মালিক ফারুকসহ চারজনের বিচার শুরু

বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ভবনটির মালিক এসএমএইচআই ফারুকসহ চার জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেছেন আদালত। এর মধ্যদিয়ে এ মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। গতকাল ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ সৈয়দ কামাল হোসেনের আদালত এই আদেশ দেন। আগামী ১৫ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ূন খাদেম, রূপায়ন গ্রুপের কর্ণধার লিয়াকত আলী খান মুকুল ও রাজউকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান। তবে রাজউকের সাবেক অথরাইজড অফিসার সৈয়দ মকবুল আহমেদ মারা যাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। চার আসামি জামিনে আছেন।

এদিকে তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী না নির্দোষ। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আদেশ দেন।

২০১৯ সালের ২৫ জুন দুদকের উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ওই বছর ২৯ অক্টোবর পাঁচ জনের বিরুদ্ধে একই কর্মকর্তা চার্জশিট দাখিল করেন। এফআর টাওয়ারের ১৫ তলা অনুমোদন থাকলেও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬ লঙ্ঘন করে নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে ১৮ তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণের অভিযোগ আনা হয় চার্জশিটে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, এ ভবনের জমির মালিক প্রকৌশলী এসএমএইচআই ফারুক। টাওয়ারের বর্ধিত অংশের মালিক তাসভিরুল ইসলাম, রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান ওরফে মুকুল এবং এফআর টাওয়ার বিল্ডিং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা অসৎ উদ্দেশে আর্থিক সুবিধার লোভে নির্মাণ বিধিমালা না মানায় এফআর টাওয়ারে এই মর্মান্তিক আগুন লাগে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৯৯৬ সালে এফআর টাওয়ারের নকশা অনুমোদন দেয়া হয়।

মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১ , ০৩ কার্তিক ১৪২৮ ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি

মালিক ফারুকসহ চারজনের বিচার শুরু

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ভবনটির মালিক এসএমএইচআই ফারুকসহ চার জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেছেন আদালত। এর মধ্যদিয়ে এ মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। গতকাল ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ সৈয়দ কামাল হোসেনের আদালত এই আদেশ দেন। আগামী ১৫ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ূন খাদেম, রূপায়ন গ্রুপের কর্ণধার লিয়াকত আলী খান মুকুল ও রাজউকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান। তবে রাজউকের সাবেক অথরাইজড অফিসার সৈয়দ মকবুল আহমেদ মারা যাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। চার আসামি জামিনে আছেন।

এদিকে তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী না নির্দোষ। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আদেশ দেন।

২০১৯ সালের ২৫ জুন দুদকের উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ওই বছর ২৯ অক্টোবর পাঁচ জনের বিরুদ্ধে একই কর্মকর্তা চার্জশিট দাখিল করেন। এফআর টাওয়ারের ১৫ তলা অনুমোদন থাকলেও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬ লঙ্ঘন করে নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে ১৮ তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণের অভিযোগ আনা হয় চার্জশিটে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, এ ভবনের জমির মালিক প্রকৌশলী এসএমএইচআই ফারুক। টাওয়ারের বর্ধিত অংশের মালিক তাসভিরুল ইসলাম, রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান ওরফে মুকুল এবং এফআর টাওয়ার বিল্ডিং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা অসৎ উদ্দেশে আর্থিক সুবিধার লোভে নির্মাণ বিধিমালা না মানায় এফআর টাওয়ারে এই মর্মান্তিক আগুন লাগে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৯৯৬ সালে এফআর টাওয়ারের নকশা অনুমোদন দেয়া হয়।