কৃষিপণ্য কেনাবেচা পরিবহন লকডাউনের আওতামুক্ত চেয়ে বাপার চিঠি

আসন্ন লকডাউনে কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য উৎপাদন, কেনাবেচা ও পরিবহন আওতামুক্ত চায় বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বাপার সভাপতি এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সী।

চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, সরকার দেশব্যাপী করোনা নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউন হতে পারে বলে একটি ঘোষণা এসেছে। করোনা সংক্রমণ যেভাবে বেড়ে চলেছে, তাতে দেশের মানুষের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সরকারের এমন পদক্ষেপকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমান সরকার বরাবরই কৃষক ও কৃষিবান্ধব। দেশে গত বছরের মার্চে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জীবন ও জীবিকার স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তিনি করোনার আর্থিক সংকট মোকাবিলায় কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের সঙ্গে জড়িত সব কর্মকান্ড সচল রাখার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

‘আমরা আশা করছি, সরকার গতবারের মতো এবারের আসন্ন লকডাউনেও কৃষি ও কৃষিসংশ্লিষ্ট সব কর্মকান্ড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলমান রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। কৃষক যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে পণ্য বিপণন করতে পারেন এবং তাদের কাছ থেকে সংগৃহীত কাঁচামাল যেন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রয় করে কারখানায় প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে মানুষের হাতে খাদ্যপণ্য পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়, এ বিষয়গুলো লকডাউনের আওতামুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন। আমরা কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা আসন্ন লকডাউনের আওতামুক্ত রাখতে আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।’

সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১ , ২৯ চৈত্র ১৪২৭ ২৮ শাবান ১৪৪২

কৃষিপণ্য কেনাবেচা পরিবহন লকডাউনের আওতামুক্ত চেয়ে বাপার চিঠি

আসন্ন লকডাউনে কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য উৎপাদন, কেনাবেচা ও পরিবহন আওতামুক্ত চায় বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বাপার সভাপতি এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সী।

চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, সরকার দেশব্যাপী করোনা নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউন হতে পারে বলে একটি ঘোষণা এসেছে। করোনা সংক্রমণ যেভাবে বেড়ে চলেছে, তাতে দেশের মানুষের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সরকারের এমন পদক্ষেপকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমান সরকার বরাবরই কৃষক ও কৃষিবান্ধব। দেশে গত বছরের মার্চে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জীবন ও জীবিকার স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তিনি করোনার আর্থিক সংকট মোকাবিলায় কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের সঙ্গে জড়িত সব কর্মকান্ড সচল রাখার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

‘আমরা আশা করছি, সরকার গতবারের মতো এবারের আসন্ন লকডাউনেও কৃষি ও কৃষিসংশ্লিষ্ট সব কর্মকান্ড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলমান রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। কৃষক যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে পণ্য বিপণন করতে পারেন এবং তাদের কাছ থেকে সংগৃহীত কাঁচামাল যেন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রয় করে কারখানায় প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে মানুষের হাতে খাদ্যপণ্য পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়, এ বিষয়গুলো লকডাউনের আওতামুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন। আমরা কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা আসন্ন লকডাউনের আওতামুক্ত রাখতে আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।’