মার্কিন ও ইরান প্রেসিডেন্ট পরস্পর বৈঠকে বসতে নারাজ

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে বৈঠকের কোন পরিকল্পনা নেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের। এদিকে জো বাইডেনের সঙ্গেও কোন ধরনের বৈঠকে বসবেন না বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন ইরানের ইব্রাহিম রাইসি। রয়টার্স

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম রাইসি ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের পরমাণু আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তার সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতের কোন সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। এমনকী, ওয়াশিংটন ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও নয়। তবে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি জানিয়েছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে ইরানে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও দেশটিতে পরিবর্তন আসবে সামান্যই। কারণ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিই মূলত সব ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে আমাদের কোন কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। এমনকি উভয় দেশের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাতের কোন পরিকল্পনাও নেই। আমরা মনে করি, সর্বোচ্চ নেতা খামেনিই মূলত দেশটির নীতিনির্ধারক। সাংবাদিকদের রাইসি বলেন, তার বৈদিশিক নীতিতে আরব উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক উন্নয়ন অগ্রাধিকার পাবে। ইরানের আঞ্চলিক শত্রু সৌদি আরবকে এখনই ইয়েমেনে আক্রমণ বন্ধ করারও আহ্বান জানান তিনি। ইরান পরমাণু চুক্তি-২০১৫ নিয়ে সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে রাইসি বলেন, যেসব আলোচনায় আমাদের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত থাকার নিশ্চয়তা রয়েছে আমরা ওই সব আলোচনায় সমর্থন দেব। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত এখনই ইরান পরমাণু চুক্তিতে ফেরত আসা এবং চুক্তি অনুযায়ী সব শর্ত সম্পূর্ণরূপে পালন করা। ইরানের পরমাণু কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ২০১৫ সালে বিশ্বের ছয় শক্তিধর দেশ ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে উপনীত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের লাগাম টেনে ধরবে। বিনিময়ে ধীরে ধীরে দেশটির উপর থেকে নানা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে।

বুধবার, ২৩ জুন ২০২১ , ৯ আষাঢ় ১৪২৮ ১১ জিলকদ ১৪৪২

মার্কিন ও ইরান প্রেসিডেন্ট পরস্পর বৈঠকে বসতে নারাজ

image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (ডানে) ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট রাইসি

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে বৈঠকের কোন পরিকল্পনা নেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের। এদিকে জো বাইডেনের সঙ্গেও কোন ধরনের বৈঠকে বসবেন না বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন ইরানের ইব্রাহিম রাইসি। রয়টার্স

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম রাইসি ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের পরমাণু আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তার সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতের কোন সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। এমনকী, ওয়াশিংটন ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও নয়। তবে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি জানিয়েছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে ইরানে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও দেশটিতে পরিবর্তন আসবে সামান্যই। কারণ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিই মূলত সব ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে আমাদের কোন কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। এমনকি উভয় দেশের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাতের কোন পরিকল্পনাও নেই। আমরা মনে করি, সর্বোচ্চ নেতা খামেনিই মূলত দেশটির নীতিনির্ধারক। সাংবাদিকদের রাইসি বলেন, তার বৈদিশিক নীতিতে আরব উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক উন্নয়ন অগ্রাধিকার পাবে। ইরানের আঞ্চলিক শত্রু সৌদি আরবকে এখনই ইয়েমেনে আক্রমণ বন্ধ করারও আহ্বান জানান তিনি। ইরান পরমাণু চুক্তি-২০১৫ নিয়ে সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে রাইসি বলেন, যেসব আলোচনায় আমাদের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত থাকার নিশ্চয়তা রয়েছে আমরা ওই সব আলোচনায় সমর্থন দেব। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত এখনই ইরান পরমাণু চুক্তিতে ফেরত আসা এবং চুক্তি অনুযায়ী সব শর্ত সম্পূর্ণরূপে পালন করা। ইরানের পরমাণু কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ২০১৫ সালে বিশ্বের ছয় শক্তিধর দেশ ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে উপনীত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের লাগাম টেনে ধরবে। বিনিময়ে ধীরে ধীরে দেশটির উপর থেকে নানা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে।