পোলট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধি শতাধিক খামার বন্ধ

মুরগির খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলার খামারিরা। মুরগি বিক্রি করে উৎপাদন খরচও উঠাতে পারছে না তারা। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে শতাধিক পোল্ট্রি খামার। জানা যায়, উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ৭০০ খামার রয়েছে। তবে সরকারি হিসাব মতে প্রায় ৫০০ । এর মধ্য লেয়ার ৬০, সোনালী ৫০, বয়লার ৪৯০, হাঁস ৭০ ও ব্রিডার ৭টি খামার রয়েছে। মুরগির খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভের পরিবর্তে লোকসান গুনতে হচ্ছে মালিকদের। দেশের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে উৎপাদন ঘাটতি আর পরিবহন সংকটের অজুহাতে পোলট্রি খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। এর ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন পোল্ট্রি খামারিরা। বিগত কয়েক মাসে লোকসানের বোঝা টানতে না পেরে বন্ধ হয়েছে অসংখ্য পোল্ট্রি খামার। এ শিল্পে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। খামার মালিকদের অভিযোগ বাচ্চা লালন পালন করতে যে টাকা খরচ হয় বিক্রি করে সে টাকাই উঠছে না। উপজেলার বার আউলিয়ার খামার মালিক আবদুর রহিম টিটু বলেন, আগে এক বস্তা মুরগির খাদ্যের দাম ছিল ১৬৫০ টাকা। আর এখন সেই খাদ্যের দাম বেড়ে হয়েছে ১৭০০ টাকা। ব্যয় খরচের সাথে মিলছে না। তাই লস দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রান্তিক পোল্ট্রি শিল্প সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মোঃ সালাউদ্দিন বলেন, ঔষধ, তুষ ও খাদ্য কিনতে হচ্ছে উচ্চমূল্যে। দেশ থেকে সয়াবিন ও ভুট্টা চলে যাচ্ছে ভারতে, যার ফলে দেশে এসব খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। ৫ লাখ টাকা পুঁজি দিয়ে খামার করেছি। মুরগির উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি।

শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর ২০২১ , ৩০ আশ্বিন ১৪২৮ ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

পোলট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধি শতাধিক খামার বন্ধ

প্রতিনিধি, সীতাকুন্ড (চট্টগ্রাম)

মুরগির খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলার খামারিরা। মুরগি বিক্রি করে উৎপাদন খরচও উঠাতে পারছে না তারা। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে শতাধিক পোল্ট্রি খামার। জানা যায়, উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ৭০০ খামার রয়েছে। তবে সরকারি হিসাব মতে প্রায় ৫০০ । এর মধ্য লেয়ার ৬০, সোনালী ৫০, বয়লার ৪৯০, হাঁস ৭০ ও ব্রিডার ৭টি খামার রয়েছে। মুরগির খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভের পরিবর্তে লোকসান গুনতে হচ্ছে মালিকদের। দেশের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে উৎপাদন ঘাটতি আর পরিবহন সংকটের অজুহাতে পোলট্রি খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। এর ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন পোল্ট্রি খামারিরা। বিগত কয়েক মাসে লোকসানের বোঝা টানতে না পেরে বন্ধ হয়েছে অসংখ্য পোল্ট্রি খামার। এ শিল্পে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। খামার মালিকদের অভিযোগ বাচ্চা লালন পালন করতে যে টাকা খরচ হয় বিক্রি করে সে টাকাই উঠছে না। উপজেলার বার আউলিয়ার খামার মালিক আবদুর রহিম টিটু বলেন, আগে এক বস্তা মুরগির খাদ্যের দাম ছিল ১৬৫০ টাকা। আর এখন সেই খাদ্যের দাম বেড়ে হয়েছে ১৭০০ টাকা। ব্যয় খরচের সাথে মিলছে না। তাই লস দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রান্তিক পোল্ট্রি শিল্প সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মোঃ সালাউদ্দিন বলেন, ঔষধ, তুষ ও খাদ্য কিনতে হচ্ছে উচ্চমূল্যে। দেশ থেকে সয়াবিন ও ভুট্টা চলে যাচ্ছে ভারতে, যার ফলে দেশে এসব খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। ৫ লাখ টাকা পুঁজি দিয়ে খামার করেছি। মুরগির উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি।