সুর সৃষ্টিতে মগ্ন শেখ জসিম

শেখ জসিম, বাংলাদেশের শ্রোতা সমাদৃত একজন উচ্চাঙ্গ সংগীত শিল্পী। পাশাপাশি একজন গুণী সুরকারও বটে। উচ্চাঙ্গ সংগীতেরই একটি অংশ বলে গজলের সঙ্গেই তার সম্পৃক্ততাটা একটু বেশি। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি ছিলো তার টান। কারণ পারিবারিকভাবে গানের চর্র্চাটা ছিল। তার বাবা ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। নজরুল গবেষক আব্দুস সাত্তারের কাছে তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম গানে তালিম নিতেন। মূলত সেই ভাইয়ের কাছেই শেখ জসিমের গানে তালিম নেয়া শুরু। রাজধানীর মগবাজারে সিদ্ধেশ^রী বয়েজ স্কুলে পড়ার সময় তদানীন্তন রেডক্রস আয়োজিত সংগীত প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন ফোক গানে। তার এই সাফল্যে তার মা খুব খুশি হন। মা তাকে ২৪০ টাকা দিয়ে একটি হারমোনিয়াম কিনে দেন। সখ্য শুরু শেখ জসিমের হারমোনিয়ামের সঙ্গে এবং গানের প্রতি ভালোলাগা আরো

বেড়ে যায় তার। পরবর্তীতে নানান সময়ে উচ্চাঙ্গ সংগীতে ওস্তাদ মফিজুল ইসলাম, ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদ, ওস্তাদ আখতার সাদমানী, নজরুল সংগীতে শেখ লুৎফর রহমান, সুধীন দাস, সোহরাব হোসেন, আব্দুল লতিফ, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে জগনানন্দ বড়–য়া এবং সর্বশেষ ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওস্তাদ সাগীর উদ্দিন খাঁ’র কাছেও তালিম নেন। খোদা বক্স সাইজির কাছেও এক বছর লালনের গানের তালিম নেন। নব্বই দশকের শুরুতে শেখ জসিম নিজের সুরে ১০টি গজল ও ১২টি সেমি ক্ল্যাসিক্যাল ঘরানার আধুনিক গান নিজের কণ্ঠে তুলে নেন। তবে নানান সময়ে শেখ জসিমের সুরে এই দেশের অনেক প্রতিথযশা সংগীতশিল্পীও গান গেয়েছেন। সেসব গান হয়েছে সমাদৃত।

শেখ জসিম বলেন, ‘২০১৯ সালের শেষ সময়ে এসে চিন্তা করলাম অনেক প্রযোজক এবং সংগীতশিল্পীরা যেহেতু আগ্রহ প্রকাশ করছে আমার সুরে গান করানোর; সে কারণে আমি পেশাগতভাবেই সুর সৃষ্টিতে মনোযোগী হয়ে উঠলাম। গানের বাইরে এ জীবনে আর কোনকিছু করার ভাবনা নেই আমার।’

শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১ , ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ ২৯ শাওয়াল ১৪৪২

সুর সৃষ্টিতে মগ্ন শেখ জসিম

image

শেখ জসিম, বাংলাদেশের শ্রোতা সমাদৃত একজন উচ্চাঙ্গ সংগীত শিল্পী। পাশাপাশি একজন গুণী সুরকারও বটে। উচ্চাঙ্গ সংগীতেরই একটি অংশ বলে গজলের সঙ্গেই তার সম্পৃক্ততাটা একটু বেশি। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি ছিলো তার টান। কারণ পারিবারিকভাবে গানের চর্র্চাটা ছিল। তার বাবা ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। নজরুল গবেষক আব্দুস সাত্তারের কাছে তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম গানে তালিম নিতেন। মূলত সেই ভাইয়ের কাছেই শেখ জসিমের গানে তালিম নেয়া শুরু। রাজধানীর মগবাজারে সিদ্ধেশ^রী বয়েজ স্কুলে পড়ার সময় তদানীন্তন রেডক্রস আয়োজিত সংগীত প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন ফোক গানে। তার এই সাফল্যে তার মা খুব খুশি হন। মা তাকে ২৪০ টাকা দিয়ে একটি হারমোনিয়াম কিনে দেন। সখ্য শুরু শেখ জসিমের হারমোনিয়ামের সঙ্গে এবং গানের প্রতি ভালোলাগা আরো

বেড়ে যায় তার। পরবর্তীতে নানান সময়ে উচ্চাঙ্গ সংগীতে ওস্তাদ মফিজুল ইসলাম, ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদ, ওস্তাদ আখতার সাদমানী, নজরুল সংগীতে শেখ লুৎফর রহমান, সুধীন দাস, সোহরাব হোসেন, আব্দুল লতিফ, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে জগনানন্দ বড়–য়া এবং সর্বশেষ ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওস্তাদ সাগীর উদ্দিন খাঁ’র কাছেও তালিম নেন। খোদা বক্স সাইজির কাছেও এক বছর লালনের গানের তালিম নেন। নব্বই দশকের শুরুতে শেখ জসিম নিজের সুরে ১০টি গজল ও ১২টি সেমি ক্ল্যাসিক্যাল ঘরানার আধুনিক গান নিজের কণ্ঠে তুলে নেন। তবে নানান সময়ে শেখ জসিমের সুরে এই দেশের অনেক প্রতিথযশা সংগীতশিল্পীও গান গেয়েছেন। সেসব গান হয়েছে সমাদৃত।

শেখ জসিম বলেন, ‘২০১৯ সালের শেষ সময়ে এসে চিন্তা করলাম অনেক প্রযোজক এবং সংগীতশিল্পীরা যেহেতু আগ্রহ প্রকাশ করছে আমার সুরে গান করানোর; সে কারণে আমি পেশাগতভাবেই সুর সৃষ্টিতে মনোযোগী হয়ে উঠলাম। গানের বাইরে এ জীবনে আর কোনকিছু করার ভাবনা নেই আমার।’