সৈয়দপুরে ধার করা লোক নিয়ে করোনার নমুনা পরীক্ষা : ভোগান্তি রোগীদের

সৈয়দপুরে প্রয়োজনীয় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট না থাকায় প্রতিদিন করোনার নমুনা পরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে না। স্বাস্থ্য বিভাগের একজন এবং ১০০ শয্যা হাসপাতালের ধার করা একজন টেকনোলজিস্ট দিয়ে ঢিলেঢালাভাবে চলছে নমুনা পরীক্ষার কাজ। ফলে প্রতিদিন নমুনা পরীক্ষা না হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন করোনা উপসর্গে আক্রান্ত রোগীরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঘোষিত করোনার উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকিতে থাকা সৈয়দপুর উপজেলায় করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

ফলে করোনা রোগী বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন নমুনা পরীক্ষার দাবি জানিয়েছে উপজেলাবাসী। কিন্তু স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় চালু করা সম্ভব হচ্ছে না নমুনা পরীক্ষা। এ অবস্থায় করোনার নমুনা পরীক্ষা প্রতিদিনের বদলে সপ্তাহে মাত্র তিনদিন করায় এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা। একজন করোনা আক্রান্তকে নমুনা পরীক্ষা করাতে ৪ থেকে ৫ দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার ফলাফল পেতে ৫/৭ দিন সময় লাগছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত মার্চ মাসের শুরুতে নমুনা পরীক্ষায় ৪/৫ জন রোগী আসলেও বর্তমানে তা চার-পাঁচগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে। এ অবস্থায় জনবল বৃদ্ধি জরুরি হয়ে পড়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। তবে করোনা উপসর্গের রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় সপ্তাহে দুই দিনের বদলে তিন দিন করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। সূত্র মতে, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে পর্যাপ্ত লোক নেই। ফলে স্থানীয় ১০০ শয্যা হাসপাতালের একজন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিয়ে নমুনা পরীক্ষার কাজ করানো হচ্ছে। প্রয়োজনীয় টেকনোলজিস্ট সংকটে প্রতিদিন নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।

সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১ , ১৩ বৈশাখ ১৪২৮ ১৩ রমজান ১৪৪২

স্বাস্থ্য বিভাগে জনবল সংকট

সৈয়দপুরে ধার করা লোক নিয়ে করোনার নমুনা পরীক্ষা : ভোগান্তি রোগীদের

প্রতিনিধি, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

সৈয়দপুরে প্রয়োজনীয় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট না থাকায় প্রতিদিন করোনার নমুনা পরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে না। স্বাস্থ্য বিভাগের একজন এবং ১০০ শয্যা হাসপাতালের ধার করা একজন টেকনোলজিস্ট দিয়ে ঢিলেঢালাভাবে চলছে নমুনা পরীক্ষার কাজ। ফলে প্রতিদিন নমুনা পরীক্ষা না হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন করোনা উপসর্গে আক্রান্ত রোগীরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঘোষিত করোনার উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকিতে থাকা সৈয়দপুর উপজেলায় করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

ফলে করোনা রোগী বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন নমুনা পরীক্ষার দাবি জানিয়েছে উপজেলাবাসী। কিন্তু স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় চালু করা সম্ভব হচ্ছে না নমুনা পরীক্ষা। এ অবস্থায় করোনার নমুনা পরীক্ষা প্রতিদিনের বদলে সপ্তাহে মাত্র তিনদিন করায় এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা। একজন করোনা আক্রান্তকে নমুনা পরীক্ষা করাতে ৪ থেকে ৫ দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার ফলাফল পেতে ৫/৭ দিন সময় লাগছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত মার্চ মাসের শুরুতে নমুনা পরীক্ষায় ৪/৫ জন রোগী আসলেও বর্তমানে তা চার-পাঁচগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে। এ অবস্থায় জনবল বৃদ্ধি জরুরি হয়ে পড়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। তবে করোনা উপসর্গের রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় সপ্তাহে দুই দিনের বদলে তিন দিন করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। সূত্র মতে, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে পর্যাপ্ত লোক নেই। ফলে স্থানীয় ১০০ শয্যা হাসপাতালের একজন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিয়ে নমুনা পরীক্ষার কাজ করানো হচ্ছে। প্রয়োজনীয় টেকনোলজিস্ট সংকটে প্রতিদিন নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।