হিমাগার শিল্পে আয়কর কমানোর দাবি

আগামী বাজেটে হিমাগার শিল্পের আয়কর ৩৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে হ্রাস করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএসএ)। গতকাল সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘হিমাগার শিল্প বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষিভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব শিল্প খাত। দেশের ৪ শতাধিক হিমাগার আলু ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করে খাদ্যের ভারসাম্য রক্ষাকল্পে অবিরাম সেবায় নিয়োজিত থেকে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করছে। হিমাগার শিল্প খাতের আয়কর ৩৫ শতাংশ হারে ধার্য করা হয়েছে। অথচ কৃষিবান্ধব সরকার কৃষি আয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করে এবং কৃষি উন্নয়ন আরও উৎসাহিত করতে ১৯৮৪ সালের আওতায় এসআর ও আয়কর অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে হ্রাসকৃত করহার অনুমোদন করেছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে হিমাগার শিল্পের আয়কর ৩৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১০ শতাংশ ধার্য করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের লক্ষ্যে অ্যাসোসিয়েশন আয়কর হ্রাসের জন্য সরকারকে বিসিএসএ এই প্রস্তাব করে। হিমাগার শিল্প খাতে আয়কর ১০ শতাংশে হ্রাস করার জন্য সম্প্রতি সরকারকে প্রস্তাব করায় অ্যাসোসিয়েশন এফবিসিসিআইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘দেশের সব হিমাগার ঋণের ভারে জর্জরিত এবং রুগ্ন শিল্প হিসেবে পরিগণিত। বর্তমান আইনে পাটজাত দ্রব্য উৎপাদনে আয়কর ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। হাঁস-মুরগির খাদ্য উৎপাদন, গবাদি পশু, চিংড়ি ও মাছের খাদ্য উৎপাদন, বীজ উৎপাদন, বীজ বিপণন, গবাদি পশুর খামার, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের খামার, ব্যাঙ উৎপাদন, উদ্যান খামার প্রকল্প, তুঁত ও মৌমাছির চাষ, রেশম- গুটিপোকার খামার ও ফুল চাষের ওপর আয়কর হ্রাস করা হয়েছে যা হিমাগার শিল্পের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা যুক্তিসঙ্গত। এই শিল্পের আয়কর হ্রাস করা হলে হিমাগার মালিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আয়কর প্রদান করবেন, আলু চাষিরা উপকৃত হবে এবং সরকারও লাভবান হবেন।’

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১ , ৪ আষাড় ১৪২৮ ৬ জিলকদ ১৪৪২

হিমাগার শিল্পে আয়কর কমানোর দাবি

আগামী বাজেটে হিমাগার শিল্পের আয়কর ৩৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে হ্রাস করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএসএ)। গতকাল সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘হিমাগার শিল্প বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষিভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব শিল্প খাত। দেশের ৪ শতাধিক হিমাগার আলু ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করে খাদ্যের ভারসাম্য রক্ষাকল্পে অবিরাম সেবায় নিয়োজিত থেকে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করছে। হিমাগার শিল্প খাতের আয়কর ৩৫ শতাংশ হারে ধার্য করা হয়েছে। অথচ কৃষিবান্ধব সরকার কৃষি আয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করে এবং কৃষি উন্নয়ন আরও উৎসাহিত করতে ১৯৮৪ সালের আওতায় এসআর ও আয়কর অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে হ্রাসকৃত করহার অনুমোদন করেছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে হিমাগার শিল্পের আয়কর ৩৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১০ শতাংশ ধার্য করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের লক্ষ্যে অ্যাসোসিয়েশন আয়কর হ্রাসের জন্য সরকারকে বিসিএসএ এই প্রস্তাব করে। হিমাগার শিল্প খাতে আয়কর ১০ শতাংশে হ্রাস করার জন্য সম্প্রতি সরকারকে প্রস্তাব করায় অ্যাসোসিয়েশন এফবিসিসিআইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘দেশের সব হিমাগার ঋণের ভারে জর্জরিত এবং রুগ্ন শিল্প হিসেবে পরিগণিত। বর্তমান আইনে পাটজাত দ্রব্য উৎপাদনে আয়কর ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। হাঁস-মুরগির খাদ্য উৎপাদন, গবাদি পশু, চিংড়ি ও মাছের খাদ্য উৎপাদন, বীজ উৎপাদন, বীজ বিপণন, গবাদি পশুর খামার, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের খামার, ব্যাঙ উৎপাদন, উদ্যান খামার প্রকল্প, তুঁত ও মৌমাছির চাষ, রেশম- গুটিপোকার খামার ও ফুল চাষের ওপর আয়কর হ্রাস করা হয়েছে যা হিমাগার শিল্পের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা যুক্তিসঙ্গত। এই শিল্পের আয়কর হ্রাস করা হলে হিমাগার মালিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আয়কর প্রদান করবেন, আলু চাষিরা উপকৃত হবে এবং সরকারও লাভবান হবেন।’