মশার কয়েল ব্যবহারে সতর্কতা জরুরি

বাড়ির ভেতরে মশার কয়েল ব্যবহার নিয়ে সম্প্রতি মানুষের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবে মশার কয়েল বানানোর জন্য যে কীটনাশক কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় তা অক্ষতিকারক হিসেবেই গণ্য করা করা হয়। কিন্তু যখন এটি পুড়ে ধোঁয়ার সৃষ্টি করে তখন তা ভিন্ন বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যা মানব দেহের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে। সিগারেট যে স্বাস্থ্যের জন্য কি পরিমাণ ক্ষতিকর তা আমরা জানি। মশার কয়েল তার চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সম্পূর্ণ মশার কয়েলে যে পরিমাণ ধোঁয়া হয়, তা প্রতিদিন ১০০টা সিগারেট গ্রহণ করার সমান। তাছাড়া মশার কয়েল ব্যবহারে সতর্ক না হলে ছোট আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকে গোটা বাড়িতে আগুন লাগতে পারে। এমন ঘটনা ইতোমধ্যেই ঘটেছে। তাই যথা সম্ভব এর ব্যবহার কমাতে হবে, বিশেষত বদ্ধ ঘরে। মশার হাত থেকে বাঁচতে নানা পদ্ধতি যেমন- ঘরের দরজা জানালায় মশারোধী জাল লাগানো, মশারি ব্যবহার, শরীর ঢাকা পোশাক পরা, পায়ে মোজা পরা ইত্যাদিই উত্তম। সিট্রোনেলা, নিম, ইউক্যালিপটাসের মতো জৈব তেলও কিছু পরিমাণে কাজে লাগানো যেতে পারে।

শাকিবুল হাসান

বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১ , ১ বৈশাখ ১৪২৮ ১ রমজান ১৪৪২

মশার কয়েল ব্যবহারে সতর্কতা জরুরি

বাড়ির ভেতরে মশার কয়েল ব্যবহার নিয়ে সম্প্রতি মানুষের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবে মশার কয়েল বানানোর জন্য যে কীটনাশক কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় তা অক্ষতিকারক হিসেবেই গণ্য করা করা হয়। কিন্তু যখন এটি পুড়ে ধোঁয়ার সৃষ্টি করে তখন তা ভিন্ন বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যা মানব দেহের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে। সিগারেট যে স্বাস্থ্যের জন্য কি পরিমাণ ক্ষতিকর তা আমরা জানি। মশার কয়েল তার চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সম্পূর্ণ মশার কয়েলে যে পরিমাণ ধোঁয়া হয়, তা প্রতিদিন ১০০টা সিগারেট গ্রহণ করার সমান। তাছাড়া মশার কয়েল ব্যবহারে সতর্ক না হলে ছোট আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকে গোটা বাড়িতে আগুন লাগতে পারে। এমন ঘটনা ইতোমধ্যেই ঘটেছে। তাই যথা সম্ভব এর ব্যবহার কমাতে হবে, বিশেষত বদ্ধ ঘরে। মশার হাত থেকে বাঁচতে নানা পদ্ধতি যেমন- ঘরের দরজা জানালায় মশারোধী জাল লাগানো, মশারি ব্যবহার, শরীর ঢাকা পোশাক পরা, পায়ে মোজা পরা ইত্যাদিই উত্তম। সিট্রোনেলা, নিম, ইউক্যালিপটাসের মতো জৈব তেলও কিছু পরিমাণে কাজে লাগানো যেতে পারে।

শাকিবুল হাসান