শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় শিক্ষক গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে নির্দয়ভাবে পেটানোর অভিযোগে গোলাম মোস্তফা (৩৫) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম আদালতের মাধ্যমে ওই শিক্ষককে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের আবু হোরায়রা নুরানী মাদ্রাসায় নির্যাতিত শিশুটিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী ঘুমাচ্ছিল। বেলা ১১টার দিকে শিক্ষক হাফেজ গোলাম মোস্তফা শিক্ষার্থীদের ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে বেত্রাঘাত করতে থাকেন। এতে সজীব, কাউসার, ফাহিম, মিশকাত ও মোস্তফা মিয়া নামে ৫ শিশু আহত হয়। এরপর ঘটনা ধামাচাপা দিতে আহত শিক্ষার্থীদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন তিনি। তাদের মধ্যে শরীফুল ইসলাম সজীব (১০) নামে নুরানী দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী শরীরে গুরুতর জখম নিয়ে অসুস্থ হয়ে পরে। খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থীর এক আত্মীয় শিশুটিকে মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। এরপর তার বাড়িতে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে আহত শিক্ষার্থীর বাবা রৌমারী পাড়ার ফুলমিয়া বুধবার রাতেই বাদি হয়ে হাফেজ গোলাম মোস্তফাকে আসামী করে রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পেয়ে রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে রৌমারী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার ফুলপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছির বিল্লাহ জানান, এক শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগে গোলাম মোস্তফা নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শনিবার, ১৯ জুন ২০২১ , ৫ আষাঢ় ১৪২৮ ৭ জিলকদ ১৪৪২

শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় শিক্ষক গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে নির্দয়ভাবে পেটানোর অভিযোগে গোলাম মোস্তফা (৩৫) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম আদালতের মাধ্যমে ওই শিক্ষককে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের আবু হোরায়রা নুরানী মাদ্রাসায় নির্যাতিত শিশুটিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী ঘুমাচ্ছিল। বেলা ১১টার দিকে শিক্ষক হাফেজ গোলাম মোস্তফা শিক্ষার্থীদের ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে বেত্রাঘাত করতে থাকেন। এতে সজীব, কাউসার, ফাহিম, মিশকাত ও মোস্তফা মিয়া নামে ৫ শিশু আহত হয়। এরপর ঘটনা ধামাচাপা দিতে আহত শিক্ষার্থীদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন তিনি। তাদের মধ্যে শরীফুল ইসলাম সজীব (১০) নামে নুরানী দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী শরীরে গুরুতর জখম নিয়ে অসুস্থ হয়ে পরে। খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থীর এক আত্মীয় শিশুটিকে মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। এরপর তার বাড়িতে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে আহত শিক্ষার্থীর বাবা রৌমারী পাড়ার ফুলমিয়া বুধবার রাতেই বাদি হয়ে হাফেজ গোলাম মোস্তফাকে আসামী করে রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পেয়ে রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে রৌমারী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার ফুলপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছির বিল্লাহ জানান, এক শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগে গোলাম মোস্তফা নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।