ভারতে অক্সিজেন প্লান্ট ও ভেন্টিলেটর পাঠালো ব্রিটেন

করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত ভারতের জনগণের জন্য তিনটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট (জেনারেটর) এবং ১ হাজার ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছে ব্রিটেন। আর এ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমান আন্তোনভ ১২৪ এয়ারক্রাফট। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নর্দার্ন আয়ার?ল্যান্ডের বেলফাস্ট শহরের বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে আন্তোনভ ১২৪। এনডিটিভি

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যে তিনটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট ভারতে পাঠানো হয়েছে সেগুলোর প্রতিটির ওজন ৬ টন এবং ৪০ ফুট প্রশস্ত। এক একটি প্ল্যান্ট বা জেনারেটর প্রতি মিনিটে ৫০০ লিটার অক্সিজেন উৎপাদনে সক্ষম। প্রতিটি প্ল্যান্ট উৎপাদিত অক্সিজেন একই সময়ে ৫০ জন মানুষ নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। এই ত্রাণ পাঠানো সংক্রান্ত যাবতীয় কাজের অর্থায়ন এসেছে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন বিভাগ থেকে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, দিল্লিতে পৌঁছানোর পার বিমানবন্দর থেকে সেগুলো সংগ্রহ করবেন রেডক্রস ভারতীয় বাহিনীর সদস্যরা। ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব এক বার্তায় বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে যে অক্সিজেন প্ল্যান্টগুলো পাঠানো হয়েছিল, সেখানকার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় অতিরিক্ত তিনটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট ভারতে পাঠানো হলো। প্রাণ রক্ষাকারী এসব সরঞ্জাম ভারতের হাসপাতালগুলোতে সংকটাপন্ন রোগীদের কাজে আসবে বলে আশা করছি আমরা।

এই মহামারী থেকে পরিত্রাণ পেতে যুক্তরাজ্য ও ভারত একসঙ্গে কাজ করছে। কেউই নিরাপদ না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সবাইকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হচ্ছে। পৃথক এক বার্তায় ব্রিটেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেন, ‘ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের হৃদয় ভেঙে যাওয়ার মতো অবস্থায় আছে। এই দুরূহ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতের বন্ধু হিসেবে আমরা সবসময় আছি এবং থাকব।’

সবশেষ এই সহায়তার বিষয়ে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিলো এবং গত মাসেই যুক্তরাজ্য থেকে ২০০ ভেন্টিলেটর ও ৪৯৫টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ভারতে পাঠানো হয়, যার তহবিলও দিয়েছে এফসিডিও। এই সহায়তা প্যাকেজের সঞ্জামাদির যোগনদাতা যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সামাজিক সুরক্ষা বিভাগ (ডিএইচএসসি)।

সহায়তা সরঞ্জামগুলো বিমানে তোলার কাজ পর্যবেক্ষণ করতে বেলফাস্ট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন নর্দান আয়ারল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবিন সোয়ান।

রবিবার, ০৯ মে ২০২১ , ২৬ বৈশাখ ১৪২৮ ২৬ রমজান ১৪৪২

ভারতে অক্সিজেন প্লান্ট ও ভেন্টিলেটর পাঠালো ব্রিটেন

করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত ভারতের জনগণের জন্য তিনটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট (জেনারেটর) এবং ১ হাজার ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছে ব্রিটেন। আর এ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমান আন্তোনভ ১২৪ এয়ারক্রাফট। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নর্দার্ন আয়ার?ল্যান্ডের বেলফাস্ট শহরের বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে আন্তোনভ ১২৪। এনডিটিভি

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যে তিনটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট ভারতে পাঠানো হয়েছে সেগুলোর প্রতিটির ওজন ৬ টন এবং ৪০ ফুট প্রশস্ত। এক একটি প্ল্যান্ট বা জেনারেটর প্রতি মিনিটে ৫০০ লিটার অক্সিজেন উৎপাদনে সক্ষম। প্রতিটি প্ল্যান্ট উৎপাদিত অক্সিজেন একই সময়ে ৫০ জন মানুষ নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। এই ত্রাণ পাঠানো সংক্রান্ত যাবতীয় কাজের অর্থায়ন এসেছে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন বিভাগ থেকে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, দিল্লিতে পৌঁছানোর পার বিমানবন্দর থেকে সেগুলো সংগ্রহ করবেন রেডক্রস ভারতীয় বাহিনীর সদস্যরা। ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব এক বার্তায় বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে যে অক্সিজেন প্ল্যান্টগুলো পাঠানো হয়েছিল, সেখানকার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় অতিরিক্ত তিনটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট ভারতে পাঠানো হলো। প্রাণ রক্ষাকারী এসব সরঞ্জাম ভারতের হাসপাতালগুলোতে সংকটাপন্ন রোগীদের কাজে আসবে বলে আশা করছি আমরা।

এই মহামারী থেকে পরিত্রাণ পেতে যুক্তরাজ্য ও ভারত একসঙ্গে কাজ করছে। কেউই নিরাপদ না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সবাইকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হচ্ছে। পৃথক এক বার্তায় ব্রিটেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেন, ‘ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের হৃদয় ভেঙে যাওয়ার মতো অবস্থায় আছে। এই দুরূহ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতের বন্ধু হিসেবে আমরা সবসময় আছি এবং থাকব।’

সবশেষ এই সহায়তার বিষয়ে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিলো এবং গত মাসেই যুক্তরাজ্য থেকে ২০০ ভেন্টিলেটর ও ৪৯৫টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ভারতে পাঠানো হয়, যার তহবিলও দিয়েছে এফসিডিও। এই সহায়তা প্যাকেজের সঞ্জামাদির যোগনদাতা যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সামাজিক সুরক্ষা বিভাগ (ডিএইচএসসি)।

সহায়তা সরঞ্জামগুলো বিমানে তোলার কাজ পর্যবেক্ষণ করতে বেলফাস্ট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন নর্দান আয়ারল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবিন সোয়ান।