গলাচিপা আদালত ভবন সংস্কার করা জরুরি

নির্মাণের কুড়ি বছর পেরিয়ে গেলেও ভবনটির কোনো সংস্কারকাজ করা না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম। মূল ভবনে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ফাটল, ছাদ চুইয়ে পড়ে পানি। খসে পড়েছে পিলার-দেয়ালের পলেস্তারা। স্যাঁতসেঁতে শ্যাওলার আস্তরণ। বৃষ্টি হলেই থাকতে হয় আতঙ্কে।

২০০০ সালের ৪ আগস্ট নির্মিত হয় ভবনটি। কিন্তু এরপর হয়নি কোনো সংস্কার। ফলে দিনে দিনে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে একতলা ভবনটি। ভিজে নষ্ট হচ্ছে মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিচারিক আদালত কক্ষ, খাস কামরা, পেশকার, আইনজীবী, নথি সংরক্ষণ কক্ষসহ হাজতখানা। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের এসব কক্ষে আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিনই চলছে বিচারকসহ বিচার প্রার্থী, আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী, পুলিশ ও কোর্ট কর্মচারীদের রুটিন কাজসহ আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। তাই অতি দ্রুত ভবনটির সংস্কারের দাবী জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

নিয়ামুর রশিদ শিহাব

বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১ , ৮ বৈশাখ ১৪২৮ ৮ রমজান ১৪৪২

গলাচিপা আদালত ভবন সংস্কার করা জরুরি

নির্মাণের কুড়ি বছর পেরিয়ে গেলেও ভবনটির কোনো সংস্কারকাজ করা না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম। মূল ভবনে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ফাটল, ছাদ চুইয়ে পড়ে পানি। খসে পড়েছে পিলার-দেয়ালের পলেস্তারা। স্যাঁতসেঁতে শ্যাওলার আস্তরণ। বৃষ্টি হলেই থাকতে হয় আতঙ্কে।

২০০০ সালের ৪ আগস্ট নির্মিত হয় ভবনটি। কিন্তু এরপর হয়নি কোনো সংস্কার। ফলে দিনে দিনে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে একতলা ভবনটি। ভিজে নষ্ট হচ্ছে মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিচারিক আদালত কক্ষ, খাস কামরা, পেশকার, আইনজীবী, নথি সংরক্ষণ কক্ষসহ হাজতখানা। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের এসব কক্ষে আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিনই চলছে বিচারকসহ বিচার প্রার্থী, আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী, পুলিশ ও কোর্ট কর্মচারীদের রুটিন কাজসহ আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। তাই অতি দ্রুত ভবনটির সংস্কারের দাবী জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

নিয়ামুর রশিদ শিহাব