গভীর রাতে হিন্দুদের বাড়ি অবরুদ্ধ করে হুমকি

শহরের ১৪নং পৌর ওয়ার্ডের বাবুরহাটে রাতের আঁধারে সনাতনধর্মালম্বীর কয়েকটি বাড়ি-ঘর অবরুদ্ধ করে তাদের ‘দেখে নেয়ার হুমকি’ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) সুদীপ্ত রায় জানান, আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। গত ৬ই জুন রোববার গভীররাতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, রতন, বিজয়, বিনয়, বিপ্লব, সুমন পালের বাড়ির ঘটনার বেশ কিছু ফুটেজ বাবুরহাট কলেজের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। পুলিশ তা চেষ্টা চালাচ্ছে । গত মঙ্গলবার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সোহাগ চন্দ্র সরকা জানান, ঘুমিয়ে ছিলাম। শব্দ পাচ্ছিলাম জানালার মধ্যে কে বা কারা ধাক্কা দিচ্ছে। উঠলাম। তখন ছাদেও ৪/৫ জনের পায়ের শব্দ শুনতে পাই। তারপর দরজার সামনে আসলাম। ওরা ওপাশ থেকে দরজা খোলার জন্য বার বার নক্ট করছিলো। পরে লোকজনকে ডেকে উঠিয়েছি। এরপরে ওরা পালিয়েছে। আমরা এখনো প্রচন্ড আতংকে আছি। পাশের বিল্ডিংয়ের লিটন চক্রবর্তী জানান, আমার ভাই মোবাইলে তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যেতে বললে গিয়ে দেখি দরজা বাইরে থেকে আটকানো। অন্যদের সাহায্যে ভাইয়ের বাসায় যাই। দেখি ভাইয়ের বাসার দরজাও আটকানো। সকালে পশু জবাইয়ের বড় ছুড়ি পাই । আমরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি। এ বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে চাঁদপুর পুলিশের কর্মকর্তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি।

তবে এ বিষয়ে চাঁদপুরের সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি এবং বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর অধ্যক্ষ মো. মোশারেফ হোসেন জানান, বিষয়টিকে সহজভাবে দেখার সুযোগ নেই। এলাকায় শান্তিবিরাজ করতে হলে পুলিশকে আরো অধিকতর তদন্ত করার প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি।

বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১ , ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ ২৮ শাওয়াল ১৪৪২

গভীর রাতে হিন্দুদের বাড়ি অবরুদ্ধ করে হুমকি

শহরের ১৪নং পৌর ওয়ার্ডের বাবুরহাটে রাতের আঁধারে সনাতনধর্মালম্বীর কয়েকটি বাড়ি-ঘর অবরুদ্ধ করে তাদের ‘দেখে নেয়ার হুমকি’ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) সুদীপ্ত রায় জানান, আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। গত ৬ই জুন রোববার গভীররাতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, রতন, বিজয়, বিনয়, বিপ্লব, সুমন পালের বাড়ির ঘটনার বেশ কিছু ফুটেজ বাবুরহাট কলেজের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। পুলিশ তা চেষ্টা চালাচ্ছে । গত মঙ্গলবার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সোহাগ চন্দ্র সরকা জানান, ঘুমিয়ে ছিলাম। শব্দ পাচ্ছিলাম জানালার মধ্যে কে বা কারা ধাক্কা দিচ্ছে। উঠলাম। তখন ছাদেও ৪/৫ জনের পায়ের শব্দ শুনতে পাই। তারপর দরজার সামনে আসলাম। ওরা ওপাশ থেকে দরজা খোলার জন্য বার বার নক্ট করছিলো। পরে লোকজনকে ডেকে উঠিয়েছি। এরপরে ওরা পালিয়েছে। আমরা এখনো প্রচন্ড আতংকে আছি। পাশের বিল্ডিংয়ের লিটন চক্রবর্তী জানান, আমার ভাই মোবাইলে তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যেতে বললে গিয়ে দেখি দরজা বাইরে থেকে আটকানো। অন্যদের সাহায্যে ভাইয়ের বাসায় যাই। দেখি ভাইয়ের বাসার দরজাও আটকানো। সকালে পশু জবাইয়ের বড় ছুড়ি পাই । আমরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি। এ বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে চাঁদপুর পুলিশের কর্মকর্তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি।

তবে এ বিষয়ে চাঁদপুরের সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি এবং বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর অধ্যক্ষ মো. মোশারেফ হোসেন জানান, বিষয়টিকে সহজভাবে দেখার সুযোগ নেই। এলাকায় শান্তিবিরাজ করতে হলে পুলিশকে আরো অধিকতর তদন্ত করার প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি।