খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গতকাল সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘১০টায় ১০ মিনিট প্রতি শনিবার, নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগান বাস্তবায়ন এবং রামচন্দ্রপুর খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘খালটির দুই পাড়ের বেশ কয়েকটি ভবনের কোনটিতেই সেপটিক ট্যাংক কিংবা সোক ওয়েল খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই সেপটিক ট্যাংকবিহীন ভবনগুলোতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে কার্যকর সেপটিক ট্যাংক নিশ্চিত করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘অপরিকল্পিত ঢাকার অধিকাংশ ভবনেই কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল না থাকায় অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি ড্রেন কিংবা খালে পতিত হওয়ায় পানিসহ সার্বিক পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।’

‘খাল কোন ডাস্টবিন নয়, ময়লা-আবর্জনা, বর্জ্য নিক্ষেপের স্থান?ও নয়, এটি জলাধার। তাই কোন সচেতন নাগরিক খাল কিংবা অন্য কোন জলাশয়ে বর্জ্য নিক্ষেপ করতে পারে না’ উল্লেখ করে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘নগরীর বাসাবাড়িগুলোতে আধুনিক সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপন করতে হবে এবং পরিশোধন ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকেও বিল্ডিং ডেভেলপ করার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য?ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়ে আতিক বলেন, ‘আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ডিএনসিসি এলাকার খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ করা হবে। অবৈধভাবে খাল দখল করে যেসব স্থাপনা নির্মিত হয়েছে, সেগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদারদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।’

আতিকুল ইসলামের উপস্থিতিতেই মোহাম্মদপুর এলাকায় মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেডের ৩ নম্বর রোডে রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত নকশাবহির্ভূত ভবনের অংশবিশেষ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়ে রাস্তা থেকে উচ্ছেদ করা হয়।

এ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এসএম শরীফ উল ইসলাম, স্থানীয় কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

image

গতকাল সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগান বাস্তবায়ন এবং রামচন্দ্রপুর খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মেয়র আতিক -সংবাদ

আরও খবর
অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতিসংঘ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মিতু হত্যার আসামি ভোলা বেনাপোল থেকে গ্রেপ্তার
পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে জানুয়ারি থেকে বাড়বে ক্লাস শিক্ষামন্ত্রী
ফরিদপুরের সালথায় আ’লীগ-বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, যুবক নিহত
সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদ
কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ব্যয় ৩ হাজার কোটি টাকা
গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা আটক
গোয়ায় নতুন সরকার গঠনের ডাক, বিজেপিকে নিশানা মমতার
রাজশাহীতে গোপন বৈঠককালে জামায়াত-শিবিরের ১২ জন আটক
শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা ধর্ষক গ্রেপ্তার

রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১ , ০৮ কার্তিক ১৪২৮ ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গতকাল সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগান বাস্তবায়ন এবং রামচন্দ্রপুর খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মেয়র আতিক -সংবাদ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গতকাল সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘১০টায় ১০ মিনিট প্রতি শনিবার, নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগান বাস্তবায়ন এবং রামচন্দ্রপুর খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘খালটির দুই পাড়ের বেশ কয়েকটি ভবনের কোনটিতেই সেপটিক ট্যাংক কিংবা সোক ওয়েল খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই সেপটিক ট্যাংকবিহীন ভবনগুলোতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে কার্যকর সেপটিক ট্যাংক নিশ্চিত করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘অপরিকল্পিত ঢাকার অধিকাংশ ভবনেই কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল না থাকায় অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি ড্রেন কিংবা খালে পতিত হওয়ায় পানিসহ সার্বিক পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।’

‘খাল কোন ডাস্টবিন নয়, ময়লা-আবর্জনা, বর্জ্য নিক্ষেপের স্থান?ও নয়, এটি জলাধার। তাই কোন সচেতন নাগরিক খাল কিংবা অন্য কোন জলাশয়ে বর্জ্য নিক্ষেপ করতে পারে না’ উল্লেখ করে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘নগরীর বাসাবাড়িগুলোতে আধুনিক সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপন করতে হবে এবং পরিশোধন ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকেও বিল্ডিং ডেভেলপ করার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য?ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়ে আতিক বলেন, ‘আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ডিএনসিসি এলাকার খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ করা হবে। অবৈধভাবে খাল দখল করে যেসব স্থাপনা নির্মিত হয়েছে, সেগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদারদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।’

আতিকুল ইসলামের উপস্থিতিতেই মোহাম্মদপুর এলাকায় মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেডের ৩ নম্বর রোডে রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত নকশাবহির্ভূত ভবনের অংশবিশেষ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়ে রাস্তা থেকে উচ্ছেদ করা হয়।

এ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এসএম শরীফ উল ইসলাম, স্থানীয় কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।