দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করুন

মানুষের ওপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ঘোটক। জীবন ধারণের উপযোগী প্রতিটি জিনিসের অগ্নিমূল্য। চাল, ডাল, মাছ, মাংস, তেল, তরিতরকারি, ফলমূল, চিনি, লবণ, গম, আটা, রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য আগের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের জন্যই সাধারণ মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ কল্পে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারকে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনতে হবে। কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। লকডাউনের সময় বিশেষ ব্যবস্থায় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। অসাধু ব্যবসায়ী, মজুতদার ও কালোবাজারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অনেক রপ্তানিকারক শাকসবজিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য অতিরিক্ত লাভের আশায় দেশের চাহিদা না মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করছে। এক্ষেত্রে সরকারের প্রতিটি পণ্যের রপ্তানির একটা নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেয়া উচিত। প্রতিটি দ্রব্যের বাজারমূল্য নির্ধারণ করার পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।

তৌহিদা আকতার

বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১ , ১ বৈশাখ ১৪২৮ ১ রমজান ১৪৪২

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করুন

মানুষের ওপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ঘোটক। জীবন ধারণের উপযোগী প্রতিটি জিনিসের অগ্নিমূল্য। চাল, ডাল, মাছ, মাংস, তেল, তরিতরকারি, ফলমূল, চিনি, লবণ, গম, আটা, রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য আগের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের জন্যই সাধারণ মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ কল্পে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারকে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনতে হবে। কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। লকডাউনের সময় বিশেষ ব্যবস্থায় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। অসাধু ব্যবসায়ী, মজুতদার ও কালোবাজারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অনেক রপ্তানিকারক শাকসবজিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য অতিরিক্ত লাভের আশায় দেশের চাহিদা না মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করছে। এক্ষেত্রে সরকারের প্রতিটি পণ্যের রপ্তানির একটা নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেয়া উচিত। প্রতিটি দ্রব্যের বাজারমূল্য নির্ধারণ করার পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।

তৌহিদা আকতার