বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছের ফলে ভুল, অসন্তোষ

চ্যালেঞ্জের সুযোগ থাকছে : কর্তৃপক্ষ

প্রথমবারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক বিভাগ) ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। আর এরপরই বেধেছে গোল।

শিক্ষার্থীরা বলছে, তাদের প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে ফলাফলের মিল নেই। অনেকে বলছেন তারা যতগুলো প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তার চাইতে বেশি নাম্বার পেয়েছেন। আবার অনেকের অভিযোগ যা নম্বর পাবার কথা তার চাইতে অনেক কম নম্বর পেয়েছেন।

তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ভর্তি পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের সঠিক উত্তরের ঘর ভরাট করতে হয়। অর্ধেক ভরাট বা অস্পষ্ট হলে কম্পিউটারে সেটা রিড করে না। অনেক শিক্ষার্থী ওএমআর পূরণ করতে ভুল করে। তারা বলছেন এখানে ওএমআর সম্পূর্ণ কম্পিউটারের মাধ্যমে রিড হয়, তাই ফলাফল ‘ভুল হওয়ার প্রশ্নই আসে না’।

তারপরও ফলাফল নিয়ে কারও সন্দেহ থাকলে তা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকছে বলে জানিয়েছেন তারা। কিন্তু অনেকে যতগুলো প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তার চাইতে বেশি নম্বর পেয়েছেন বলে যে অভিযোগ তার কোন জবাব পাওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৫টার সময় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের পরই শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

নরসিংদী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আবির, অংশ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায়। তিনি ইংরেজিতে কোন প্রশ্নের উত্তর না দিয়েও ২২ নম্বর পেয়েছেন। আবার বাংলায় ৩১টি প্রশ্নের উত্তর দিলেও পেয়েছেন ৪ নম্বর। তিনি বাংলায় তার এর চাইতে বেশি নম্বর আশা করেছিলেন।

রাজধানীর দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে এইচএসসি পাস করা আবু নোমান সালমান ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। প্রকাশিত ফলাফলে ১০০ নাম্বারের মধ্যে ২২.৫০ নাম্বার পান এ শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘বাংলা অংশে ৪০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের মধ্যে ৩৫টির উত্তর ভরাট করেছি। কিন্তু রেজাল্টে দেখাচ্ছে বাংলায় ২০ নম্বর। আবার ইংরেজিতে ৩৫টার মধ্যে ১৭/১৮র উত্তর দিয়েছি, ফলাফলে দেখাচ্ছে ইংরেজিতে ৩০ নম্বর।

‘আমি শতভাগ নিশ্চিত হয়েই উত্তর করেছিলাম। আমার হিসাব অনুযায়ী আমি ৪৩/৪৪ মার্কস পাওয়ার কথা। কিন্তু অতিরিক্ত ভরাট দেখিয়ে সেটা আবার মাইনাস দেখাচ্ছে, পেয়েছি ২২.৫০,’ বলেন সালমান।

এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি সেকেন্ড টাইম পরীক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে অনেক যুদ্ধ করে প্রায় দুই বছর ধরে প্রস্তুতি নিলাম। অনেক স্বপ্ন ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। কিন্তু, গুচ্ছ পরীক্ষার এমন ফলাফলে আমার সব শেষ হয়ে গেল।’

একই বিড়ম্বনায় পড়েছেন ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করা মুবাশ্বির আহমেদ। প্রকাশিত ফলাফলে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৪৬ নম্বর পেয়েছেন এই শিক্ষার্থী। তবে ভর্তি পরীক্ষার বাংলা অংশে ৪০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তর করলেও প্রকাশিত ফলাফলে বাংলা অংশে ২৮ নম্বর দেখানো হয়েছে। মুবাশ্বির বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারব কি না- তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর সুযোগ পেলেও এত কম নম্বরের জন্য আমি ভালো সাবজেক্ট পাব না। আমাদের স্বপ্ন নিয়ে এ রকম খেলা করার কোন মানে হয় না।’

মুন্সীগঞ্জের আরেক শিক্ষার্থী সজিব হাসান ফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘ইংরেজি থেকে ৩৫টা প্রশ্নের সবই পূরণ করেছি, কমন ছিল ২৭টা। এখন রেজাল্ট অনুযায়ী আমি নাকি ৩১টা আনসার করছি, যেখানে ১১টাই আবার ভুল!’

প্রকাশিত ফলাফলে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৫৭.৫০ নম্বর পান এই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘ইংরেজিতে এত কম নম্বর পাওয়া কোনভাবেই সম্ভব না। বিশ্বাস করেন, এদেশ থেকে এর চেয়ে বেশি আশা করি নাই, আর করবও না। ভর্তি আয়োজক কমিটি, যাদের অবহেলার কারণে আমাদের স্বপ্ন ধ্বংস হচ্ছে, তাদের বিচার যেন আল্লাহ করে।’

শুধু আবির, সালমান, মুবাশ্বির আর সজিবই নয়, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া অনেক শিক্ষার্থীই প্রকাশিত ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘অনেক শিক্ষার্থী ওএমআর পূরণ করতে ভুল করে। অর্ধেক ভরাট, অস্পষ্ট হলে কম্পিউটারে সেটা রিড করে না। এখানে ওএমআর সম্পূর্ণ কম্পিউটারের মাধ্যমে রিড হয়, তাই ফলাফল ভুল হওয়ার প্রশ্নই আসে না। এরপরও যারা চ্যালেঞ্জ করতে চায়, বাণিজ্য অনুষদের পরীক্ষার পর আমরা একটা নোটিশ দেব। নির্ধারিত ফি দিয়ে শিক্ষার্থীরা পুনরায় ফলাফল চেক করতে পারবে।’

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আজ আমাদের ‘বি’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সর্বোচ্চ মার্কস ৯৩.৭৫ আর সর্বনিম্ন মার্কস (মাইনাস) -০.৭।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যে অভিযোগ করেছে এগুলো ভিত্তিহীন। কম্পিউটারে রেজাল্ট কাউন্ট হয়েছে, ভুল হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে কোন শিক্ষার্থী যদি অভিযোগের বিষয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে, তাহলে পরীক্ষা শেষে আমরা তাদের পুনঃনিরীক্ষণের ব্যবস্থা করব।’

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১ , ১১ কার্তিক ১৪২৮ ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছের ফলে ভুল, অসন্তোষ

চ্যালেঞ্জের সুযোগ থাকছে : কর্তৃপক্ষ

মাহমুদ তানজীদ, জবি

প্রথমবারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক বিভাগ) ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। আর এরপরই বেধেছে গোল।

শিক্ষার্থীরা বলছে, তাদের প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে ফলাফলের মিল নেই। অনেকে বলছেন তারা যতগুলো প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তার চাইতে বেশি নাম্বার পেয়েছেন। আবার অনেকের অভিযোগ যা নম্বর পাবার কথা তার চাইতে অনেক কম নম্বর পেয়েছেন।

তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ভর্তি পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের সঠিক উত্তরের ঘর ভরাট করতে হয়। অর্ধেক ভরাট বা অস্পষ্ট হলে কম্পিউটারে সেটা রিড করে না। অনেক শিক্ষার্থী ওএমআর পূরণ করতে ভুল করে। তারা বলছেন এখানে ওএমআর সম্পূর্ণ কম্পিউটারের মাধ্যমে রিড হয়, তাই ফলাফল ‘ভুল হওয়ার প্রশ্নই আসে না’।

তারপরও ফলাফল নিয়ে কারও সন্দেহ থাকলে তা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকছে বলে জানিয়েছেন তারা। কিন্তু অনেকে যতগুলো প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তার চাইতে বেশি নম্বর পেয়েছেন বলে যে অভিযোগ তার কোন জবাব পাওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৫টার সময় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের পরই শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

নরসিংদী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আবির, অংশ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায়। তিনি ইংরেজিতে কোন প্রশ্নের উত্তর না দিয়েও ২২ নম্বর পেয়েছেন। আবার বাংলায় ৩১টি প্রশ্নের উত্তর দিলেও পেয়েছেন ৪ নম্বর। তিনি বাংলায় তার এর চাইতে বেশি নম্বর আশা করেছিলেন।

রাজধানীর দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে এইচএসসি পাস করা আবু নোমান সালমান ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। প্রকাশিত ফলাফলে ১০০ নাম্বারের মধ্যে ২২.৫০ নাম্বার পান এ শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘বাংলা অংশে ৪০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের মধ্যে ৩৫টির উত্তর ভরাট করেছি। কিন্তু রেজাল্টে দেখাচ্ছে বাংলায় ২০ নম্বর। আবার ইংরেজিতে ৩৫টার মধ্যে ১৭/১৮র উত্তর দিয়েছি, ফলাফলে দেখাচ্ছে ইংরেজিতে ৩০ নম্বর।

‘আমি শতভাগ নিশ্চিত হয়েই উত্তর করেছিলাম। আমার হিসাব অনুযায়ী আমি ৪৩/৪৪ মার্কস পাওয়ার কথা। কিন্তু অতিরিক্ত ভরাট দেখিয়ে সেটা আবার মাইনাস দেখাচ্ছে, পেয়েছি ২২.৫০,’ বলেন সালমান।

এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি সেকেন্ড টাইম পরীক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে অনেক যুদ্ধ করে প্রায় দুই বছর ধরে প্রস্তুতি নিলাম। অনেক স্বপ্ন ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। কিন্তু, গুচ্ছ পরীক্ষার এমন ফলাফলে আমার সব শেষ হয়ে গেল।’

একই বিড়ম্বনায় পড়েছেন ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করা মুবাশ্বির আহমেদ। প্রকাশিত ফলাফলে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৪৬ নম্বর পেয়েছেন এই শিক্ষার্থী। তবে ভর্তি পরীক্ষার বাংলা অংশে ৪০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তর করলেও প্রকাশিত ফলাফলে বাংলা অংশে ২৮ নম্বর দেখানো হয়েছে। মুবাশ্বির বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারব কি না- তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর সুযোগ পেলেও এত কম নম্বরের জন্য আমি ভালো সাবজেক্ট পাব না। আমাদের স্বপ্ন নিয়ে এ রকম খেলা করার কোন মানে হয় না।’

মুন্সীগঞ্জের আরেক শিক্ষার্থী সজিব হাসান ফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘ইংরেজি থেকে ৩৫টা প্রশ্নের সবই পূরণ করেছি, কমন ছিল ২৭টা। এখন রেজাল্ট অনুযায়ী আমি নাকি ৩১টা আনসার করছি, যেখানে ১১টাই আবার ভুল!’

প্রকাশিত ফলাফলে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৫৭.৫০ নম্বর পান এই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘ইংরেজিতে এত কম নম্বর পাওয়া কোনভাবেই সম্ভব না। বিশ্বাস করেন, এদেশ থেকে এর চেয়ে বেশি আশা করি নাই, আর করবও না। ভর্তি আয়োজক কমিটি, যাদের অবহেলার কারণে আমাদের স্বপ্ন ধ্বংস হচ্ছে, তাদের বিচার যেন আল্লাহ করে।’

শুধু আবির, সালমান, মুবাশ্বির আর সজিবই নয়, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া অনেক শিক্ষার্থীই প্রকাশিত ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘অনেক শিক্ষার্থী ওএমআর পূরণ করতে ভুল করে। অর্ধেক ভরাট, অস্পষ্ট হলে কম্পিউটারে সেটা রিড করে না। এখানে ওএমআর সম্পূর্ণ কম্পিউটারের মাধ্যমে রিড হয়, তাই ফলাফল ভুল হওয়ার প্রশ্নই আসে না। এরপরও যারা চ্যালেঞ্জ করতে চায়, বাণিজ্য অনুষদের পরীক্ষার পর আমরা একটা নোটিশ দেব। নির্ধারিত ফি দিয়ে শিক্ষার্থীরা পুনরায় ফলাফল চেক করতে পারবে।’

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আজ আমাদের ‘বি’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সর্বোচ্চ মার্কস ৯৩.৭৫ আর সর্বনিম্ন মার্কস (মাইনাস) -০.৭।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যে অভিযোগ করেছে এগুলো ভিত্তিহীন। কম্পিউটারে রেজাল্ট কাউন্ট হয়েছে, ভুল হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে কোন শিক্ষার্থী যদি অভিযোগের বিষয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে, তাহলে পরীক্ষা শেষে আমরা তাদের পুনঃনিরীক্ষণের ব্যবস্থা করব।’