৫৪১ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৩১ হাজার ৮৭৯টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ৩১ হাজার ৬৫৪টি। দেশে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৪১২টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৭ লাখ পাঁচ হাজার ২৩৪টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১২ লাখ ৪২ হাজার ১৭৮টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৬৩ জনের মধ্যে পুরুষ ৪৩ জন আর নারী ২০ জন। করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত পুরুষ মারা গেছেন সাত হাজার ১৭৩ জন এবং নারী দুই হাজার ৪১১ জন। শতকরা হিসাবে পুরুষ ৭৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং নারী ২৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। তাদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ৩৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ১৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চার জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে পাঁচজন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন দুইজন।

মারা যাওয়া ৬৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৪২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১০ জন, রাজশাহী বিভাগের দুইজন, খুলনা বিভাগের তিনজন, বরিশাল বিভাগের চারজন এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন একজন করে। ৬৩ জনই হাসপাতালে মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়া তিন হাজার ৫১১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন দুই হাজার ২৯৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯০৪ জন, রংপুর বিভাগের ২০ জন, খুলনা বিভাগের ৯৯ জন, বরিশাল বিভাগের ২০ জন, রাজশাহী বিভাগের ৭৮ জন, সিলেট বিভাগের ৮৬ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন সাত জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৫২৬ জন, ছাড় পেয়েছেন এক হাজার ৪৭৪ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪৫ হাজার ৬৪০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৭১০ জন, ছাড় পেয়েছেন ৩৬৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৪ হাজার ৮০৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে সারাদেশে মোট আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ৬০০। এর মধ্যে বর্তমানে ফাঁকা রয়েছে ১৫৫টি। আর ঢাকা মহানগরীতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৩০৫টি। এর মধ্যে ফাঁকা রয়েছে ১৭টি। গতকাল পর্যন্ত সারাদেশে ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫০৭ জনকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে। আর ৮১ হাজার ৩২৩ জনকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে।

শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১ , ২৬ চৈত্র ১৪২৭ ২৫ শাবান ১৪৪২

আবারও একদিনে শনাক্ত ৭ হাজার ছাড়ালো

দু’সপ্তাহ ধরে করোনার ঊর্ধ্বগতি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দেশে করোনা সংক্রমণে আবারও নতুন রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭ হাজার ৪৬২ জনের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে, যা একদিনে সংক্রমণ শনাক্তের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। একই সময় দেশে সংক্রমণ নিয়ে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে টানা চতুর্থ দিন ৬০ জন বা তার বেশি মানুষের মৃত্যু হলো। তাছাড়া গতকালসহ টানা এক সপ্তাহ যাবত গড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৬১। গত ৩ এপ্রিল মারা গেছেন ৫৮ জন, ৪ এপ্রিল ৫৩ জন, ৫ এপ্রিল ৫২ জন, ৬ এপ্রিল ৬৬ জন, ৭ এপ্রিল ৬৩ জন ও এর আগের দিন ৮ এপ্রিল একদিনে সর্বোচ্চ ৭৪ জনের মৃত্যু হয় করোনা সংক্রমণ নিয়ে।

এছাড়া মার্চের শুরু থেকেই দেশে পুনরায় করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও গত দুই সপ্তাহ ধরে তা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। গত ২৬ মার্চ শনাক্তের হার ছিল ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ২৭ মার্চ তা বেড়ে ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ, ২৮ মার্চ ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ২৯ মার্চ ১৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ৩০ মার্চ ১৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ৩১ মার্চ ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ, ১ এপ্রিল ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ২ এপ্রিল ২৩ দশমিক ২৮ শতাংশ, ৩ এপ্রিল ২৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, ৪ এপ্রিল ২৩ দশমিক ০৭ শতাংশ, ৫ এপ্রিল ২৩ দশমিক ৪০ শতাংশ, ৬ এপ্রিল ২১ দশমিক ০২ শতাংশ, ৭ এপ্রিল ২২ দশমিক ০২ শতাংশ ও গতকাল ২৩ দশমিক ৫৭ শতাংশে দাঁড়ায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে করোনা শনাক্ত হন ৫ হাজার ১৮১ জন, সেই রেকর্ড ভেঙে ৩১ মার্চ শনাক্ত হন ৫ হাজার ৩৮৫ জন। ১ এপ্রিল ফের শনাক্ত দাঁড়ায় ৬ হাজার ৪৬৯ জন। ২ এপ্রিল দাঁড়ায় ৬ হাজার ৮৩০ জন। এরপর ৪ এপ্রিল সব রেকর্ড ভেঙে সাত হাজার ছাড়িয়ে একদিনে শনাক্ত হন ৭ হাজার ৮৭ জন। ৫ এপ্রিল শনাক্ত হন ৭ হাজার ৭৫ জন। ৬ এপ্রিল মঙ্গলবার ৭ হাজার ২১৩ জন। এর পরদিন বুধবার শনাক্ত হন ৭ হাজার ৬২৬ জন, যেটা এখন পর্যন্ত দেশে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। ৮ এপ্রিল শনাক্ত হন ৬ হাজার ৮৫৪ জন।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সই করা কোভিড-১৯ সংক্রান্ত নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ৯ হাজার ৫৮৪ জন এবং মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ছয় লাখ ৭৩ হাজার ৫৯৪ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ৫১১ জন, তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার ৫৪১ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৩১ হাজার ৮৭৯টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ৩১ হাজার ৬৫৪টি। দেশে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৪১২টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৭ লাখ পাঁচ হাজার ২৩৪টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১২ লাখ ৪২ হাজার ১৭৮টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৬৩ জনের মধ্যে পুরুষ ৪৩ জন আর নারী ২০ জন। করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত পুরুষ মারা গেছেন সাত হাজার ১৭৩ জন এবং নারী দুই হাজার ৪১১ জন। শতকরা হিসাবে পুরুষ ৭৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং নারী ২৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। তাদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ৩৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ১৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চার জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে পাঁচজন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন দুইজন।

মারা যাওয়া ৬৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৪২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১০ জন, রাজশাহী বিভাগের দুইজন, খুলনা বিভাগের তিনজন, বরিশাল বিভাগের চারজন এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন একজন করে। ৬৩ জনই হাসপাতালে মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়া তিন হাজার ৫১১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন দুই হাজার ২৯৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯০৪ জন, রংপুর বিভাগের ২০ জন, খুলনা বিভাগের ৯৯ জন, বরিশাল বিভাগের ২০ জন, রাজশাহী বিভাগের ৭৮ জন, সিলেট বিভাগের ৮৬ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন সাত জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৫২৬ জন, ছাড় পেয়েছেন এক হাজার ৪৭৪ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪৫ হাজার ৬৪০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৭১০ জন, ছাড় পেয়েছেন ৩৬৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৪ হাজার ৮০৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে সারাদেশে মোট আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ৬০০। এর মধ্যে বর্তমানে ফাঁকা রয়েছে ১৫৫টি। আর ঢাকা মহানগরীতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৩০৫টি। এর মধ্যে ফাঁকা রয়েছে ১৭টি। গতকাল পর্যন্ত সারাদেশে ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫০৭ জনকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে। আর ৮১ হাজার ৩২৩ জনকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে।