প্রাণ রায়ের লক্ষ্য সিনেমা নির্মাণ

একজন পেশাদার অভিনেতা হিসেবে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রাণ রায়। হাফিজ রেদুর রচনায় ও সালাহ উদ্দিন লাভলুর পরিচালনায় ‘গহরগাছী’ নাটকে লসের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও নির্মাতাদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন তিনি। মূলত নাট্যকার হাফিজ রেদুই মঞ্চে প্রাণর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে এই নাটকে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেন। পরবর্তীতে সালাহ উদ্দিন লাভলুর’র ‘রঙের মানুষ’ ধারাবাহিকে অভিনয় করে আরো আলোচনায় আসেন। মূলত প্রাণের অভিনয় শুরু বাগেরহাটের শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা বিভাগ থেকে। এরপর সেখানেই ‘রুদ্র নাট্যদল’-এ তার অভিনয় করার। এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি। ঢাকায় এসে প্রথম প্রাচ্যনাট’এ অভিনয় করেন আজাদ আবুল কালামের রচনা ও পরিচালনায় ‘সার্কাস সার্কাস’ নাটকে। সেখানে বেশকিছু মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে তিনি ‘দেশ নাটক’র সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেন। প্রাণ রায় প্রথম শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘লাল সবুজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। পরবর্তীতে তিনি ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘নদীজন’, ‘৬০ পাতলা খান লেন’, ‘ওরে সাম্পান ওয়ালা’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ও ‘মায়া দ্যা লস্ট মাদার’ সিনেমায় অভিনয় করেন। সিনেমা নির্মাণের প্রবল ইচ্ছে আছে তার। প্রাণ রায় বলেন, ‘একজন অভিনেতা হিসেবেই নিজেকে এমন একটি স্থানে নিয়ে যেতে চাই যেন আমার মৃত্যুর পরও মানুষ আমার নামটি মনে রাখেন। তবে মাঝে মাঝে অনেকেই আমাকে নির্দেশনা নিয়ে প্রশ্ন করেন। তবে নাটক নির্মাণের কোন ইচ্ছে আমার নেই। যদি কোনদিন নির্মাণে আসতেই হয় তাহলে সিনেমাই নির্মাণ করব। সেভাবেই নিজেকে একটু একটু করে প্রস্তুত করছি।’

প্রাণের জন্মদিন ১৪ মার্চ। তার প্রিয় নায়ক সোহেল রানা ও নায়িকা ববিতা। টিভিতে তার প্রিয় অভিনয়শিল্পী হুমায়ূন ফরীদি ও সুবর্ণা মুস্তাফা।

শনিবার, ০৩ জুলাই ২০২১ , ১৯ আষাঢ় ১৪২৮ ২১ জিলক্বদ ১৪৪২

প্রাণ রায়ের লক্ষ্য সিনেমা নির্মাণ

image

একজন পেশাদার অভিনেতা হিসেবে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রাণ রায়। হাফিজ রেদুর রচনায় ও সালাহ উদ্দিন লাভলুর পরিচালনায় ‘গহরগাছী’ নাটকে লসের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও নির্মাতাদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন তিনি। মূলত নাট্যকার হাফিজ রেদুই মঞ্চে প্রাণর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে এই নাটকে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেন। পরবর্তীতে সালাহ উদ্দিন লাভলুর’র ‘রঙের মানুষ’ ধারাবাহিকে অভিনয় করে আরো আলোচনায় আসেন। মূলত প্রাণের অভিনয় শুরু বাগেরহাটের শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা বিভাগ থেকে। এরপর সেখানেই ‘রুদ্র নাট্যদল’-এ তার অভিনয় করার। এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি। ঢাকায় এসে প্রথম প্রাচ্যনাট’এ অভিনয় করেন আজাদ আবুল কালামের রচনা ও পরিচালনায় ‘সার্কাস সার্কাস’ নাটকে। সেখানে বেশকিছু মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে তিনি ‘দেশ নাটক’র সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেন। প্রাণ রায় প্রথম শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘লাল সবুজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। পরবর্তীতে তিনি ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘নদীজন’, ‘৬০ পাতলা খান লেন’, ‘ওরে সাম্পান ওয়ালা’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ও ‘মায়া দ্যা লস্ট মাদার’ সিনেমায় অভিনয় করেন। সিনেমা নির্মাণের প্রবল ইচ্ছে আছে তার। প্রাণ রায় বলেন, ‘একজন অভিনেতা হিসেবেই নিজেকে এমন একটি স্থানে নিয়ে যেতে চাই যেন আমার মৃত্যুর পরও মানুষ আমার নামটি মনে রাখেন। তবে মাঝে মাঝে অনেকেই আমাকে নির্দেশনা নিয়ে প্রশ্ন করেন। তবে নাটক নির্মাণের কোন ইচ্ছে আমার নেই। যদি কোনদিন নির্মাণে আসতেই হয় তাহলে সিনেমাই নির্মাণ করব। সেভাবেই নিজেকে একটু একটু করে প্রস্তুত করছি।’

প্রাণের জন্মদিন ১৪ মার্চ। তার প্রিয় নায়ক সোহেল রানা ও নায়িকা ববিতা। টিভিতে তার প্রিয় অভিনয়শিল্পী হুমায়ূন ফরীদি ও সুবর্ণা মুস্তাফা।