বাঁশখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজা নিহত

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত ও আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, মোহাম্মদ আবদুল খালেক (৩০) ও টিপু সুলতান মাহমুদ (২৬)। তারা দুজন চাচা-ভাতিজা বলে জানা গেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাদের মৃত্যু হয়।

আহতরা হলেন, এক পক্ষের মঞ্জুর আলম (৪০) ও বাহাদুর (৩২) ও কামাল হোসেন (৫০)। গত বুধবার শীলকূপ ইউনিয়নের মনছুরিয়া বাজারে এ ঘটনায় ঘটে। থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচ আসামিকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন, বাহাদুর (৩২), মনজুর আলম (৪০), রাসেল (২৯), ছিদ্দিক আহমদ (৫২), জাকের হোসেন (৩৮)। এদিকে এ ঘটনায় পুলিশ নিরপরাধ পিতাকে আটক করার অভিযোগ করে থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারের রুমে বিষ পান করেছে স্থানীয় এক যুবক। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। জানা গেছে, সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে আবদুল খালেক একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তার আট বছর ও চার বছর বয়সের দুটি মেয়ে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে পারিবারিক বসতভিটার সীমানা নিয়ে এলাকার দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, যেটা কিছুক্ষণ পর শেষ হয়ে যায়। পরে আবারও দু’পক্ষের মধ্যে বাড়ির পাশেই মনছুরিয়া বাজার এলাকায় তর্কাতর্কি হয়। এ সময় দু’পক্ষই বিবাদে জড়ায় এবং সংঘর্ষে একজন নিহত ও চারজন আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যায় টিপু সুলতান মাহমুদ। বাঁশখালী থানার ওসি কামাল উদ্দিন বলেন, বাড়ির সীমানা বিরোধ নিয়ে মারামারির ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পাঁচ আসামিকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’ এদিকে ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) আনোয়ারা সার্কেল হুমায়ুন কবীর, বাঁশখালী থানার ওসি কামাল উদ্দিন ও পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম।

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১ , ০৬ কার্তিক ১৪২৮ ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বাঁশখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজা নিহত

প্রতিনিধি, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত ও আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, মোহাম্মদ আবদুল খালেক (৩০) ও টিপু সুলতান মাহমুদ (২৬)। তারা দুজন চাচা-ভাতিজা বলে জানা গেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাদের মৃত্যু হয়।

আহতরা হলেন, এক পক্ষের মঞ্জুর আলম (৪০) ও বাহাদুর (৩২) ও কামাল হোসেন (৫০)। গত বুধবার শীলকূপ ইউনিয়নের মনছুরিয়া বাজারে এ ঘটনায় ঘটে। থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচ আসামিকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন, বাহাদুর (৩২), মনজুর আলম (৪০), রাসেল (২৯), ছিদ্দিক আহমদ (৫২), জাকের হোসেন (৩৮)। এদিকে এ ঘটনায় পুলিশ নিরপরাধ পিতাকে আটক করার অভিযোগ করে থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারের রুমে বিষ পান করেছে স্থানীয় এক যুবক। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। জানা গেছে, সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে আবদুল খালেক একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তার আট বছর ও চার বছর বয়সের দুটি মেয়ে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে পারিবারিক বসতভিটার সীমানা নিয়ে এলাকার দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, যেটা কিছুক্ষণ পর শেষ হয়ে যায়। পরে আবারও দু’পক্ষের মধ্যে বাড়ির পাশেই মনছুরিয়া বাজার এলাকায় তর্কাতর্কি হয়। এ সময় দু’পক্ষই বিবাদে জড়ায় এবং সংঘর্ষে একজন নিহত ও চারজন আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যায় টিপু সুলতান মাহমুদ। বাঁশখালী থানার ওসি কামাল উদ্দিন বলেন, বাড়ির সীমানা বিরোধ নিয়ে মারামারির ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পাঁচ আসামিকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’ এদিকে ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) আনোয়ারা সার্কেল হুমায়ুন কবীর, বাঁশখালী থানার ওসি কামাল উদ্দিন ও পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম।