সীমিত পরিসরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখার সুপারিশ সিপিডির

করোনা পরিস্থিতিতেও সীমিত পরিসরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখার সুপারিশ করেছে বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি জানায়, গত বছরের লকডাউন সাধারণ মানুষের আর্থিক পরিস্থিতি ও জীবিকার উপর ঋণাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। এই সংকট এখনও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ভারসাম্য বজায় রাখাও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই করোনার মধ্যেও সীমিত পরিসরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখা প্রয়োজন।

গতকাল সিপিডির আয়োজিত ‘কোভিড অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউ : কীভাবে সামলাব?’ শীর্ষক সংলাপে এই সুপারিশ করা হয়।

সংলাপে সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘গত বছরের থেকে এই বছর সংক্রমণের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরে আমরা দেখেছিলাম লকডাউন বেশ ঢিলেঢালাভাবে হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন প্রক্রিয়াও চলমান রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাও নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনায় সুপারিশগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো- স্বাস্থ্যবিধি, চিকিৎসা এবং অন্যান্য সহায়তা। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে অনেকে বলেছেন, জনসম্পৃক্ততা বড়ানোর জন্য। মাস্ক পরা এবং মাস্ক আরও বেশি পরিমাণে বিতরণ করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম না হাওয়ার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ এসেছে। চিকিৎসার জন্য ফিল্ড হাসপাতালের সুপারিশ এসেছে। সেখানে কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার ব্যবহারের সুপারিশ এসেছে। আমরা দেখছি যে টিকা দেয়া শুরু হয়েছে, সেখানে একটা অসামঞ্জস্যতা দেখা যাচ্ছে। টিকার সরবরাহ কম এবং জনসচেতনতাও কম। টিকার সরবরাহ কম হওয়ার জন্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে টিকা আমদানির সুপারিশ এসেছে। সেই সঙ্গে কোভিড চিকিৎসার ওষুধ কিভাবে সুলভ মূল্যে দেয়া যায় তার সুপারিশ এসেছে। কারখানা কর্মীদের স্বাস্থ্যের কথা আলোচনায় উঠে এসেছে। তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যগত সুবিধা দেয়ার জন্য কারখানা মালিকদের প্রতি অনুরোধ জনানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে কারখানাগুলো খোলা থাকে এবং কর্মীদের কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, যেন সেই সহযোগিতা দেয়া হয়।’

এছাড়া শিল্প-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ও আর্মড ফোর্সকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহার করার দাবি জানিয়েছে সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

তিনি বলেন, ‘সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুতরাং এর আলোকে এখন স্বাস্থ্যবিধিকে গুরুত্ব দিতে হবে। কলকারখানায়, বাজারে স্বাস্থ্যবিধি বিশেষ করে মাস্ক পরা সুনিশ্চিত করার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য (স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে) আর্মড ফোর্স, সরকারের এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করতে হবে। সরকারের যেসব এজেন্সি রয়েছে, সেখানে লোকবল কম, প্রয়োজনে অন্যান্য এজেন্সি থেকে লোকবল নেয়া যেতে পারে। এলাকাভিত্তিক জোন ভাগ করে পর্যবেক্ষণ করা, যে মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে কি না। প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনী ও আর্মড ফোর্সকে ব্যবহার করা যেতে পারে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। পরিপালনগুলো কঠোরভাবে শিল্প-কারখানা হোক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হোক, এমনকি সাধারণ মানুষের চলাচলেও এনফোর্সমেন্টের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এটা এনফোর্সমেন্ট না হলে জারিমানা, এমনকি সংক্রমণের আশঙ্কা থাকলে প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার মতো ম্যাজেস্ট্রেসি ক্ষমতা এই কর্মকর্তাদের দেয়া যেতে পারে।’

এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমাদের করোনাভাইয়াস নিয়েই বাঁচতে শিখতে হবে।’ তিনি টিকা প্রস্তুতকরণে দেশের ভেতরের সম্ভাবনার কথা চিন্তা করতে বলেছেন। বাংলাদেশের দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে বর্তমানে কোভিড-১৯ অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কোভিডে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ১৪ এপ্রিল ২০২১ তারিখ থেকে কড়া লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে।

বাংলাদেশে এর আগেও কোভিড-এর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রচেষ্টা থাকলেও তা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হয়নি বলে মতামত দেন ব্র্যাকের সাবেক ভাইস চেয়ারপারসন ড. আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী।

বিজিএমইএ-এর নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান মনে করেন, ‘লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ হলে শ্রমিকরা অনেকে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য গণপরিবহন ব্যবহার করবেন, যা সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।’

সিপিডি’র সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান মন্তব্য করেন, ‘লকডাউনের অর্থনৈতিক একটি প্রভাব রয়েছে। কিন্তু এটি সংক্রমণ ছড়িয়ে পরা রোধে বাধা দেবে। জীবন এবং জীবিকার মধ্যে এখন জীবন কে অগ্রাধিকার দেয়ার সময় এসেছে এবং এর জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিৎ।’

সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন আইইডিসিআর-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড এএসএম আলমগীর, উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন, ল্যাবএইড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড এএম শামীম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) মহাসচিব ফারুক আহমেদ। এছাড়াও সরকারি কর্মকর্তারা, সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশাজীবীসহ অনেকে সংলাপে অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মতামত তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১ , ৩০ চৈত্র ১৪২৭ ২৯ শাবান ১৪৪২

