২৩ অক্টোবর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের গণঅবস্থান

দেশের বিভিন্ন এলাকায় মন্দির-মণ্ডপে হামলা এবং হামলা চেষ্টার প্রতিবাদে আগামী ২৩ অক্টোবর সারা দেশে গণঅবস্থান ও গণঅনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

গতকাল চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে নগরীর অন্দরকিল্লা থেকে মিছিল নিয়ে ঐক্য পরিষদের সদস্যরা মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

এ সময় রানা দাশগুপ্ত বলেন, আগামী ২৩ অক্টোবর ঢাকায় শাহবাগে ও চট্টগ্রামে অন্দরকিল্লা মোড়ে গণঅবস্থান ও গণঅনশন কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রানা দাশগুপ্ত বলেন, সাম্প্রদায়িক হামলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে আজ আর উড়িয়ে দেয়ার কোন সুযোগ নেই। আমরা মনে করি, বিশ্বাস করি, হামলার ঘটনার সবটাই পরিকল্পিত, যার মূল লক্ষ্য বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক পরিসরে বিনষ্ট করা। পাশাপাশি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারায় অগ্রসরমান উন্নতিকে ব্যাহত করা। সংখ্যালঘুদের বিতাড়িত করে গোটা দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় একটি গোষ্ঠী।

সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স ঘোষণার যথাযথ বাস্তবায়ন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রানা দাশ আরও বলেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির পাশাপাশি সরকারি দলে ঘাপটি মেরে থাকা প্রতিক্রিয়াশীল একটি চক্র সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে জড়িত।

সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে হামলার চিত্র তুলে ধরেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলন থেকে হামলা ও হতাহতের তথ্য তুলে ধরা হয়।

রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১ , ০১ কার্তিক ১৪২৮ ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

২৩ অক্টোবর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের গণঅবস্থান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

দেশের বিভিন্ন এলাকায় মন্দির-মণ্ডপে হামলা এবং হামলা চেষ্টার প্রতিবাদে আগামী ২৩ অক্টোবর সারা দেশে গণঅবস্থান ও গণঅনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

গতকাল চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে নগরীর অন্দরকিল্লা থেকে মিছিল নিয়ে ঐক্য পরিষদের সদস্যরা মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

এ সময় রানা দাশগুপ্ত বলেন, আগামী ২৩ অক্টোবর ঢাকায় শাহবাগে ও চট্টগ্রামে অন্দরকিল্লা মোড়ে গণঅবস্থান ও গণঅনশন কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রানা দাশগুপ্ত বলেন, সাম্প্রদায়িক হামলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে আজ আর উড়িয়ে দেয়ার কোন সুযোগ নেই। আমরা মনে করি, বিশ্বাস করি, হামলার ঘটনার সবটাই পরিকল্পিত, যার মূল লক্ষ্য বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক পরিসরে বিনষ্ট করা। পাশাপাশি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারায় অগ্রসরমান উন্নতিকে ব্যাহত করা। সংখ্যালঘুদের বিতাড়িত করে গোটা দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় একটি গোষ্ঠী।

সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স ঘোষণার যথাযথ বাস্তবায়ন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রানা দাশ আরও বলেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির পাশাপাশি সরকারি দলে ঘাপটি মেরে থাকা প্রতিক্রিয়াশীল একটি চক্র সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে জড়িত।

সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে হামলার চিত্র তুলে ধরেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলন থেকে হামলা ও হতাহতের তথ্য তুলে ধরা হয়।