ইভ্যালি পরিচালনায় ৫ সদস্যের কমিটি

২৩ নভেম্বর অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে কমিটিকে নির্দেশ

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির দুই কর্ণধার কারাবন্দি থাকায় প্রতিষ্ঠানটি অবসায়নের লক্ষ্যে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল শুনানি নিয়ে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের সাবেক সচিব মোহাম্মদ রেজাউল আহসান, ওএসডিতে থাকা আলোচিত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ফখরুদ্দিন আহম্মেদ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

পরে রিটের পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসাইন বলেন, ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর কোম্পানি আদালতে আবেদন করেছিলাম। সেখানে একটি আবেদন ছিল ইভ্যালি অবসায়নে যাতে একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়। গতকাল ওই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানি নিয়ে আদালত একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। ইভ্যালি এখন এ কমিটি দ্বারা পরিচালিত হবে। এ বোর্ডের সদস্য থাকবেন পাঁচ জন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এএইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে।

এই কমিটির কাজ প্রসঙ্গে হাইকোর্ট বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পরপরই তারা (কমিটি) বোর্ড মিটিংয়ে বসবেন। কোথায় কী আছে, সবকিছু বুঝে নেবেন। কোম্পানি যেভাবে চলে, সেভাবে প্রথমে বোর্ড মিটিং বসবে। তাদের (বোর্ড) দায়িত্ব হলো, টাকাগুলো কোথায় আছে, কোথায় দায় আছে, তা দেখা।

আদালত আরও বলেন, যদি দেখা যায়, কোন একটি মিটিং করা সম্ভব হচ্ছে না, তখন কোম্পানি কোর্টের স্যুয়োমটো ক্ষমতা আছে। আদালত বোর্ড গঠন করে দিতে পারেন। এখন এই বোর্ড গঠন করে দেয়া হলো। কমিটি বসে বিষয়গুলো দেখবে। অডিট লাগবে, তারা অন্য কাজগুলোও দেখবে। এরপর সবকিছু করার পর বোর্ড যদি দেখে কোম্পানিটি চলার যোগ্যতা নেই, তখন অবসায়নের জন্য প্রসিড করবে। কোম্পানি অবসায়ন চেয়ে আবেদনকারী আবেদন করেছে। তখন আবেদনকারীর সঙ্গে বোর্ডও বলবে, কোম্পানিটি অবসায়ন করতে হবে। আর যদি বলে চালানো সম্ভব, তাহলে কোম্পানিটি চলবে। আদালতের লিখিত আদেশ পাওয়ার পরই বোর্ড মিটিং করে আগামী ২৩ নভেম্বর আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেবে এই কমিটি।

মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১ , ০৩ কার্তিক ১৪২৮ ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ইভ্যালি পরিচালনায় ৫ সদস্যের কমিটি

২৩ নভেম্বর অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে কমিটিকে নির্দেশ

আদালত বার্তা পরিবেশক

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির দুই কর্ণধার কারাবন্দি থাকায় প্রতিষ্ঠানটি অবসায়নের লক্ষ্যে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল শুনানি নিয়ে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের সাবেক সচিব মোহাম্মদ রেজাউল আহসান, ওএসডিতে থাকা আলোচিত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ফখরুদ্দিন আহম্মেদ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

পরে রিটের পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসাইন বলেন, ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর কোম্পানি আদালতে আবেদন করেছিলাম। সেখানে একটি আবেদন ছিল ইভ্যালি অবসায়নে যাতে একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়। গতকাল ওই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানি নিয়ে আদালত একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। ইভ্যালি এখন এ কমিটি দ্বারা পরিচালিত হবে। এ বোর্ডের সদস্য থাকবেন পাঁচ জন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এএইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে।

এই কমিটির কাজ প্রসঙ্গে হাইকোর্ট বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পরপরই তারা (কমিটি) বোর্ড মিটিংয়ে বসবেন। কোথায় কী আছে, সবকিছু বুঝে নেবেন। কোম্পানি যেভাবে চলে, সেভাবে প্রথমে বোর্ড মিটিং বসবে। তাদের (বোর্ড) দায়িত্ব হলো, টাকাগুলো কোথায় আছে, কোথায় দায় আছে, তা দেখা।

আদালত আরও বলেন, যদি দেখা যায়, কোন একটি মিটিং করা সম্ভব হচ্ছে না, তখন কোম্পানি কোর্টের স্যুয়োমটো ক্ষমতা আছে। আদালত বোর্ড গঠন করে দিতে পারেন। এখন এই বোর্ড গঠন করে দেয়া হলো। কমিটি বসে বিষয়গুলো দেখবে। অডিট লাগবে, তারা অন্য কাজগুলোও দেখবে। এরপর সবকিছু করার পর বোর্ড যদি দেখে কোম্পানিটি চলার যোগ্যতা নেই, তখন অবসায়নের জন্য প্রসিড করবে। কোম্পানি অবসায়ন চেয়ে আবেদনকারী আবেদন করেছে। তখন আবেদনকারীর সঙ্গে বোর্ডও বলবে, কোম্পানিটি অবসায়ন করতে হবে। আর যদি বলে চালানো সম্ভব, তাহলে কোম্পানিটি চলবে। আদালতের লিখিত আদেশ পাওয়ার পরই বোর্ড মিটিং করে আগামী ২৩ নভেম্বর আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেবে এই কমিটি।