ভারত ও নেপালে বন্যায় মৃত্যু শতাধিক

ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তরাখন্ড এবং নেপালের অংশ বিশেষে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাড়িঘর ডুবে গেছে কিংবা ভূমিধসে গড়িয়ে পড়া পাথরের আঘাতে গুঁড়িয়ে গেছে। দুই দেশেই আরও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। উত্তরাখন্ডে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যসহ প্রায় ৫০ জন এবং নেপালেও প্রায় একই সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

এছাড়া বৃষ্টির কারণে ভারতের কেরালা রাজ্যেও প্রাণঘাতী বন্যা দেখা দিয়েছে। সেখানেও আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উত্তরাখন্ডেই থেকে ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পার্বত্য রাজ্যটিতে সবমিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে। রাজ্যের স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। আর ধর্মীয় এবং পর্যটন কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। গঙ্গা উপচে পড়ায় জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র রিশিকেশ এবং নৈনিতাল মারাত্মক বন্যা কবলিত হয়েছে।

উত্তরাখন্ডে সাধারণত প্রতি অক্টোবরে ৩০.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় কিন্তু এবার এই সপ্তাহের একদিনেই রেকর্ড করা হয়েছে ৩২৮ মিলিমিটার। তবে বৃষ্টিপাত কমে আসছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দফতর।

তবে নেপালের বৃষ্টিপাত শিগগিরই কমছে না। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নেপালের পূর্বাঞ্চলের পাঞ্চতার জেলা এবং পশ্চিমের ইলাম এবং দোতি জেলা। পশ্চিম নেপালের একটি গ্রামে আটকে পড়া ৬০ জনের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারীরা।

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১ , ০৬ কার্তিক ১৪২৮ ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ভারত ও নেপালে বন্যায় মৃত্যু শতাধিক

image

আকস্মিক বন্যায় ভারত ও নেপালে তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট -এনডিটিভি

ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তরাখন্ড এবং নেপালের অংশ বিশেষে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাড়িঘর ডুবে গেছে কিংবা ভূমিধসে গড়িয়ে পড়া পাথরের আঘাতে গুঁড়িয়ে গেছে। দুই দেশেই আরও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। উত্তরাখন্ডে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যসহ প্রায় ৫০ জন এবং নেপালেও প্রায় একই সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

এছাড়া বৃষ্টির কারণে ভারতের কেরালা রাজ্যেও প্রাণঘাতী বন্যা দেখা দিয়েছে। সেখানেও আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উত্তরাখন্ডেই থেকে ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পার্বত্য রাজ্যটিতে সবমিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে। রাজ্যের স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। আর ধর্মীয় এবং পর্যটন কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। গঙ্গা উপচে পড়ায় জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র রিশিকেশ এবং নৈনিতাল মারাত্মক বন্যা কবলিত হয়েছে।

উত্তরাখন্ডে সাধারণত প্রতি অক্টোবরে ৩০.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় কিন্তু এবার এই সপ্তাহের একদিনেই রেকর্ড করা হয়েছে ৩২৮ মিলিমিটার। তবে বৃষ্টিপাত কমে আসছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দফতর।

তবে নেপালের বৃষ্টিপাত শিগগিরই কমছে না। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নেপালের পূর্বাঞ্চলের পাঞ্চতার জেলা এবং পশ্চিমের ইলাম এবং দোতি জেলা। পশ্চিম নেপালের একটি গ্রামে আটকে পড়া ৬০ জনের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারীরা।