সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ পিসিআর ল্যাব বন্ধ কাজ করছেন প্রকৌশলীরা

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবটি বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার থেকে নমুনা পরীক্ষাও বন্ধ রয়েছে। প্রতিদিন এই ল্যাবে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা হতো। যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় বৃহস্পতিবার ৯৪টি নমুনার পরীক্ষা হয়েছিল। আর শুক্রবার থেকে পরীক্ষা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বর্তমান ভয়াবহ সংক্রমণের এই সময়ে করোনা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে গেছে।

অথচ গত কিছুদিন ধরে জেলার বিভিন্ন ল্যাবের পরীক্ষায় দৈনিক যে শতকের কোটায় পজেটিভ রোগী শনাক্ত হতো, এর সিংহভাগ এই ল্যাবেই শনাক্ত হতো। তবে ঢাকা থেকে প্রকৌশলী দল এসে ল্যাবটি চালু করার কাজ শুরু করেছে।

সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটি সারাতে ঢাকার প্রকৌশলীদের টিম গতকাল সকাল ১১টায় এসে কাজ শুরু করেছে। স্থানীয় প্রকৌশলীকেও তিনি পাঠিয়েছেন। আর জমে থাকা ৮শ’ নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে নমুনা সংগ্রহ অব্যাহত আছে এবং উপসর্গ বুঝে রোগীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। অন্যদিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সদরের ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল এবং টিবি ক্লিনিকসহ সব উপজেলায় র‌্যাপিড এন্টিজেন পরীক্ষা অব্যাহত আছে। র‌্যাপিড এন্টিজেন পরীক্ষায় পজেটিভ হলে সেগুলো সঠিক ধরে নেয়া হয়। আর নেগেটিভ হলে সেগুলো আবার পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করিয়ে নেয়া হবে।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ল্যাবটিতে প্রতিদিন ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হতো। তবে এটি সারানোর পাশাপাশি সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে র‌্যাপিড এন্টিজেন পরীক্ষা অব্যাহত আছে। দ্রুতই পিসিআর ল্যাবটি চালু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এদিকে জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মুজিবুর রহমান বেলাল এ ব্যাপারে বলেছেন, জেলার একটি প্রধান ল্যাব যদি বন্ধ থাকে তাহলে রোগী শনাক্তও বন্ধ থাকবে। তাতে পজেটিভ রোগীদের অসাবধানতার কারণে নিজেরা যেমন বিপদে পড়বেন, সমাজে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা থাকবে। ফলে দ্রুত ল্যাবটি চালু করার জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।

রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১ , ২৭ আষাঢ় ১৪২৮ ২৯ জিলক্বদ ১৪৪২

সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ পিসিআর ল্যাব বন্ধ কাজ করছেন প্রকৌশলীরা

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবটি বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার থেকে নমুনা পরীক্ষাও বন্ধ রয়েছে। প্রতিদিন এই ল্যাবে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা হতো। যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় বৃহস্পতিবার ৯৪টি নমুনার পরীক্ষা হয়েছিল। আর শুক্রবার থেকে পরীক্ষা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বর্তমান ভয়াবহ সংক্রমণের এই সময়ে করোনা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে গেছে।

অথচ গত কিছুদিন ধরে জেলার বিভিন্ন ল্যাবের পরীক্ষায় দৈনিক যে শতকের কোটায় পজেটিভ রোগী শনাক্ত হতো, এর সিংহভাগ এই ল্যাবেই শনাক্ত হতো। তবে ঢাকা থেকে প্রকৌশলী দল এসে ল্যাবটি চালু করার কাজ শুরু করেছে।

সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটি সারাতে ঢাকার প্রকৌশলীদের টিম গতকাল সকাল ১১টায় এসে কাজ শুরু করেছে। স্থানীয় প্রকৌশলীকেও তিনি পাঠিয়েছেন। আর জমে থাকা ৮শ’ নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে নমুনা সংগ্রহ অব্যাহত আছে এবং উপসর্গ বুঝে রোগীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। অন্যদিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সদরের ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল এবং টিবি ক্লিনিকসহ সব উপজেলায় র‌্যাপিড এন্টিজেন পরীক্ষা অব্যাহত আছে। র‌্যাপিড এন্টিজেন পরীক্ষায় পজেটিভ হলে সেগুলো সঠিক ধরে নেয়া হয়। আর নেগেটিভ হলে সেগুলো আবার পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করিয়ে নেয়া হবে।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ল্যাবটিতে প্রতিদিন ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হতো। তবে এটি সারানোর পাশাপাশি সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে র‌্যাপিড এন্টিজেন পরীক্ষা অব্যাহত আছে। দ্রুতই পিসিআর ল্যাবটি চালু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এদিকে জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মুজিবুর রহমান বেলাল এ ব্যাপারে বলেছেন, জেলার একটি প্রধান ল্যাব যদি বন্ধ থাকে তাহলে রোগী শনাক্তও বন্ধ থাকবে। তাতে পজেটিভ রোগীদের অসাবধানতার কারণে নিজেরা যেমন বিপদে পড়বেন, সমাজে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা থাকবে। ফলে দ্রুত ল্যাবটি চালু করার জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।