ওয়ালটনের কারখানা পরিদর্শন জার্মান রাষ্ট্রদূতের

ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহল্টস বলেছেন, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশের এ সাফল্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ওয়ালটন। তারা হাইকোয়ালিটি পণ্য তৈরি করছে। জার্মানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওয়ালটন পণ্য রপ্তানি করছে। ওয়ালটন কারখানার কর্মপরিবেশ ও বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখে আমি মুগ্ধ।

সম্প্রতি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন জার্মান রাষ্ট্রদূত। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন কনস্টানজা জেরিংগার। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে তারা বাংলাদেশে তৈরি ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন শিল্পের অভাবনীয় অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন।

কারখানা কমপ্লেক্সে জার্মান প্রতিনিধিদলকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ। সে সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হুমায়ূন কবীর ও আলমগীর আলম সরকার, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ইউনিটের (আইবিইউ) প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম, নির্বাহী পরিচালক কর্নেল (অব.) শাহাদাত আলম, উদয় হাকিম, ইউসুফ আলী, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ফিরোজ আলম, নির্বাহী পরিচালক আমিন খান, শাহজাদা সেলিম, ইয়াসির আল ইমরান, রাকিব উদ্দীন, ওয়ালটনের ইউরোপীয়ান মার্কেট হেড তাওসীফ আল মাহমুদ, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রেজাউল ইসলাম মিনার প্রমুখ।

জার্মান রাষ্ট্রদূত এবং ডেপুটি হেড অব মিশন প্রথমে ওয়ালটন কারখানায় বিশাল কর্মযজ্ঞ এবং জার্মানিতে ওয়ালটন পণ্যের রপ্তানি ও কার্যক্রমের ওপর নির্মিত ভিডিও ডক্যুমেন্টারি উপভোগ করেন। এরপর জার্মান প্রতিনিধিদল ওয়ালটনের বিশ্বমানের রেফ্রিজারেটর উৎপাদন প্রক্রিয়া সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে যান। পর্যায়ক্রমে অতিথিরা ওয়ালটনের কম্প্রেসর, এলইডি টেলিভিশন, এলজিপি-এলডিপি, মাদারবোর্ড উৎপাদন এবং প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে জার্মান রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ওয়ালটনের লক্ষ্য বেস্ট কোয়ালিটি প্রোডাক্ট তৈরি করা। সেজন্য তারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে। যার বেশিরভাগই জার্মানির। ওয়ালটন কারখানার কর্মপরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর। তারা বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল পুনঃব্যবহার করছে। যা খুবই ইমপ্রেসিভ। গ্লোবাল ব্র্যান্ড হয়ে উঠার সব যোগ্যতা ও সামর্থ্য ওয়ালটনের রয়েছে। ডেপুটি হেড অব মিশন কনস্টানজা জেরিংগার বলেন, ওয়ালটন কারখানার সুযোগ-সুবিধা, দক্ষ কর্মী, কাজের ধরন সব কিছু দেখে আমি অবিভূত। এখানে সব কিছুই অত্যন্ত গোছানো। আমি ওয়ালটনের সাফল্য কামনা করছি। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ বলেন, জার্মানিকে বলা হয় ‘ফাদার অব টেকনোলজি’।

শনিবার, ০৫ জুন ২০২১ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ ২৩ শাওয়াল ১৪৪২

ওয়ালটনের কারখানা পরিদর্শন জার্মান রাষ্ট্রদূতের

ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহল্টস বলেছেন, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশের এ সাফল্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ওয়ালটন। তারা হাইকোয়ালিটি পণ্য তৈরি করছে। জার্মানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওয়ালটন পণ্য রপ্তানি করছে। ওয়ালটন কারখানার কর্মপরিবেশ ও বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখে আমি মুগ্ধ।

সম্প্রতি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন জার্মান রাষ্ট্রদূত। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন কনস্টানজা জেরিংগার। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে তারা বাংলাদেশে তৈরি ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন শিল্পের অভাবনীয় অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন।

কারখানা কমপ্লেক্সে জার্মান প্রতিনিধিদলকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ। সে সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হুমায়ূন কবীর ও আলমগীর আলম সরকার, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ইউনিটের (আইবিইউ) প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম, নির্বাহী পরিচালক কর্নেল (অব.) শাহাদাত আলম, উদয় হাকিম, ইউসুফ আলী, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ফিরোজ আলম, নির্বাহী পরিচালক আমিন খান, শাহজাদা সেলিম, ইয়াসির আল ইমরান, রাকিব উদ্দীন, ওয়ালটনের ইউরোপীয়ান মার্কেট হেড তাওসীফ আল মাহমুদ, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রেজাউল ইসলাম মিনার প্রমুখ।

জার্মান রাষ্ট্রদূত এবং ডেপুটি হেড অব মিশন প্রথমে ওয়ালটন কারখানায় বিশাল কর্মযজ্ঞ এবং জার্মানিতে ওয়ালটন পণ্যের রপ্তানি ও কার্যক্রমের ওপর নির্মিত ভিডিও ডক্যুমেন্টারি উপভোগ করেন। এরপর জার্মান প্রতিনিধিদল ওয়ালটনের বিশ্বমানের রেফ্রিজারেটর উৎপাদন প্রক্রিয়া সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে যান। পর্যায়ক্রমে অতিথিরা ওয়ালটনের কম্প্রেসর, এলইডি টেলিভিশন, এলজিপি-এলডিপি, মাদারবোর্ড উৎপাদন এবং প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে জার্মান রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ওয়ালটনের লক্ষ্য বেস্ট কোয়ালিটি প্রোডাক্ট তৈরি করা। সেজন্য তারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে। যার বেশিরভাগই জার্মানির। ওয়ালটন কারখানার কর্মপরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর। তারা বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল পুনঃব্যবহার করছে। যা খুবই ইমপ্রেসিভ। গ্লোবাল ব্র্যান্ড হয়ে উঠার সব যোগ্যতা ও সামর্থ্য ওয়ালটনের রয়েছে। ডেপুটি হেড অব মিশন কনস্টানজা জেরিংগার বলেন, ওয়ালটন কারখানার সুযোগ-সুবিধা, দক্ষ কর্মী, কাজের ধরন সব কিছু দেখে আমি অবিভূত। এখানে সব কিছুই অত্যন্ত গোছানো। আমি ওয়ালটনের সাফল্য কামনা করছি। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ বলেন, জার্মানিকে বলা হয় ‘ফাদার অব টেকনোলজি’।