নবীনগরে ১৬ বছরেও সংস্কার হয়নি কালঘড়া শ্যামগ্রাম সড়ক

দুর্ভোগে ৭ গ্রামের মানুষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কালঘড়া বাজার থেকে শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর স্কুল পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা চলাচরের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ইটের সলিং উঠে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার ৭টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি দিয়ে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ কলেজ ও মাদ্রাসার সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ চলাচল করে। এ ছাড়া ৩টি বাজারে যাওয়ার রাস্তাও এটি। উপজেলার রছুল্লাবাদ ও শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের আওতাধীন এই রাস্তাটিতে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলারও অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিগত ১৬ বছরেও এই সড়কটির কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। এতে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। একজন কলেজ শিক্ষার্থী জানায়, এই রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী না হওয়ায়, আমাদেরকে ৩ কিলোমিটার ঘুরে কলেজে যেতে হয়? রাস্তাটি সংস্কার হলে আমরা দ্রুত এবং কম খরচে কলেজে আসা যাওয়া করতে পারব। স্থানীয় বাসিন্দা ডা. শফিকুর রহমান বলেন- এই রাস্তাটি সংস্কার হলে উপজেলার পশ্চিম অঞ্চলের লোকজনের উপজেলা সদরে যাতায়াত সহজ হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির জানান রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করে জনদুর্ভোগ লাগব করা হবে।

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১ , ৪ আষাড় ১৪২৮ ৬ জিলকদ ১৪৪২

নবীনগরে ১৬ বছরেও সংস্কার হয়নি কালঘড়া শ্যামগ্রাম সড়ক

দুর্ভোগে ৭ গ্রামের মানুষ
image

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : কালঘড়া বাজার থেকে শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর স্কুল পর্যন্ত বেহাল রাস্তা -সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কালঘড়া বাজার থেকে শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর স্কুল পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা চলাচরের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ইটের সলিং উঠে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার ৭টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি দিয়ে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ কলেজ ও মাদ্রাসার সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ চলাচল করে। এ ছাড়া ৩টি বাজারে যাওয়ার রাস্তাও এটি। উপজেলার রছুল্লাবাদ ও শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের আওতাধীন এই রাস্তাটিতে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলারও অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিগত ১৬ বছরেও এই সড়কটির কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। এতে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। একজন কলেজ শিক্ষার্থী জানায়, এই রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী না হওয়ায়, আমাদেরকে ৩ কিলোমিটার ঘুরে কলেজে যেতে হয়? রাস্তাটি সংস্কার হলে আমরা দ্রুত এবং কম খরচে কলেজে আসা যাওয়া করতে পারব। স্থানীয় বাসিন্দা ডা. শফিকুর রহমান বলেন- এই রাস্তাটি সংস্কার হলে উপজেলার পশ্চিম অঞ্চলের লোকজনের উপজেলা সদরে যাতায়াত সহজ হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির জানান রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করে জনদুর্ভোগ লাগব করা হবে।