করোনা পরিস্থিতিতেও

সীমিত পরিসরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখার সুপারিশ সিপিডির

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

করোনা পরিস্থিতিতেও সীমিত পরিসরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখার সুপারিশ করেছে বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি জানায়, গত বছরের লকডাউন সাধারণ মানুষের আর্থিক পরিস্থিতি ও জীবিকার উপর ঋণাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। এই সংকট এখনও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ভারসাম্য বজায় রাখাও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই করোনার মধ্যেও সীমিত পরিসরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখা প্রয়োজন।

গতকাল সিপিডির আয়োজিত ‘কোভিড অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউ : কীভাবে সামলাব?’ শীর্ষক সংলাপে এই সুপারিশ করা হয়।

সংলাপে সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘গত বছরের থেকে এই বছর সংক্রমণের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরে আমরা দেখেছিলাম লকডাউন বেশ ঢিলেঢালাভাবে হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন প্রক্রিয়াও চলমান রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাও নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনায় সুপারিশগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো- স্বাস্থ্যবিধি, চিকিৎসা এবং অন্যান্য সহায়তা। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে অনেকে বলেছেন, জনসম্পৃক্ততা বড়ানোর জন্য। মাস্ক পরা এবং মাস্ক আরও বেশি পরিমাণে বিতরণ করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম না হাওয়ার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ এসেছে। চিকিৎসার জন্য ফিল্ড হাসপাতালের সুপারিশ এসেছে। সেখানে কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার ব্যবহারের সুপারিশ এসেছে। আমরা দেখছি যে টিকা দেয়া শুরু হয়েছে, সেখানে একটা অসামঞ্জস্যতা দেখা যাচ্ছে। টিকার সরবরাহ কম এবং জনসচেতনতাও কম। টিকার সরবরাহ কম হওয়ার জন্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে টিকা আমদানির সুপারিশ এসেছে। সেই সঙ্গে কোভিড চিকিৎসার ওষুধ কিভাবে সুলভ মূল্যে দেয়া যায় তার সুপারিশ এসেছে। কারখানা কর্মীদের স্বাস্থ্যের কথা আলোচনায় উঠে এসেছে। তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যগত সুবিধা দেয়ার জন্য কারখানা মালিকদের প্রতি অনুরোধ জনানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে কারখানাগুলো খোলা থাকে এবং কর্মীদের কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, যেন সেই সহযোগিতা দেয়া হয়।’

এছাড়া শিল্প-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ও আর্মড ফোর্সকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহার করার দাবি জানিয়েছে সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

তিনি বলেন, ‘সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুতরাং এর আলোকে এখন স্বাস্থ্যবিধিকে গুরুত্ব দিতে হবে। কলকারখানায়, বাজারে স্বাস্থ্যবিধি বিশেষ করে মাস্ক পরা সুনিশ্চিত করার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য (স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে) আর্মড ফোর্স, সরকারের এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করতে হবে। সরকারের যেসব এজেন্সি রয়েছে, সেখানে লোকবল কম, প্রয়োজনে অন্যান্য এজেন্সি থেকে লোকবল নেয়া যেতে পারে। এলাকাভিত্তিক জোন ভাগ করে পর্যবেক্ষণ করা, যে মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে কি না। প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনী ও আর্মড ফোর্সকে ব্যবহার করা যেতে পারে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। পরিপালনগুলো কঠোরভাবে শিল্প-কারখানা হোক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হোক, এমনকি সাধারণ মানুষের চলাচলেও এনফোর্সমেন্টের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এটা এনফোর্সমেন্ট না হলে জারিমানা, এমনকি সংক্রমণের আশঙ্কা থাকলে প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার মতো ম্যাজেস্ট্রেসি ক্ষমতা এই কর্মকর্তাদের দেয়া যেতে পারে।’

এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমাদের করোনাভাইয়াস নিয়েই বাঁচতে শিখতে হবে।’ তিনি টিকা প্রস্তুতকরণে দেশের ভেতরের সম্ভাবনার কথা চিন্তা করতে বলেছেন। বাংলাদেশের দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে বর্তমানে কোভিড-১৯ অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কোভিডে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ১৪ এপ্রিল ২০২১ তারিখ থেকে কড়া লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে।

বাংলাদেশে এর আগেও কোভিড-এর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রচেষ্টা থাকলেও তা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হয়নি বলে মতামত দেন ব্র্যাকের সাবেক ভাইস চেয়ারপারসন ড. আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী।

বিজিএমইএ-এর নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান মনে করেন, ‘লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ হলে শ্রমিকরা অনেকে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য গণপরিবহন ব্যবহার করবেন, যা সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।’

সিপিডি’র সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান মন্তব্য করেন, ‘লকডাউনের অর্থনৈতিক একটি প্রভাব রয়েছে। কিন্তু এটি সংক্রমণ ছড়িয়ে পরা রোধে বাধা দেবে। জীবন এবং জীবিকার মধ্যে এখন জীবন কে অগ্রাধিকার দেয়ার সময় এসেছে এবং এর জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিৎ।’

সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন আইইডিসিআর-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড এএসএম আলমগীর, উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন, ল্যাবএইড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড এএম শামীম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) মহাসচিব ফারুক আহমেদ। এছাড়াও সরকারি কর্মকর্তারা, সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশাজীবীসহ অনেকে সংলাপে অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মতামত তুলে ধরেন।