চিঠিপত্র

বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হোক দেশ

বেকারত্বের পাল্লা ভারি হয়েছে করোনার কারণে। প্রায় দুই বছর হতে লাগলো করোনা তাণ্ডব চালাচ্ছে দেশে। করোনার কারণে অনেক বেসরকারি কোম্পানি ছাঁটাই করেছে তাদের কর্মীদের। যে কারণে কর্মচ্যুত হয়ে আর্থিক টানাপড়েনের সঙ্গে হতাশায় ডুবে গেছে অনেকে। করোনার কারণে কর্মসংস্থানে যেতে পারছে না সদ্য অনার্স পাস করা শিক্ষার্থীরা ও। করোনার কারণে সরকারি চাকরির নিয়োগ ও কমে গেছে। শুধু ভাইভা কিংবা একটি পরীক্ষার জন্য অনেকে বিভিন্ন চাকরির জন্য যোগ্য হতে পারছে না। যে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি পার্টটাইম জব কিংবা টিউশনি করে আর্থিক উপার্জন করে নিজের ও পরিবারের খরচ চালাতো তারা আজ ঘর বন্দি হয়ে হতাশায় অতিবাহিত করছে দিন।

বেসরকারি ফার্ম বা কোম্পানিগুলোতে কাজের সুযোগ থাকলেও পরিশ্রম অনুযায়ী তাদের সম্মানী দেয়া হয় না। চাকরিপ্রত্যাশীদের সংখ্যা বাড়ায় এদিকটায় সুযোগ নিচ্ছে তারা। ঘুষ ছাড়া চাকরি যেন সোনার হরিণ। মধ্যবিত্ত পরিবারের চাকরিপ্রত্যাশীরা চাকরির জন্য জায়গা জমি বিক্রি করছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে অনেকেরই চাকরি হচ্ছে না, কারণ অনেক দালাল চক্র চাকরি দেয়ার লোভ দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এদিকটায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মধ্যবিত্তরাই।

বেকারত্ব ঘোঁচাতে সবচেয়ে জরুরি হলো শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সম্পর্ক স্থাপনের। শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য নিজেকে গড়ে তোলা জরুরি। এ জন্য দরকার বিভিন্ন ট্রেনিং। সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংস্থা উদ্যোক্তাদের ট্রেনিং দিলেও ট্রেনিংয়ের মেয়াদ কম। তাছাড়াও ট্রেনিং নিতে প্রয়োজন হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ অর্থ। সরকারিভাবে ট্রেনিংয়ের সুযোগ বাড়ানো উচিত। বেসরকারিভাবে যারা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন তাদের উচিত প্রশিক্ষণ ফি নাগালের মধ্যে রাখা।

বিশাল সাহা

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ, ঢাকা

মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১ , ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ ৫ শাওয়াল ১৪৪২

চিঠিপত্র

বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হোক দেশ

বেকারত্বের পাল্লা ভারি হয়েছে করোনার কারণে। প্রায় দুই বছর হতে লাগলো করোনা তাণ্ডব চালাচ্ছে দেশে। করোনার কারণে অনেক বেসরকারি কোম্পানি ছাঁটাই করেছে তাদের কর্মীদের। যে কারণে কর্মচ্যুত হয়ে আর্থিক টানাপড়েনের সঙ্গে হতাশায় ডুবে গেছে অনেকে। করোনার কারণে কর্মসংস্থানে যেতে পারছে না সদ্য অনার্স পাস করা শিক্ষার্থীরা ও। করোনার কারণে সরকারি চাকরির নিয়োগ ও কমে গেছে। শুধু ভাইভা কিংবা একটি পরীক্ষার জন্য অনেকে বিভিন্ন চাকরির জন্য যোগ্য হতে পারছে না। যে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি পার্টটাইম জব কিংবা টিউশনি করে আর্থিক উপার্জন করে নিজের ও পরিবারের খরচ চালাতো তারা আজ ঘর বন্দি হয়ে হতাশায় অতিবাহিত করছে দিন।

বেসরকারি ফার্ম বা কোম্পানিগুলোতে কাজের সুযোগ থাকলেও পরিশ্রম অনুযায়ী তাদের সম্মানী দেয়া হয় না। চাকরিপ্রত্যাশীদের সংখ্যা বাড়ায় এদিকটায় সুযোগ নিচ্ছে তারা। ঘুষ ছাড়া চাকরি যেন সোনার হরিণ। মধ্যবিত্ত পরিবারের চাকরিপ্রত্যাশীরা চাকরির জন্য জায়গা জমি বিক্রি করছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে অনেকেরই চাকরি হচ্ছে না, কারণ অনেক দালাল চক্র চাকরি দেয়ার লোভ দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এদিকটায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মধ্যবিত্তরাই।

বেকারত্ব ঘোঁচাতে সবচেয়ে জরুরি হলো শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সম্পর্ক স্থাপনের। শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য নিজেকে গড়ে তোলা জরুরি। এ জন্য দরকার বিভিন্ন ট্রেনিং। সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংস্থা উদ্যোক্তাদের ট্রেনিং দিলেও ট্রেনিংয়ের মেয়াদ কম। তাছাড়াও ট্রেনিং নিতে প্রয়োজন হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ অর্থ। সরকারিভাবে ট্রেনিংয়ের সুযোগ বাড়ানো উচিত। বেসরকারিভাবে যারা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন তাদের উচিত প্রশিক্ষণ ফি নাগালের মধ্যে রাখা।

বিশাল সাহা

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ, ঢাকা