ব্যথামুক্ত স্বাভাবিক প্রসব

সব মা চায় সন্তান জন্মদান যেন কষ্টহীন এবং স্বাভাবিক হয়। কিন্তু এর মধ্যেও বিভিন্ন ভয়ভীতি মনে চলে আসে। স্বাভাবিকভাবে প্রসব ব্যথার তীব্রতা এত বেশি যে এতে শারীরিক ও মানসিক ভীতির সঞ্চার হয়। আর এই ভয়কে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসার নামে ব্যবসা করছে এক শ্রেণীর ডাক্তার। যদিও এই অস্ত্রোপচার সন্তান এবং মা দুজনের জীবন ঝুঁকি বাড়ায় তারপরও সেটা থামছে না। সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের অস্বাভাবিক হার বৃদ্ধির পেছনে মায়ের সার্বিক অবস্থা, সামাজিক অবস্থান, সেবাদানকারী ও চিকিৎসার অপ্রতুলতা, আইন ইত্যাদি যুক্ত। ব্যথামুক্ত স্বাভাবিক প্রসব বিভিন্ন পদ্ধতিতে করা যায়। এর মধ্যে এপিডুরাল পদ্ধতি অন্যতম। এতে সবকিছুই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রেখেই সন্তান প্রসব করানো হয়। কিন্তু কিছু কিছু ডাক্তার সেবামূলক কাজটাকে ব্যবসায়ী কাজ মনে করে স্বাভাবিক সন্তান প্রসবের জন্য বিভিন্ন রকম ভয়ের কথা বলে জোরপূর্বক অস্ত্রোপচারে রাজি করায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেকবার এই অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিয়ে সাবধান করেছে। তাতেও কোনো লাভ হচ্ছে না। তাই এই সেবা নামে ব্যবসায়ী কাজটা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।

মাজহারুল ইসলাম শামীম

রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১ , ০৮ কার্তিক ১৪২৮ ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ব্যথামুক্ত স্বাভাবিক প্রসব

সব মা চায় সন্তান জন্মদান যেন কষ্টহীন এবং স্বাভাবিক হয়। কিন্তু এর মধ্যেও বিভিন্ন ভয়ভীতি মনে চলে আসে। স্বাভাবিকভাবে প্রসব ব্যথার তীব্রতা এত বেশি যে এতে শারীরিক ও মানসিক ভীতির সঞ্চার হয়। আর এই ভয়কে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসার নামে ব্যবসা করছে এক শ্রেণীর ডাক্তার। যদিও এই অস্ত্রোপচার সন্তান এবং মা দুজনের জীবন ঝুঁকি বাড়ায় তারপরও সেটা থামছে না। সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের অস্বাভাবিক হার বৃদ্ধির পেছনে মায়ের সার্বিক অবস্থা, সামাজিক অবস্থান, সেবাদানকারী ও চিকিৎসার অপ্রতুলতা, আইন ইত্যাদি যুক্ত। ব্যথামুক্ত স্বাভাবিক প্রসব বিভিন্ন পদ্ধতিতে করা যায়। এর মধ্যে এপিডুরাল পদ্ধতি অন্যতম। এতে সবকিছুই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রেখেই সন্তান প্রসব করানো হয়। কিন্তু কিছু কিছু ডাক্তার সেবামূলক কাজটাকে ব্যবসায়ী কাজ মনে করে স্বাভাবিক সন্তান প্রসবের জন্য বিভিন্ন রকম ভয়ের কথা বলে জোরপূর্বক অস্ত্রোপচারে রাজি করায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেকবার এই অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিয়ে সাবধান করেছে। তাতেও কোনো লাভ হচ্ছে না। তাই এই সেবা নামে ব্যবসায়ী কাজটা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।

মাজহারুল ইসলাম শামীম