টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭০৩

গতকাল সারাদেশে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৩৬ হাজার ৭০৩ জন। এদিন টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১৯ হাজার ৯৪৩ জন।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) প্রফেসর ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে ৯৬ হাজার ৫৫৯ জন পুরুষ এবং ৪০ হাজার ১৪৪ জন নারী।

গতকাল প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে ১২ হাজার ৩১১ জন পুরুষ এবং সাত হাজার ৬৩২ জন নারী। এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৬ লাখ তিন হাজার ৪৫০ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন মোট দুই লাখ ১৮ হাজার ২৬ জন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করে স্বাস্থ্য বিভাগ। গণটিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিন টিকা নিয়েছিলেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন মোট ২৬ জনকে টিকা দেয়া হয়। এরপর গত ৮ এপ্রিল টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বাংলাদেশে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত ‘অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা’র উদ্ভাবিত করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে। প্রত্যেককেই এই টিকার দুটি ডোজ নিতে হয়।

রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১ , ২৮ চৈত্র ১৪২৭ ২৭ শাবান ১৪৪২

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭০৩

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গতকাল সারাদেশে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৩৬ হাজার ৭০৩ জন। এদিন টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১৯ হাজার ৯৪৩ জন।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) প্রফেসর ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে ৯৬ হাজার ৫৫৯ জন পুরুষ এবং ৪০ হাজার ১৪৪ জন নারী।

গতকাল প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে ১২ হাজার ৩১১ জন পুরুষ এবং সাত হাজার ৬৩২ জন নারী। এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৬ লাখ তিন হাজার ৪৫০ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন মোট দুই লাখ ১৮ হাজার ২৬ জন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করে স্বাস্থ্য বিভাগ। গণটিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিন টিকা নিয়েছিলেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন মোট ২৬ জনকে টিকা দেয়া হয়। এরপর গত ৮ এপ্রিল টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বাংলাদেশে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত ‘অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা’র উদ্ভাবিত করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে। প্রত্যেককেই এই টিকার দুটি ডোজ নিতে হয়।